সোমবার, ২৪শে নভেম্বর, ২০২৫ ইং
০২:৫২ পি.এম
অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, ‘সাংবাদিকদেরকে নিবর্তন করার জন্য রাষ্ট্রের নানা পথ খোলা আছে। যেমন আকাশের নক্ষত্রের সংখ্যা, আইনেও একই রকম সংখ্যা রয়েছে। সাংবাদিকদের স্বাধীনতা রোধ করার জন্য এবং তাদেরকে নিয়ন্ত্রণের জন্য আকাশের প্রতিটি নক্ষত্রের মতো আইনের ধারা ব্যবহার করা হয়।’
সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজন করা ‘বে অফ বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৫’ সম্মেলনের তৃতীয় দিনে এ মন্তব্য করেন তিনি।
‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশ: ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা’ শীর্ষক পর্বে অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, যে-ই সরকারে আসুক, তাদের মধ্যে সাংবাদিক নিবর্তনের মানসিকতা একটি চিরন্তন বিষয়। আইসিটি আইনের ৫৭ ধারা বাতিল করে আলোচনা করে যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন গঠন করা হয়েছিল, তা ছিল আলাদা আলাদা মানুষের সঙ্গে প্রতারণা।
বিগত সরকারের সময়কালে এই আইনগুলোর অপব্যবহারের কিছু উদাহরণ উল্লেখ করেন তিনি এবং বলেন, ‘এই সমস্ত নিবর্তনী এবং নির্যাতনমূলক আইন কণ্ঠরোধ করে, যে আইন সাংবাদিকের কলমকে থামিয়ে দেয়। আমরা এই আইনগুলোর অবসান চাই। আমাদের প্রত্যাশা থাকবে আগামীতে যারা রাজনৈতিক নেতৃত্বে আসবেন, তারা এই বিষয়গুলো পুনর্বিবেচনা করবেন।
বাংলাদেশে একটি ভীতিহীন সাংস্কৃতিক পরিবেশের প্রত্যাশা ব্যক্ত করে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর গুমের ঘটনা ঘটেনি এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। গত ১৭ মাসে পুলিশ নিজে বাদী হয়ে কোন ‘গায়েবি’ মামলা করেনি। পরবর্তী নির্বাচিত সরকার সব ধরনের নিবর্তনমূলক আইনের পথ থেকে ফিরে আসবে এবং তারা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ অন্য নীতিমালায় ফিরে যাওয়ার চিন্তা করবে না।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, সাংবাদিকদের ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ভূমিকা থাকা জরুরি। ফ্যাসিবাদী বয়ানের উৎপাদনে সাংবাদিকরা জড়িত ছিলেন এবং অনেক নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। এই দিক থেকে দেখলে সমস্যা স্পষ্ট।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার-বিজেসি আয়োজিত সেমিনার 'মিডিয়া সংস্কার প্রতিবেদনের পর্যালোচনা' বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে সেলিব্রিটি হল রুমে তিনি এসব কথা বলেন।
আখতার আরও জানান, গণমাধ্যমের ভেতরে গভীর রাজনীতি বিদ্যমান। এখানে নিজ মতাদর্শের অনুসারীদের নিয়োগ দেওয়া হয়। এই অভ্যন্তরীণ কলুষতা দূর করতে উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। রাজনীতিবিদ এবং সাংবাদিক অধিকারের পক্ষে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে সাংবাদিকতা এক সংকটে রয়েছে। কারা আসলে সাংবাদিক সেটা পরিষ্কার নয়। অনেক সিটিজেন জার্নালিস্ট তৈরি হয়েছে এবং পেশাদার সাংবাদিকদের সঙ্গে তাদের মধ্যে মর্যাদার ব্যাপক পার্থক্য ঘটেছে। সাংবাদিকতার মানদণ্ড থাকা জরুরি। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সম্মানী, পারিশ্রমিক এবং নিরাপত্তাহীনতা সাংবাদিকদের জন্য বড় সমস্যার কারণ। সুনির্দিষ্ট বেতন কাঠামোর অভাব স্বাধীন সাংবাদিকতাকে বাধাগ্রস্ত করছে।
আখতার আরও মন্তব্য করেন, পক্ষপাতমূলক সংবাদ প্রকাশে গণমাধ্যম কর্মীদের মনস্তাত্ত্বিক চাপ থাকে। এজন্য বেতন নিশ্চিত করা প্রয়োজন, কিন্তু সাংবাদিকদের জন্য আইনগত পদক্ষেপের সুযোগ নেই। গণমাধ্যমের ভেতরে রাজনীতি ও দলের লোক নিয়োগের জন্য কাজ করা উচিত। রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং গণমাধ্যমের সমন্বয়ে জনগণের পক্ষে কাজ করতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সরকারের একটি অংশ বিদেশিদের পরামর্শে শ্রম আইন পরিবর্তন করে অধ্যাদেশ জারি করেছে। যদি এটি কার্যকর হয়, তবে পোশাক শিল্পে অস্থিরতা বাড়তে পারে। এই অভিযোগ তুলে পোশাক খাতের শীর্ষ সংগঠনগুলো, যেমন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ), নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ) এবং বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) নতুন অধ্যাদেশ প্রত্যাখ্যান করেছে। যদিও শ্রমিক নেতাদের দাবি, সংশোধিত আইনে শ্রমিকের সুরক্ষা প্রদান করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে অর্থনীতিবিদরা নতুন আইন বাস্তবায়নে শিল্পাঞ্চলে অসন্তোষ তৈরি না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
দীর্ঘদিন ধরে জাতিসংঘের শ্রম সংস্থা (আইএলও), যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ পশ্চিমা দেশগুলো বাংলাদেশের শ্রম আইনের সংশোধন চেয়ে আসছিল। বিশেষ করে ট্রেড ইউনিয়ন গঠন প্রক্রিয়া সহজতর করা এবং রফতানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকায় শ্রম আইন কার্যকর করাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাগিদ ছিল।
অবশেষে, বাংলাদেশ শ্রম আইন সংশোধন-২০২৫ এর খসড়া গত মাসে উপদেষ্টা পরিষদ দ্বারা অনুমোদিত হয়। যেখানে দেখা যায়, পূর্বের শ্রম আইনে ভবিষ্যৎ তহবিল গঠনের বিষয়টি একটি বাধ্যবাধকতা ছিল না। কিন্তু নতুন আইনে ১০০ জন স্থায়ী শ্রমিক থাকলে স্থায়ী তহবিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কারখানায় কর্মরত ২০ জন শ্রমিক-কর্মচারী সম্মত থাকলেই ট্রেড ইউনিয়ন গঠন করা যাবে।
পূর্বে, মোট শ্রমিকের ২০ শতাংশের সম্মতি প্রয়োজন ছিল। একটি প্রতিষ্ঠানে ৫টি ট্রেড ইউনিয়ন গঠন করা যাবে, যা আগে ছিল ৩টি। এই সংশোধনগুলোর বিরুদ্ধে পোশাক শিল্পের উদ্যোক্তাদের আপত্তির মধ্যেই ১৭ নভেম্বর খসড়াটি অধ্যাদেশ হিসাবে জারি করে সরকার। এটি প্রত্যাখ্যান করেছে বিজিএমইএ, বিকেএমইএ ও বিটিএমএ। বিজিএমইএর পরিচালক রশিদ আহমেদ হোসাইনী মন্তব্য করেন, পাস হওয়া শ্রম আইন বাংলাদেশের বাস্তবতা এবং দেশের অর্থনীতি ও শিল্পের প্রেক্ষাপটে যুগোপযোগী নয়।
উদ্যোক্তাদের মতে, নতুন আইন শিল্পে অস্থিরতা বাড়িয়ে তুলবে। বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম সতর্ক করে বলেন, আগামী দিনগুলোতে এই শিল্প ‘কন্টিনিউয়াসলি সাফার’ করতে পারবে। যারা এই আইন তৈরি করেছেন, তারা পূর্ব পরিকল্পনায় করেছেন। বহুবার উদ্বেগ প্রকাশ করা সত্ত্বেও সরকার আইনটি পরিবর্তন করেনি।
নতুন অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, শ্রমিকরা মজুরি বাড়ানোর দাবিতে আন্দোলন করলে তাদের কালো তালিকাভুক্ত করা যাবে না। এছাড়া কর্মকর্তাদেরও শ্রমিকের সংজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফলে শ্রমিক নেতারা দাবি করছেন, সংশোধিত শ্রম আইন কর্মীবান্ধব হয়েছে।
গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির সভাপ্রধান ও শ্রম সংস্কার কমিশনের সদস্য তাসলিমা আখতার বলেন, ‘যা কিছু চেয়েছি, সব পাইনি। তবে শ্রম আইনে যা করা হয়েছে, সেটি গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার ফল।’
ইন্ডাস্ট্রি অল বাংলাদেশ কাউন্সিলের সাবেক মহাসচিব সালাউদ্দিন স্বপন বলেন, ‘শ্রমিকের সংজ্ঞা শ্রমিকদের মধ্যেই থাকবে। তারা আইন অনুযায়ী সুযোগ সুবিধা নিতে পারবে। প্রভিডেন্ট ফান্ড বাধ্যতামূলক হওয়ায়, এটি মানতে না পারলে শাস্তির ব্যবস্থা থাকবে।
অন্যদিকে, নতুন আইন বাস্তবায়নে শিল্পাঞ্চলে ঝুকি বাড়ার সম্ভাবনা উল্লেখ করেছেন অর্থনীতিবিদরা। অর্থনীতিবিদ ড. মাহফুজ কবির মন্তব্য করেন, শ্রম আইনকে কেন্দ্র করে যাতে দেশের ক্ষতি না হয়, এবং শিল্পকারখানা বা অর্থনৈতিক কাজকর্মে বিঘ্ন না ঘটে, সে বিষয়ে নজর রাখতে হবে। একই সঙ্গে শ্রমিকদের অধিকার ও কমপ্লায়েন্স কঠোরভাবে মানতে হবে।
শিল্পের স্বার্থে পণ্যের দাম বাড়ানোর জন্য আন্তর্জাতিক বাজারে শ্রমিক সংগঠনগুলোকে সংগঠিতভাবে সোচ্চার হওয়ার তাগিদ দিয়েছেন রফতানি খাতের সংশ্লিষ্টরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভূমিকম্পের কারণে দেশের সর্বোচ্চ আদালত, সুপ্রিম কোর্ট, নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য এবং অ্যালার্মিং সিস্টেম চালু করার নির্দেশদানে রিট দায়ের করা হয়েছে।
রিটের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং বুয়েটের ভিসি বিবাদী করা হয়েছে।
জনস্বার্থে এই রিট আবেদন করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট গোলাম কিবরিয়া। তিনি বিষয়টি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় একা একা দায়ের করেছেন।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) আইনজীবী নিজেই রিট আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সম্প্রতি ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ও সারাদেশে চার দফায় ভূমিকম্প সংঘটিত হয়েছে। এই ঘটনায় ৫ জন নিহত হয়েছেন এবং কয়েকশ মানুষ আহত হন। অনেক বহুতল ভবনে ফাটল সৃষ্টি হয়েছে, এবং মাটিও সরে গেছে।
এদিকে, ভূমিকম্পের পূর্বাভাসে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ছুটি ঘোষণা করেছে। এই সময় বিভিন্ন আবাসিক হলের ঝুঁকি উন্নীত করতে কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা চালাবে বলে জানা গেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যশোরের বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৩৮৮ ট্রাক বিভিন্ন পণ্যের আমদানি ও রফতানি হয়েছে এবং ১৫৫৬ জন পাসপোর্টধারী যাতায়াত করেছেন। এই সময়ে বাণিজ্য খাতে প্রায় ১৩ কোটি টাকা এবং ভ্রমণে প্রায় ১৪ লাখ টাকার রাজস্ব আয় হয়েছে।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) সকালে বন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) পলাশ হোসেন বেনাপোল রুটে ব্যবসা ও পাসপোর্টধারী যাতায়াতের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় মানিচেঞ্চার ব্যবসায়ীদের জানানো মতে, সোমবার বাংলাদেশি ১০০ টাকার বিনিময়ে পাওয়া গেছে ৭২.৫০ রুপি, এবং ভারতীয় ১০০ টাকায় বাংলাদেশি টাকা পাওয়া যাচ্ছে ১৩৫ টাকা। প্রতি ইউএস ডলারের ক্রয় মূল্য ছিল ১২৫ টাকা এবং বিক্রয় মূল্য ছিল ১২৬ টাকা।
বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, রোববার সকাল ৯টা থেকে বেনাপোল ও পেট্রাপোলের মধ্যে আমদানি ও রফতানি বাণিজ্য শুরু হয়। সেদিন ভারত থেকে ৩৪২ ট্রাক পণ্য আমদানি হয়েছে। আমদানির মধ্যে শিল্প কলকারখানার কাঁচামাল, তৈরি পোশাক, কেমিক্যাল, শিশু খাদ্য, মেশিনারিজ, অক্সিজেন, বিভিন্ন ধরনের ফল, চাল, পেঁয়াজ, মাছসহ বহু পণ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বাংলাদেশি পণ্য ভারতে রফতানি হয়েছে ৪৫ ট্রাক। এসব পণ্যের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল বসুন্ধরা টিসু, মেলামাইন, কেমিকেল মাছ ও ওয়ালটন পণ্য।
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সামসুর রহমান জানান, গত বছরের ৫ আগস্টের আগে প্রতিদিন প্রায় ৭০০ ট্রাক পণ্যের বাণিজ্য হতো। কিন্তু ৫ আগস্টের পর দুই দেশের একের পর এক নিষেধাজ্ঞার কারণে আমদানি, রফতানি ও পাসপোর্টধারী যাতায়াত অর্ধেকের নিচে নেমে এসেছে। এক বছর ধরে দুই দেশের বাণিজ্য বৈঠক বন্ধ রয়েছে, যা ব্যবসায়ীদের জন্য বড় ধরণের বিড়ম্বনা ও ক্ষতির কারণ। বাণিজ্যিক পরিস্থিতি ফেরাতে সরকারের পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ইমিগ্রেশন তথ্য অনুযায়ী, ভোর সাড়ে ৬টা থেকে বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাতায়াত শুরু হয়। রোববার (২৩ নভেম্বর) ভোর সাড়ে ৬টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে মোট ১৫৫৬ জন যাতায়াত করেছেন। এদের মধ্যে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারতে গেছেন ৮২৪ জন। ভারতে যাওয়া যাত্রীদের মধ্যে বাংলাদেশি ছিলেন ৬২০ জন, ভারতীয় ২০৩ জন এবং অন্যান্য দেশের দুজন। এ সময় ভারত থেকে ফিরেছেন ৩২ জন। ভারতফেরত যাত্রীদের মধ্যে বাংলাদেশি ৫১৮ জন এবং ভারতীয় ২১৪ জন। গত বছরের ৫ আগস্টের পর ভিসা জটিলতার কারণে পাসপোর্টধারী যাতায়াত কমে গেছে।
অন্যদিকে, বেনাপোল রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার আয়নাল হাসান জানান, সর্বশেষ ২৩ নভেম্বর, আমদানিকারক এসিআই মটরস ১০০টি ট্রাক্টর ভারত থেকে আমদানি করেছে। কিন্তু গত বছরের ৫ আগস্টের পর ভারতীয় নিষেধাজ্ঞার কারণে ঢাকা-বেনাপোল-কলকাতা রুটে যাত্রীবাহী রেল চলাচল বন্ধ রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ