ঢাকা রবিবার, ০৭ই ডিসেম্বর, ২০২৫খ্রিষ্টাব্দ ২২শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩১বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউস সানি, ১৪৪৭হিজরী
রবিবার, ০৭ই ডিসেম্বর, ২০২৫ইং ২২শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩১বাং

প্রেমিকের হাতে খুন অস্ট্রিয়ান বিউটি ইনফ্লুয়েন্সা


প্রেমিকের হাতে খুন অস্ট্রিয়ান বিউটি ইনফ্লুয়েন্সা

পুলিশ সোমবার জানায়, সাবেক প্রেমিকের হাতে খুন হওয়ার পাঁচ দিন পর অস্ট্রিয়ান বিউটি ইনফ্লুয়েন্সার স্টেফানি পাইপারের মরদেহ পাওয়া যায়। ইউরোপের স্লোভেনিয়ার একটি দূর্গম বনে পুঁতে রাখা স্যুটকেসের ভেতর তার দেহটি উদ্ধার করে তারা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলিউড লাইফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৩ নভেম্বর হলিডে পার্টিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে স্টেফানি নিখোঁজ ছিলেন। নিখোঁজ হওয়ার আগে তিনি এক বন্ধুকে মোবাইলে জানিয়ে ছিলেন যে তিনি বাড়ি ফিরবেন।

কিন্তু রাতে একটি নতুন মেসেজে স্টেফানি বন্ধুকে জানিয়েছিলেন যে তার সিঁড়িঘরে কেউ লুকিয়ে আছে। এই বার্তা পাওয়ার পর থেকে সেই বন্ধু আর স্টেফানির সাথে যোগাযোগ রাখতে পারেননি।

আরও পড়ুন: নচিকেতা হৃদযন্ত্রে দুটি স্টেন্ট বসানোর পর এখনও কেমন আছেন?

প্রতিবেশীর কথায়, পার্টির রাতে সাবেক প্রেমিক পিটার এমকে স্টেফানির বাড়িতে দেখা গিয়েছে। ঘটনার সময় দুজনের মধ্যে তুমুল ঝগড়ার আওয়াজও শোনা গিয়েছে।

২৪ নভেম্বর, স্লোভেনিয়ায় অস্ট্রিয়া সীমান্তের কাছে একটি ক্যাসিনোর পার্কিং লটে পিটারকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানান, সেখানে আগুনে পুড়তে থাকা একটি লাল গাড়ির সামনে পিটার সন্দেহজনকভাবে আচরণ করছিলেন।

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, সাবেক প্রেমিকাকে খুন করার পর পিটার তার গাড়িটি পুড়ে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করেন। তদন্তের সময় তাদের কাছে অভিযোগ ওঠে যে পিটারকে তার ভাই ও সৎ বাবা সাহায্য করেছে।

গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পিটার নিজের অপকর্মের কথা স্বীকার করেছেন। তিনি জানান, পার্টির পর স্টেফানির সাথে তুমুল ঝগড়ার পর তিনি তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশে প্রিমিয়ার হতে যাচ্ছে ‘নিশি’, বিশ্বমঞ্চে সফল প্রথম বাংলাদেশি চলচ্চিত্র

হত্যার পর মরদেহকে স্যুটকেসে ভরে, গাড়িতে করে স্লোভেনিয়ার মাজস্পার্ক এলাকার জঙ্গলে নিয়ে যান। সেখানেই মরদেহটি পুঁতে রাখা হয়।

পিটারের প্রদান করা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ২৮ নভেম্বর অভিযান চালিয়ে স্যুটকেস উদ্ধার করে, যেখানে স্টেফানির দেহটি ছিল। স্টেফানির মৃত্যুর সঠিক তথ্য জানতে পিটার এমের ভাই ও সৎ বাবাকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতীয় গণমাধ্যমে ইমরান খানের বোনের সাক্ষাৎকারে তীব্র প্রতিক্রিয়া পাকিস্তানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১ই ডিসেম্বর, ২০২৫ ইং

০৩:৫০ পি.এম


ভারতীয় গণমাধ্যমে ইমরান খানের বোনের সাক্ষাৎকারে তীব্র প্রতিক্রিয়া পাকিস্তানের

পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের কারাবন্দী বোনদের সাক্ষাৎকার দেওয়ার কারণে তীব্র সমালোচনা করেছেন। রোববার (৩০ নভেম্বর) তিনি পরিবারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন যে, তারা ‘পাকিস্তানকে অপমান’ করছেন।

এরপরেই তারার মন্তব্য করা শুরু করেন যখন পাকিস্তানে ইমরান খানের বোনদের সাথে তাঁর দেখা করার প্রসঙ্গে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। কয়েকদিন আগে ইমরানের বোনেরা আদিয়ালা কারাগারের বাইরে অবস্থান করছিলেন, যেখানে ইমরান বন্দি আছেন। তাদের অভিযোগ, ইমরানের সাথে দেখা করতে দেওয়া হয়নি।

তথ্যমন্ত্রী তারার নওরীন খান নিয়াজির দিকে বিশেষভাবে ইঙ্গিত করে প্রশ্ন করেন, তিনি কেন ভারতীয় গণমাধ্যমে নির্যাতনের অভিযোগ তোলার জন্য গিয়েছিলেন? সাক্ষাৎকারের মধ্যে ভারতে মুসলমানদের দুর্দশা কিংবা কাশ্মীরের সমস্যা নিয়ে আলোচনা না করে কেন শুধু অভিযোগে সীমাবদ্ধ ছিলেন?

‘যারা ভারতীয় চ্যানেলে গিয়ে পাকিস্তানের জন্য কষ্টের কারণ হন, তাদের লজ্জিত হওয়া উচিত,’ বলেন তিনি। কিছুদিন আগে নওরীন ভারতীয় একটি চ্যানেলকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন; সেখানে তিনি মোদির বিরুদ্ধে কোনো সমালোচনা করেছেন কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আপনাদের ধিক্কার জানাই। ভারতীয় চ্যানালে গিয়ে কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে কথা না বলে একজন দুর্নীতির অভিযোগে জড়িত ব্যক্তির জন্য কাঁদছেন।’

মন্ত্রী অভিযোগ করেন যে, ভারতীয় খবরের মাধ্যমগুলি এই পরিবারকে একটি প্ল্যাটফর্মের সুযোগ দিয়েছে কারণ তারা জানে এই পরিবার এবং দলের মানসিকতা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে।

গত সপ্তাহে, ইমরান খানের তিন বোন - আলিমা খান, ডাঃ উজমা খান এবং নওরীন পিটিআই’র অন্যান্য সদস্যদের সাথে কারাগারের বাইরে প্রয়োজনে জমায়েত হয়েছিলেন। পিটিআই দাবি করেছিল, তারা শান্তিপূর্ণভাবে উপস্থিত ছিলেন, তবে পুলিশ তাদের নির্যাতিত এবং আটক করেছিল।

এদিকে, নওরীন খানের মিডিয়া উপস্থিতির প্রসঙ্গে সরাসরি তাকে লক্ষ্য করে তারার মন্তব্য করেন, ব্যক্তিগত রাজনীতি নিয়ে না গিয়ে সাম্প্রতিক সংঘর্ষে নিহতদের সম্মান জানানো উচিত ছিল।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নবীজির নবুওয়াত লাভের আগে জাহেলি রীতি ও শিরকের প্রতি ঘৃণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১ই ডিসেম্বর, ২০২৫ ইং

০৩:৫১ পি.এম


নবীজির নবুওয়াত লাভের আগে জাহেলি রীতি ও শিরকের প্রতি ঘৃণা

বিভিন্ন মানুষের জীবনে বিচিত্রভাবে যে সদগুণাবলির বিকাশ ঘটে, তা নবীজির অস্তিত্বের মাধ্যমে চরম উৎকর্ষে পৌঁছেছিল। তিনি ছিলেন চিন্তা-চেতনার সঠিকতা, পারদর্শিতা এবং ন্যায়পরায়ণতার উজ্জ্বল প্রতীক।

শত দোষ, অশ্লীলতা ও অনাচার পরিবেষ্টিত সমাজে বসবাস করেও তিনি ছিলেন সেসবের ঊর্ধ্বে, মুক্ত ও পবিত্র। শরাবপায়ীদের সঙ্গেও বসবাস করলেও তিনি জীবনে কখনো শরাব স্পর্শ করেননি। দেব-দেবীর স্থান থেকে জবাইকৃত পশুর গোশতও তিনি আপ্রাণ avoided করে গেছেন এবং মূর্তির নামে কোন খেলাধুলায় অংশ নেননি।

জীবনের প্রারম্ভটিতে তিনি তৎকালীন সমাজের সব মিথ্যা উপাস্যকে ঘৃণা করতেন। তাঁর ঘৃণার মাত্রা এতটাই ছিল যে, অন্য কিছু তাঁর দৃষ্টিতে এত নিন্দনীয় মনে হয়নি। এমনকি লাত ও উযযার নামে শপথ করার ব্যাপারটি শোনার পর তিনি তা সহ্য করতে পারতেন না। (ইবনু হিশাম : ১/১২৮)

মহানবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রথম থেকেই শিরক ও মূর্তিপূজা এবং সংশ্লিষ্ট সব ধরনের নোংরামি থেকে সম্পূর্ণভাবে পবিত্র ছিলেন। ইবনু হিশাম বর্ণনা করেছেন যে, নবীজির যৌবনে আল্লাহ তাঁকে রক্ষা করতেন এবং জাহেলিয়াতের নোংরামি থেকে বাঁচিয়ে রাখতেন। আল্লাহর ইচ্ছা ছিল যে, তিনি নবুওয়াত ও রিসালত লাভ করবেন এবং সম্মানে ভূষিত হবেন। তিনি উক্ত চরিত্রের সঙ্গে সত্যবাদিতার জন্য শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছিলেন। (সিরাতে ইবনু হিশাম, ১/৬২)

হজরত আলি রা. থেকে জানা যায়, নবীজিকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, ‘আপনি কি কখনো মূর্তিপূজা করেছেন?’ তিনি বলেন, ‘নাহ।’ তিনি বলেন, ‘আমি সব সময় এগুলোকে কুফুরি মনে করতাম, যদিও সে সময় আমার ধর্মীয় জ্ঞান ছিল না।’ (আবু নুআইম ও ইবনু আসাকির)

নবীজির কাজ-কর্ম ছিল সবচেয়ে অনুকরণীয়, তাঁর চরিত্র ছিল উৎকৃষ্ট এবং মহানুভবতা ছিল সবার জন্য অনুসরণীয়। তিনি ছিলেন সব সময় শিষ্টাচারী, নম্র, সদালাপী ও সদাচারী। তিনি ছিলেন সবচেয়ে দয়ার্দ্র, দূরদর্শী এবং সত্যবাদী। মিথ্যা কখনো তাঁর উপর প্রভাব ফেলতে পারেনি। সত্যবাদিতার জন্য এতই খ্যাতি অর্জন করেছিলেন যে, আরবের সবাই তাঁকে ‘আল-আমিন’ বলে ডাকতেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টঙ্গীতে জোড় ইজতেমায় একটি মুসল্লির মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১ই ডিসেম্বর, ২০২৫ ইং

০৪:০৩ পি.এম


টঙ্গীতে জোড় ইজতেমায় একটি মুসল্লির মৃত্যু

টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে চলমান পাঁচ দিনের জোড় ইজতেমায় আরও এক মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে। নিহত ব্যক্তির নাম মো. আজিজুর রহমান (৭২)। তার আবাস চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলায়।

সোমবার (১ ডিসেম্বর) আনুমানিক বিকাল ২টা ২০ মিনিটে অজুখানার নিকটে বার্ধক্যজনিত কারণে তার উপর হঠাৎ স্ট্রোক হয়, ফলে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের শুরায়ী নেজামের মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান। তার মৃত্যু নিয়ে জোড় ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের মৃত্যুর সংখ্যা বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ৬ জনে।

তাবলিগ জামাতের পুরানা সাথীদের বিপুল উপস্থিতির কারণে টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দান জনস্রোত হয়ে উঠেছে। মুসল্লিদের অংশগ্রহণের কারণে জোড় নয়, যেন বিশ্ব ইজতেমার পরিবেশ বিরাজ করছে গোটা মাঠজুড়ে।

জোড় ইজতেমার ৪র্থ দিনে সোমবার (১ ডিসেম্বর) আল্লাহর রাস্তায় দাওয়াত, তালিম ও আত্মশুদ্ধির উদ্দেশ্যে আয়োজিত এ ৫ দিনের জোড় ইজতেমা ঘিরে দেশজুড়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। ৬৪টি জেলা থেকে প্রায় দুই লাখ পুরাতন সাথী ও তাবলিগের সময় লাগানো ওলামায়ে কেরাম ইতিমধ্যেই উপস্থিত হয়েছেন।

এবারের জোড় ইজতেমায় ১৯টি দেশের মোট ৭০০ জন বিদেশি অতিথি বর্তমানে টঙ্গী ইজতেমা ময়দানে অবস্থান করছেন।

অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে রয়েছে পাকিস্তান, ভারত, কিরগিস্তান, কানাডা, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, ইয়েমেন, চীন, সৌদি আরব, তিউনিসিয়া, যুক্তরাজ্য, ইতালি, নাইজার, আফগানিস্তান, যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, জাপান, সিংগাপুর ও অস্ট্রেলিয়া।

আগামী ২ ডিসেম্বর মঙ্গলবার আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে এবারের ৫ দিনের জোড় ইজতেমা শেষ হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে প্রার্থীতা বাতিলের সিদ্ধান্ত: নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১ই ডিসেম্বর, ২০২৫ ইং

০৪:০৪ পি.এম


আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে প্রার্থীতা বাতিলের সিদ্ধান্ত: নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো প্রার্থী যদি আচরণ বিধি লঙ্ঘন করে, তাহলে তাকে শোকজ করা হবে না বরং তার প্রার্থীতা বাতিল করা হবে, এই গুরুতর সতর্কতা উচ্চারণ করেছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

সোমবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার মদনপুর এলাকায় ‘নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ভোট গ্রহণকারী কর্মকর্তাদের চ্যালেঞ্জসমূহ নিরূপণ ও উত্তরণের উপায়’ বিষয়ক একটি কর্মশালায় তিনি এই বক্তব্য দেন।

নির্বাচন কমিশনার উল্লেখ করেছেন, ‘এবার কোনো প্রার্থী আচরণ বিধি ভঙ্গ করলে তাকে আর শোকজের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করা হবে না। তার প্রার্থীতা সরাসরি বাতিল হতে পারে। আচরণ বিধি লঙ্ঘনকারী কাউকে কোনো ব্যতিক্রম ছাড় দেয়া হবে না।’

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনের একটি মনিটরিং সেল গঠন করা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের মধ্যে সুষ্ঠু সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে তারা যে কোনো মুহূর্তে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হবেন। নির্বাচনের সময় ম্যাজিস্ট্রেটগণ মাঠে থাকবেন এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী যে কোন কঠোর শাস্তি, যেমন জেল বা জরিমানা করতে পারবেন।

সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার নিশ্চিত করেছেন, নির্বাচনের সময়ে কোনো প্রার্থীর পোস্টার রাখা যাবে না। তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচন কমিশন এ বিষয়গুলোতে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। নিশ্চিত একটি লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির জন্য যা যা প্রয়োজন, তা করা হবে। আমরা আশা করছি, এবারের নির্বাচন হবে সর্বোচ্চ মানের।

কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মো. হাসানুজ্জামান, নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী ও উপ সচিব মো. মোস্তফা হাসানও স্থানীয় নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তাগণ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউস সানি, ১৪৪৭হিঃ
ফজর ০৫:০৮
জোহর ১১:৫১
আসর ০৩:৩৬
মাগরিব ০৫:১২
ইশা ০৬:২৭
সূর্যোদয় : ০৬:২৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%