০৩:৪৮ পি.এম
পুলিশ সোমবার জানায়, সাবেক প্রেমিকের হাতে খুন হওয়ার পাঁচ দিন পর অস্ট্রিয়ান বিউটি ইনফ্লুয়েন্সার স্টেফানি পাইপারের মরদেহ পাওয়া যায়। ইউরোপের স্লোভেনিয়ার একটি দূর্গম বনে পুঁতে রাখা স্যুটকেসের ভেতর তার দেহটি উদ্ধার করে তারা।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলিউড লাইফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৩ নভেম্বর হলিডে পার্টিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে স্টেফানি নিখোঁজ ছিলেন। নিখোঁজ হওয়ার আগে তিনি এক বন্ধুকে মোবাইলে জানিয়ে ছিলেন যে তিনি বাড়ি ফিরবেন।
কিন্তু রাতে একটি নতুন মেসেজে স্টেফানি বন্ধুকে জানিয়েছিলেন যে তার সিঁড়িঘরে কেউ লুকিয়ে আছে। এই বার্তা পাওয়ার পর থেকে সেই বন্ধু আর স্টেফানির সাথে যোগাযোগ রাখতে পারেননি।
আরও পড়ুন: নচিকেতা হৃদযন্ত্রে দুটি স্টেন্ট বসানোর পর এখনও কেমন আছেন?
প্রতিবেশীর কথায়, পার্টির রাতে সাবেক প্রেমিক পিটার এমকে স্টেফানির বাড়িতে দেখা গিয়েছে। ঘটনার সময় দুজনের মধ্যে তুমুল ঝগড়ার আওয়াজও শোনা গিয়েছে।
২৪ নভেম্বর, স্লোভেনিয়ায় অস্ট্রিয়া সীমান্তের কাছে একটি ক্যাসিনোর পার্কিং লটে পিটারকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানান, সেখানে আগুনে পুড়তে থাকা একটি লাল গাড়ির সামনে পিটার সন্দেহজনকভাবে আচরণ করছিলেন।
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, সাবেক প্রেমিকাকে খুন করার পর পিটার তার গাড়িটি পুড়ে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করেন। তদন্তের সময় তাদের কাছে অভিযোগ ওঠে যে পিটারকে তার ভাই ও সৎ বাবা সাহায্য করেছে।
গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পিটার নিজের অপকর্মের কথা স্বীকার করেছেন। তিনি জানান, পার্টির পর স্টেফানির সাথে তুমুল ঝগড়ার পর তিনি তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে প্রিমিয়ার হতে যাচ্ছে ‘নিশি’, বিশ্বমঞ্চে সফল প্রথম বাংলাদেশি চলচ্চিত্র
হত্যার পর মরদেহকে স্যুটকেসে ভরে, গাড়িতে করে স্লোভেনিয়ার মাজস্পার্ক এলাকার জঙ্গলে নিয়ে যান। সেখানেই মরদেহটি পুঁতে রাখা হয়।
পিটারের প্রদান করা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ২৮ নভেম্বর অভিযান চালিয়ে স্যুটকেস উদ্ধার করে, যেখানে স্টেফানির দেহটি ছিল। স্টেফানির মৃত্যুর সঠিক তথ্য জানতে পিটার এমের ভাই ও সৎ বাবাকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন