প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আদালত অবমাননার অভিযোগের ব্যাখ্যা দিতে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ফজলুর রহমানকে তলব করা হয়েছে।
তারকে আগামী ৮ ডিসেম্বর সশরীরে উপস্থিত হয়ে ট্রাইব্যুনাল-১ এর সামনে ব্যাখ্যা দিতে হবে। রবিবার (৩০ নভেম্বর) শুনানি শেষে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই নির্দেশনা দেন।
এ সময় আদালত কঠোর মন্তব্য করে জানিয়েছে, আদালত রাষ্ট্রের একটি অংশ এবং ফজলুর রহমানের বক্তব্য রাষ্ট্রদ্রোহের সামিল। মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার রায় নিয়ে একটি টক শোতে তিনি ওই আপত্তিকর মন্তব্য প্রকাশ করেছিলেন।
প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম গত বুধবার ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল করেন। ওই অভিযোগে তার টক শোতে বিতর্কিত মন্তব্য সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়।
তিনি মন্তব্য করেছিলেন, এই কোর্টের গঠনপ্রক্রিয়া এখানে বিচার হতে পারে না। এছাড়াও তিনি বলেন, এই ট্রাইব্যুনালের বিচার আমি মানি না।
বিভিন্ন বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে গত ২৬ আগস্ট বিএনপি তিন মাসের জন্য ফজলুর রহমানের দলীয় সব পদ স্থগিত করেছিল। তবে পরে দলটি তাকে কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম) আসন থেকে প্রাথমিকভাবে মনোনয়ন দেয়।
দলীয় প্রাথমিক সদস্য পদসহ অন্যান্য পদ তিন মাসের জন্য স্থগিত করার সময় অভিযোগ করা হয়েছিল যে, তিনি জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে কুরুচিপূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করেছেন।
গত ২৪ আগস্ট ২০২৫ (সূত্র নং-বিএনপি/সাধারণ/৭৭/১৪৭/২০২৫) তারিখে ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে একটি কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়। তিনি ওই নোটিশের লিখিত জবাব না দিয়ে সময় বৃদ্ধির আবেদন করেন।
তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২৫ আগস্ট (সূত্র নং-বিএনপি/সাধারণ/৭৭/১৪৮/২০২৫) তারিখে ২৪ ঘণ্টার সময় বাড়ানো হয়। ২৬ আগস্ট তার যে লিখিত জবাব দেওয়া হয়েছিল, তা ‘অসন্তোষজনক’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে দলের সিদ্ধান্তে জানানো হয় যে, ‘তথাপিও, বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে আপনার অবদান বিবেচনায় নিয়ে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ না করে আপনার দলীয় প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ তিন মাসের জন্য নির্দেশক্রমে স্থগিত করা হলো।’
সিদ্ধান্তে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘এখন থেকে আপনি টকশো কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কথা বলার সময় দেশের মর্যাদা এবং দলের নীতিমালা যাতে ক্ষুণ্ন না হয় এবং দেশের জনগণের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত না লাগে সে বিষয়ে সর্বদা সতর্ক থাকবেন।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন