০৭:৩৬ এম
রাষ্ট্রপতি উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অনুমোদন পাওয়ার পর ‘গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করেছেন। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) রাতে আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে অধ্যাদেশের গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।
এর পূর্বে, ওই দিন সকালে প্রধান উপদেষ্টার অফিসে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, গণভোটে নীচের প্রশ্নটি উপস্থাপন করা হবে- আপনি কি জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং জুলাই জাতীয় সনদে উল্লিখিত সংবিধান পরিবর্তনের নিম্নলিখিত প্রস্তাবগুলোর প্রতি আপনার সম্মতি জ্ঞাপন করছেন? (হ্যাঁ/না):
আরও পড়ুন: নাটোরে খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য দোয়া মাহফিল
(ক) নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত পদ্ধতির আলোকে গঠিত হবে।
(খ) আগামী জাতীয় সংসদ হবে দুই কক্ষ বিশিষ্ট এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ সদস্যবিশিষ্ট একটি উচ্চকক্ষ গঠন করা হবে, এবং সংবিধান সংশোধনের জন্য উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সম্মতি প্রয়োজন হবে।
(গ) সংসদে নারীদের প্রতিনিধি বাড়ানো, বিরোধী দলের ডেপুটি স্পিকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, মৌলিক অধিকার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, স্থানীয় সরকার ও প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাসহ ৩০টি বিষয়ের বাস্তবায়নে জুন জাতীয় সনদে ঐকমত্য হয়েছে- সেগুলো আগামী সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী রাজনৈতিক দলের জন্য বাধ্যতামূলক হবে।
(ঘ) জুলাই জাতীয় সনদে বর্ণিত অন্যান্য সংস্কার রাজনৈতিক দলের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাস্তবায়ন করা হবে।
আরও পড়ুন: ফেনীতে আন্ত:কলেজ ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হল নাসিম কলেজ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য যেসকল ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ করা হবে সেসব কেন্দ্রে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য কমিশন যেসব রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ দেবে, এবং অধিক্ষেত্র নির্ধারণ করবে, তারা গণভোট পরিচালনার জন্য সেই সংশ্লিষ্ট অধিক্ষেত্রে নিযুক্ত হিসেবেও গণ্য হবে উল্লেখ করা হয়েছে অধ্যাদেশে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন