১২:২৮ পি.এম
ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন আয়োজন করেছে স্মার্টফোন এবং গ্যাজেট ব্যবসায়ীদের সংগঠন মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি)।
রোববার (৩০ নভেম্বর) সকাল ১০টায় পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে দোকান বন্ধ রেখে রাজধানীর কারওয়ান বাজার-পান্থপথ এলাকায় জমা হয়ে মানববন্ধন করছেন বিভিন্ন শপিং মলের মোবাইল ব্যবসায়ীরা ও দোকানের কর্মচারীরা।
এসময় তারা বলেছেন, এনইআইআর বাস্তবায়ন হলে লাখো ব্যবসায়ী ও পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হবে। নতুন এই নিয়মের কারণে একটি গোষ্ঠী উপকৃত হবে। অধিক করের ফলে মোবাইল ফোনের মূল্য বৃদ্ধি পাবে।
আরও পড়ুন: ১১ দলের সংবাদ সম্মেলন আজ স্থগিত
নিয়ম চালুর পূর্বে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনার দাবি জানিয়ে তারা বলেছেন, যদি এ দাবি মানা না হয় তাহলে কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেয়া হবে।
এদিকে, সরকারের কর্মকর্তাদের ঘোষণা অনুযায়ী, ১৬ ডিসেম্বরের পর বিক্রি বা নেটওয়ার্কে চালু হওয়া সকল আনঅফিসিয়াল মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেয়া হবে। তবে এনইআইআর চালুর আগের দিন পর্যন্ত নেটওয়ার্কে যে ফোন রয়েছে, সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে এবং কোন মোবাইল ফোন বন্ধ করা হবে না।
বর্তমানে ব্যবহৃত মোবাইল কী বৈধ, তা যাচাই করতে হলে নিম্নলিখিত পদ্ধতি অনুসরণ করুন:
ধাপ-১: প্রথমে মোবাইলের কিপ্যাডে *#06# ডায়াল করুন। স্ক্রিনে ফোনের আইএমইআই নম্বর প্রদর্শিত হবে।
আরও পড়ুন: দেশে আজ বিক্রির নতুন দামে সোনা ও রুপা
ধাপ-২: মোবাইল ফোন থেকে *১৬১৬১# নম্বরে ডায়াল করুন।
ধাপ-৩: একটি অটোমেটিক বক্স আসলে হ্যান্ডসেটের ১৫ ডিজিটের আইএমইআই (IMEI) নম্বরটি লিখে প্রেরণ করুন।
ধাপ-৪: ফিরতি মেসেজের মাধ্যমে ব্যবহারিত মোবাইল ফোনের বর্তমান অবস্থান জানানো হবে।
অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে যাচাই করতে হলে বিটিআরসির ওয়েবসাইটে ‘Verify IMEI’ অপশনে গিয়ে আইএমইআই (IMEI) নম্বর লিখুন। সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল দেখা যাবে, অর্থাৎ আপনার ফোনটি ‘Valid’, ‘Invalid’ অথবা ‘Clone’ আছে।
আরও পড়ুন: ভোটের পূর্বে অর্থনীতিতে সম্ভাবনার সঞ্চার
বিদেশে থেকে কেনা সিরিয়ালি কেনা ফোনের নিবন্ধন করতে হবে। বিদেশ থেকে ব্যক্তি পর্যায়ে কেনা বা উপহার পাওয়া মোবাইল ফোন প্রথমে দেশের নেটওয়ার্কে সচল হবে। তবে পরে এই ফোনগুলো অবশ্যই নিবন্ধিত করতে হবে।
প্রাথমিকভাবে সচল হওয়ার পর ৩০ দিনের মধ্যে অনলাইনে প্রয়োজনীয় তথ্য দাখিলের জন্য গ্রাহককে এসএমএসের মাধ্যমে নির্দেশনা দেয়া হবে। এরপর গ্রাহকের দাখিল করা সব তথ্য যাচাই-বাছাই করার পর কেবল বৈধ ফোনগুলোই নেটওয়ার্কে কাজ করবে।
ফোন বিক্রি করতে হলে নিবন্ধিত মুঠোফোন গ্রাহককে আগে 'ডি-রেজিস্ট্রেশন' করতে হবে। ডি-রেজিস্ট্রেশনের জন্য অবশ্যই গ্রাহকের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ব্যবহার করে নিবন্ধিত একটি সিম ফোনে থাকতে হবে এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের শেষ চার ডিজিট উল্লেখ করতে হবে। নিবন্ধিত ফোন বিক্রি বা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে।
ডি-রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়াটি চারটি মাধ্যমে করা যাবে।
আরও পড়ুন: ভারতসহ ৭ দেশ থেকে ২৪ হাজার কোটি টাকার জ্বালানি তেল আসছে
১) সিটিজেন পোর্টাল (neir.btrc.gov.bd)
২) মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরের (এমএনও) পোর্টাল
৩) মোবাইল অ্যাপ
৪) ইউএসএসডি চ্যানেল (*১৬১৬১#)
আরও পড়ুন: ফেব্রুয়ারির মধ্যে এনবিআরকে দুই ভাগে বিভক্ত করার প্রক্রিয়া
যদিও ডি-রেজিস্ট্রেশনের সময় নিশ্চিত করতে হবে, গ্রাহক তাঁর ফোনে যে সিমটি ব্যবহার করছেন সেটি অবশ্যই নিজের জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে নিবন্ধিত থাকতে হবে। ক্লোন বা ডুপ্লিকেট আইএমইআই নম্বর যুক্ত ফোন ডি-রেজিস্ট্রেশন করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত তথ্য হিসেবে পরবর্তী ব্যবহারকারীর সিম নম্বর দিতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন