০৬:৪১ পি.এম
ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে জ্বালানী সেক্টরের মাফিয়া সিন্ডিকেটের একটি সক্রিয় সদস্য হিসেবে পরিচিত কেজিডিসিএল এর সহকারী প্রকৌশলী প্রকৌ. সৈয়দ মোর্শেদ উল্লাহর অর্থ আত্মসাতের ঘটনার ওপর ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। ৫০ লাখ টাকা নিয়ে পদোন্নতির আশায় কেজিডিসিএল কর্তৃপক্ষ মহাব্যবস্থাপক প্রশাসন জনাব কবির উদ্দিন ও উপ-মহাব্যবস্থাপক সালাউদ্দিন মাসুদ এর সহযোগিতায় কাজ করছে। সৈয়দ মোর্শেদ উল্লাহ এখন পটিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ২০১৪ সাল থেকে দায়িত্ব পালন করছে এবং বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর লীগের চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সহ-সভাপতি।
চাকরী বিধি লঙ্ঘন করে আওয়ামীলীগের নেতা হয়ে থাকা এবং কেজিডিসিএল এর কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করা সম্পূর্ণরূপে চাকুরী বিধির পরিপন্থী। টাকার অভাবে নানা সমস্যার মুখোমুখি হয়ে পড়াশোনা শেষে তিনি আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসার পর দেশে ফিরে আসেন। তখন দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোসলেম উদ্দিন চৌধুরী ও ক্যাসিনো মাফিয়া খ্যাত এমপি বিচ্ছু সামছুর চাপে কেজিডিসিএল কর্তৃপক্ষ চাকরির আবেদনের বয়স ৩০ বছরের বেশি হওয়া সত্ত্বেও সৈয়দ মোর্শেদ উল্লাহকে নিয়োগ দিতে বাধ্য হয়।
অতিবাহিত সময়েও এই বিষয়ে তদন্তের আহ্বান জানানো হয়, কিন্তু পূর্বের ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রভাবে তা আলোর মুখ দেখেনি। সব সময় দলীয় প্রভাব খাটিয়ে দুর্নীতি করে তিনি দায়িত্বগুলি দখল করে নেন। সৈয়দ মোর্শেদ উল্লাহ মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেটসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে কেজিডিসিএল তেও বড় প্রকল্পের দায়িত্ব নিয়ে অনেক টাকা অর্জন করেন।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রাম সেনাবাহিনীর অভিযানে অস্ত্রসহ দুই ‘অপরাধী’ গ্রে-ফতার
এই সমস্যা সমাধানে কেজিডিসিএল কর্তৃপক্ষ সৈয়দ মোর্শেদ উল্লাহকে রক্ষা করতে তার আনুগত কর্মকর্তাদের মাধ্যমে একটি কমিটি গঠন করে। তিনি বদলি হওয়ার পরও পরিচালকদের চাপের কারণে কাজে যোগ দানে অস্বীকৃতি জানান। তার প্রতি কর্তৃপক্ষ কতটা অসহায় তা পরিষ্কার। কেজিডিসিএলে দুর্নীতির সাথে জড়িত এই কর্মকর্তা এবং অন্যান্য অভিযুক্তদের এখনও প্রভাবশালী মন্ত্রীদের সহযোগিতায় পদোন্নতির মাধ্যমে যেন সংস্কার না হয়ে থাকে তা স্পষ্ট।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন