সোমবার, ২৪শে নভেম্বর, ২০২৫ ইং
০৬:১৫ পি.এম
ট্রেডিং করপোরেশন অব পাকিস্তান (টিসিপি) বাংলাদেশে চাল সরবরাহের উদ্দেশ্যে ১ লাখ টন চাল কেনার জন্য একটি দরপত্র জারি করেছে।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন।
দীর্ঘ সময় ধরে চলমান অস্থির সম্পর্কের পর, ২০২৪ সালের আগস্টে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর ইসলামাবাদ ও ঢাকার মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি ঘটেছে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পৃক্ততাও বৃদ্ধি পেয়েছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, গেল ২০ নভেম্বর টিসিপির টেন্ডার জারি করা হয়েছে, যেখানে মূল্য প্রস্তাব জমা দেওয়ার শেষ দিন আগামী ২৮ নভেম্বর সকাল ১১টা ৩০ মিনিট।
এ রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, করাচি বন্দর দিয়ে ‘ব্রেক বাল্ক কার্গো আকারে বাংলাদেশে রফতানির জন্য’ এক লাখ টন লম্বা দানার সাদা চাল (IRRI-6) কেনার জন্য কোম্পানি, অংশীদারিত্ব এবং একক মালিকদের কাছ থেকে ‘পৃথক সিল করা দরপত্র’ আহ্বান করেছে।
দাম সম্পর্কিত প্রস্তাব জমা দেওয়ার পর তা ২১ কার্যদিবসের জন্য বৈধ থাকতে হবে এবং চুক্তি অনুযায়ী ৪৫ দিনের মধ্যে চালানের জন্য সেই চাল প্রস্তুত থাকতে হবে।
দরপত্র অনুযায়ী, চাল ‘পাকিস্তানে উৎপাদিত সর্বশেষ ফসলের মজুদ’ থেকে সরবরাহ করতে হবে এবং এর মধ্যে কোনো অপ্রীতিকর গন্ধ, ছত্রাকের চিহ্ন, বিষাক্ত আগাছার বীজ, পোকামাকড় এবং আক্রমণ না থাকা সুনিশ্চিত করতে হবে যাতে এটি মানুষের ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত হয়।
এদিকে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ ফেব্রুয়ারিতে ৫০ হাজার টন চাল আমদানির মাধ্যমে সরাসরি (সরকার পর্যায়ে) বাণিজ্য শুরু করেছে।
সূত্র: দ্য ডন
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) ত্রিদেশীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট উপলক্ষে ২৩ সদস্যের জাতীয় নারী দলের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে।
দলটির নেতৃত্বে থাকছেন আফঈদা খন্দকার। আগামী ২৬ নভেম্বর ঢাকায় বাংলাদেশ খেলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে। এরপর ২ ডিসেম্বর আফঈদার অধিনায়ত্বে দল আজারবাইজানের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) বাফুফে ভবনে সংবাদ সম্মেলনের সময় মালয়েশিয়া ও আজারবাইজানকে নিয়ে অনুষ্ঠিতব্য তিন জাতি সিরিজের জন্য ২৩ সদস্যের দল ঘোষণা করেন বাটলার। যদিও প্রত্যাশা থাকলেও আলোচিত পাঁচ সিনিয়রের কেউ স্কোয়াডে স্থান পাননি। তারা সাফ ২০২৪ এর পর থেকে স্কোয়াডের বাইরে রয়েছেন।
এদিকে, মার্চে অস্ট্রেলিয়ায় এএফসি উইমেন্স এশিয়ান কাপ অনুষ্ঠিত হবে। এশিয়ার সর্বোচ্চ টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ নারী দল এবারই প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছেন। এই টুর্নামেন্টের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ত্রিদেশীয় সিরিজে অংশ নেবে বাংলাদেশ।
গত অক্টোবর মাসে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল থাইল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি ম্যাচ খেলেছিল এবং সেই স্কোয়াডের ২৩ জন খেলোয়াড়ই এবারও রয়েছেন। নতুন সদস্য হিসেবে যোগ হয়েছেন মামনি চাকমা এবং তনিমা বিশ্বাস।
যেখানে মামনি প্রধান স্কোয়াডের অংশ, তনিমা স্ট্যান্ডবাই খেলোয়াড় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। একইভাবে রুমা আক্তারও স্ট্যান্ডবাই হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন এই সিরিজে।
নারী ফুটবলের জগতে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো, সাবিনা খাতুন, কৃষ্ণা রানী সরকার, সানজিদা ইসলাম, সুমাইয়া মাতসুশিমা এবং মাসুরা পারভীন জাতীয় দলে ফিরবেন কি না? তবে তিন জাতি সিরিজের দল ঘোষণার সময় এই বিষয়ের উপর কোনো পরিষ্কার উত্তর মেলেনি। হেড কোচ পিটার জেমস বাটলার বলেছেন, তাদের জন্য জাতীয় দলের পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি, তবে পদক্ষেপ নিতে হলে আর কোনো প্রশ্ন শুনতে চান না তিনি।
এছাড়া, এই পাঁচ ফুটবলার যদিও বাফুফের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ আছেন, তবুও স্কোয়াডে জায়গা পাচ্ছেন না। বছরের শেষের দিকে হয়তো এই রহস্যের সমাধান হবে।
ত্রিদেশীয় সিরিজের জন্য বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের স্কোয়াড হলো: রুপনা চাকমা, মিলি আক্তার, স্বর্ণা রানী, নবীরন খাতুন, আফঈদা খন্দকার, কোহাতি কিসকু, মামনি চাকমা, শামসুন্নাহার সিনিয়র, হালিমা আক্তার, জয়নব বিবি, শিউলি আজিম, মারিয়া মান্দা, মনিকা চাকমা, মুনকি আক্তার, স্বপ্না রানী, উমহেলা মারমা, শাহেদা আক্তার, মোসাম্মত সুলতানা, মোসাম্মত সাগরিকা, তহুরা খাতুন, শামসুন্নাহার জুনিয়র, ঋতুপর্ণা চাকমা, সিনহা জাহান, রুমা আক্তার এবং তনিমা বিশ্বাস।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, সরকার যদি দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পরিচালিত হতে চায়, তাহলে তার জন্য অবশ্যই একটি দায়িত্বশীল বিরোধী দলের প্রয়োজন। বিরোধী দল মানে সব সময় শত্রু নয়।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) রাজধানীর উত্তরায় বাংলাদেশ ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় এসব মন্তব্য করেন তিনি।
ফ্লাই স্কুলের উদ্যোগে বিএনপির সহযোগিতায় ঐক্যবদ্ধ ঢাকা-১৮ আসনের ‘রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতে ৩১ দফা বাস্তবায়নের আলোকে ‘রাষ্ট্র গঠনে চিন্তাশীল তারুণ্যের ভাবনা’ শীর্ষক এই আলোচনা সভাটি আয়োজন করা হয়।
গয়েশ্বর জানান, জাতীয় নির্বাচনের নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হচ্ছে, কারণ, একাংশের পক্ষ থেকে একেক সময় ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য আসে।
তিনি আরও যোগ করেন, যারা একসময় দেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, তাদের কথা শোনার জন্য আমরা বেঁচে নেই। দেশবিরোধীদের প্রতি গয়েশ্বর তীব্র সমালোচনা করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মালয়েশিয়ায় গত কয়েকদিনের টানা ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় দেশের সাতটি রাজ্যের প্রায় ১৪ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়েছেন। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ৪ হাজার ৮৪৪টি পরিবারের মধ্যে মোট ১৩ হাজার ৯১৫ জন মানুষ তাদের বাড়িঘর ছেড়ে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে (পিপিএস) যেতে বাধ্য হয়েছেন।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী ড. আহমদ জাহিদ হামিদি এই পরিস্থিতির বিষয়ে জানিয়েছেন যে, দেশের সব নিরাপত্তা এবং জরুরি সংস্থাগুলোকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। কেন্দ্রীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান হিসাবে তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, সরকার ইতোমধ্যে ৬৩টি অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র সক্রিয় করেছে এবং ত্রাণ কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য ফেডারেল, রাজ্য ও জেলা পর্যায়ে সব সাড়া প্রদানকারী সংস্থার মধ্যে সমন্বয় স্থাপন করা হয়েছে।
ন্যাশনাল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট এজেন্সি’র (নাদমা) ডিজাস্টার কন্ট্রোল সেন্টার থেকে পাওয়া সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে, সোমবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত কেলাতান রাজ্যটি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এদিকে, আগামী ২-৩ দিনের আবহাওয়ার অনিশ্চয়তার কারণে দেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয় বন্যা-প্রতিরোধমূলক প্রস্তুতি ও পদক্ষেপকে আরও কার্যকরভাবে বাড়িয়ে তুলেছে। শিক্ষামন্ত্রী ফাদলিনা সিদেক জানিয়েছেন, মন্ত্রণালয়ের প্রধান অগ্রাধিকার হচ্ছে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বোর্ড পরীক্ষার্থীরা যেন নির্বিঘ্নে তাদের পরীক্ষা সম্পন্ন করতে পারে এবং বন্যাপ্রবণ এলাকার শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
অস্থায়ী বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনের পর মন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি চারটি স্কুল পরিদর্শন করেছি এবং সেখানে শিক্ষার্থীদের হোস্টেলে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া দেখেছি, যা একটি প্রাথমিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা।’
তিনি আরও জানান, জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ, রয়্যাল মালয়েশিয়া পুলিশ, ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ ডিপার্টমেন্ট এবং সিভিল ডিফেন্স ফোর্সসহ বিভিন্ন সংস্থার সহযোগিতায় এই প্রস্তুতিমূলক অভিযান চালু করা হয়েছে।
এছাড়া, শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সাথে যৌথভাবে প্রস্তুত রয়েছে যাতে আটকেপড়া বা পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছাতে ব্যর্থ পরীক্ষার্থীদের দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করা যায়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সরকার কওমি শিক্ষাকে দেশীয় সাধারণ, কারিগরি এবং আলিয়া মাদরাসা শিক্ষার মতো মূল ধারার সমমান ও সমযোগ্যতায় নিয়ে আসার কার্যক্রম শুরু করেছে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে কওমি মাদরাসার সমস্ত স্তরের সনদ ও দক্ষতাকে আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ করতে হবে।
সম্পRecently 'বাংলাদেশ জাতীয় যোগ্যতা কাঠামো নীতিমালা, ২০২৫'-এর একটি খসড়া তৈরি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ গত ১৬ নভেম্বর এই নীতিমালাটি জনমত যাচাইয়ের জন্য নিজেদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে।
প্রস্তাবিত নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, সাধারণ, কারিগরি এবং মাদরাসা শিক্ষার মধ্যে যোগ্যতার সজ্ঞায়ন ও সমন্বয় করা জরুরি। আগের অভিজ্ঞতাকে স্বীকৃতি দেওয়া, জীবনব্যাপী শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করা এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সাথে সংযোগ রাখা প্রয়োজন।
নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে যে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় মাদরাসা শিক্ষা দুটি বর্ষে বিভক্ত — ১. আলিয়া সরকার অনুমোদিত এবং সাধারণ বিষয়ের সমন্বয় এবং ২. কওমি মাদরাসা স্বতন্ত্র ও ধর্মীয় পাঠ্যক্রমভিত্তিক।
এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সামসুর রহমান খান বলেন, “কওমি শিক্ষাব্যবস্থাকে মূলধারার শিক্ষায় সম্পূর্ণভাবে অন্তর্ভুক্ত করা এখন সময়ের প্রয়োজন। অতীতে কেবল দাওরায়ে হাদিসকে (মাস্টার্স সমমান) স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। তবে সংস্কারের জন্য এই প্রক্রিয়াকে কাঠামোগতভাবে নিচ থেকে উপরের পরিবর্তনে সাজানো অত্যাবশ্যক।” তিনি এও বলেন, সঠিক সংস্কারের মাধ্যমে কওমি শিক্ষাব্যবস্থার সনদগুলোকে দেশের অভ্যন্তরে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুত থাকতে পারে।
কওমি শিক্ষা স্তরের স্বীকৃতির কাঠামো সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমরা বাস্তবায়ন ম্যানুয়েল তৈরি করছি, যেখানে কীভাবে কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স (গুণগত মান নিশ্চিত) হবে, তা উল্লেখ থাকবে। কোন বিষয় কতটুকু পড়তে হবে এবং বাইরের বিষয় কতোটা প্রাসঙ্গিক, সেসব বিষয়ের বিস্তারিত জানানো হবে।” তিনি জানান যে এটি একটি নীতিমালা। বাস্তবায়নের পর্যায় পরবর্তী হবে।
নীতিমালায় বর্তমান কমিটি বাস্তবায়ন পর্যায়ে সুপারিশ করবে কিনা জানতে চাইলে সামসুর রহমান খান মন্তব্য করেন, যারা নীতিমালাটি তৈরি করেছেন তারা সক্রিয় ভূমিকায় থাকবে। বাংলাদেশ অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিল এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে কাজ করবে। তিনি বলেন, “যে প্রতিষ্ঠান বা কর্তৃপক্ষই এই দায়িত্ব পালন করুক না কেন, একটি সাধারণ কাঠামোর অধীনে শিক্ষার গুণগত মান কঠোরভাবে বজায় থাকতে হবে।” দেশের বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীকে মূল স্রোতের বাইরে রাখা যাবে না। মাদরাসা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ইতিমধ্যে ফলপ্রসূ আলোচনা সেরে নেওয়া হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ