১২:০৯ পি.এম
দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে উদ্ভূত ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’ এর কারণে ভারতের দক্ষিণাঞ্চলের বেশ কয়েকটি রাজ্যে ব্যাপক বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তবে, আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, এই ঘূর্ণিঝড়টি স্থলভাগে আছড়ে পড়ার পরিবর্তে উপকূলের পাশ ঘেঁষে চলে যেতে পারে।
রোববার (৩০ নভেম্বর) সকালে ভারতের আবহাওয়া অধিদফতর (আইএমডি) জানিয়েছে, ‘ডিটওয়াহ’ বর্তমানে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং তার আশেপাশের উত্তর শ্রীলঙ্কা ও তামিলনাড়ুর উপকূলে কেন্দ্রীভূত হয়ে আছে এবং উত্তর-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
এটি বর্তমানে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে কারইকাল থেকে ৯০ কিমি পূর্ব-উত্তর পূর্ব, বেদারান্নিয়াম থেকে ১২০ কিমি উত্তর-পূর্ব, পুদুচেরি থেকে ১৩০ কিমি দক্ষিণ-পূর্বে, শ্রীলঙ্কার জাফনা থেকে ১৭০ কিমি উত্তর-উত্তর পূর্ব এবং চেন্নাই থেকে ২২০ কিমি দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থান করছে।
আরও পড়ুন: দুবাই ও দোহার কিছু এলাকায় সাধারণ মানুষকে সরানোর নির্দেশ ই-রানের
আবহাওয়া অধিদফতর পূর্ববর্তী তথ্য অনুসারে জানিয়েছিল যে, রোববার সকালের মধ্যে ‘ডিটওয়াহ’ তামিলনাড়ু-পুদুচেরি-দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে। কিন্তু ঘূর্ণিঝড়ের গতি পরিবর্তনের কারণে তার জরুরী অবস্থা নতুন করে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।
আবহাওয়া বিভাগের আরও কিছু তথ্য বলছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় এই ঘূর্ণিঝড় উত্তর তামিলনাড়ু-পুদুচেরির উপকূলের সমান্তরালভাবে উত্তর দিকে এগোবে। রোববার দুপুর থেকে সন্ধ্যার মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ের উপকূলের সঙ্গে দূরত্ব সবচেয়ে কম হবে, যা স্থলভাগের কাছে ৩০ থেকে ৭০ কিলোমিটার হতে পারে।
এদিকে, শ্রীলঙ্কার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের (ডিএমসি) সূত্রে এএফপি জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’ এর কারণে শ্রীলঙ্কায় ১৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৭৬ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। প্রায় ১৫,০০০ বাড়িঘর ধ্বংস হয়েছে এবং ৪৪,০০০ মানুষ অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে।
আরও পড়ুন: আলোচনায় ফিরতে ওয়াশিংটনকে বাধ্য হতে পারে
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন