ঢাকা রবিবার, ০৭ই ডিসেম্বর, ২০২৫খ্রিষ্টাব্দ ২২শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩১বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউস সানি, ১৪৪৭হিজরী
রবিবার, ০৭ই ডিসেম্বর, ২০২৫ইং ২২শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩১বাং

গণভোট সংক্রান্ত অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে


গণভোট সংক্রান্ত অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে

রাষ্ট্রপতি উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অনুমোদন পাওয়ার পর ‘গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করেছেন। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) রাতে আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে অধ্যাদেশের গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।

এর পূর্বে, ওই দিন সকালে প্রধান উপদেষ্টার অফিসে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, গণভোটে নীচের প্রশ্নটি উপস্থাপন করা হবে- আপনি কি জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং জুলাই জাতীয় সনদে উল্লিখিত সংবিধান পরিবর্তনের নিম্নলিখিত প্রস্তাবগুলোর প্রতি আপনার সম্মতি জ্ঞাপন করছেন? (হ্যাঁ/না):

আরও পড়ুন: নাটোরে খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য দোয়া মাহফিল

(ক) নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত পদ্ধতির আলোকে গঠিত হবে।

(খ) আগামী জাতীয় সংসদ হবে দুই কক্ষ বিশিষ্ট এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ সদস্যবিশিষ্ট একটি উচ্চকক্ষ গঠন করা হবে, এবং সংবিধান সংশোধনের জন্য উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সম্মতি প্রয়োজন হবে।

(গ) সংসদে নারীদের প্রতিনিধি বাড়ানো, বিরোধী দলের ডেপুটি স্পিকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, মৌলিক অধিকার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, স্থানীয় সরকার ও প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাসহ ৩০টি বিষয়ের বাস্তবায়নে জুন জাতীয় সনদে ঐকমত্য হয়েছে- সেগুলো আগামী সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী রাজনৈতিক দলের জন্য বাধ্যতামূলক হবে।

(ঘ) জুলাই জাতীয় সনদে বর্ণিত অন্যান্য সংস্কার রাজনৈতিক দলের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাস্তবায়ন করা হবে।

আরও পড়ুন: ফেনীতে আন্ত:কলেজ ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হল নাসিম কলেজ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য যেসকল ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ করা হবে সেসব কেন্দ্রে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য কমিশন যেসব রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ দেবে, এবং অধিক্ষেত্র নির্ধারণ করবে, তারা গণভোট পরিচালনার জন্য সেই সংশ্লিষ্ট অধিক্ষেত্রে নিযুক্ত হিসেবেও গণ্য হবে উল্লেখ করা হয়েছে অধ্যাদেশে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে যে কোনো সময়ে তফসিল ঘোষণা হতে পারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে নভেম্বর, ২০২৫ ইং

০৭:৪০ এম


ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে যে কোনো সময়ে তফসিল ঘোষণা হতে পারে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিলের সঠিক সময় উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, ডিসেম্বরের প্রথমার্ধের যেকোনো সময় নির্ধারিত তফসিল ঘোষণা করা হবে।

মঙ্গলবার ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোর সাথে এক আলোচনা সম্মেলনে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

তিনি আরও যোগ করেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে স্বচ্ছ নির্বাচন। যদি নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের ব্যত্যয় ঘটানোর চেষ্টা করা হয়, তবে কাউকে ন্যূনতম ছাড় দেওয়া হবে না।

পর্যবেক্ষকদের প্রতি কঠোর নির্দেশনা প্রদান করে তিনি বলেন, কোনও পর্যবেক্ষক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান পক্ষপাতিত্ব প্রদর্শন করতে পারবে না। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হওয়ার ১০ দিনের মধ্যে পর্যবেক্ষকদের তালিকা নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে হবে। মানহীন পর্যবেক্ষকদের জন্য এই নির্বাচন প্রয়োজনীয় নয়। আমাদের প্রয়োজন শুধুমাত্র মানসম্মত ও নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষক। পক্ষপাতিত্ব প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট পর্যবেক্ষক সংস্থার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভুয়া পর্যবেক্ষক চিহ্নিত করতে পরিচয়পত্রে কিউআর কোড ব্যবহার করা হবে।

বিদেশি পর্যবেক্ষকদের সম্পর্কে কমিশনার উল্লেখ করেছেন, বিদেশি নাগরিকরা দেশি সংস্থার পক্ষ থেকে পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। তাদের অবশ্যই নিজেদের দেশের আইন মেনে আবেদন করে পর্যবেক্ষণের অনুমতি নিতে হবে।

এ সময় স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের জন্য পর্যবেক্ষকদের নিরাপত্তা, অবাধে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ এবং পোস্টাল ব্যালট পর্যবেক্ষণসহ একাধিক সুপারিশ করেছেন আলোচনায় অংশগ্রহণকারী পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রতিনিধিরা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মানবাধিকার বিষয়ে ইসলামের দৃষ্টিকোণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ মকবুল হোসেন

বুধবার, ২৬শে নভেম্বর, ২০২৫ ইং

০৭:৫৫ এম


মানবাধিকার বিষয়ে ইসলামের দৃষ্টিকোণ

ইসলাম মানবজাতিকে প্রথমবারের মতো স্পষ্ট এবং মৌলিক অধিকার প্রদান করেছে। মানবজাতির মৌলিক অধিকারগুলি মানবাধিকার হিসাবে পরিচিত। ইসলামে যে মানবাধিকারগুলির প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে, তা নিজে আল্লাহতায়ালা তাঁর বান্দাদের দিয়েছেন। পৃথিবীর কেউ এই অধিকারগুলোকে রহিত করার অধিকারী নয়। এই অধিকার কখনোই রহিত হতে পারে না। পবিত্র কোরআনে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘আমি মানুষকে সর্বশ্রেষ্ঠ ও চমৎকার অবয়বে সৃষ্টি করেছি’ (সুরা আততিন : ০৩)। এর পাশাপাশি বলা হয়েছে, ‘তোমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ জাতি হিসেবে বাছাই করা হয়েছে, মানবের কল্যাণের জন্য’। (সুরা আলে ইমরান : ১১০)।

মানুষের মধ্যে সাম্যের ধারণা উপস্থাপন করা হয়েছে অন্য একটি আয়াতে। এখানে বলা হয়েছে, ‘হে মানুষ, আমি তোমাদের সৃষ্টি করেছি এক নর ও নারী হতে’- (সুরা হুজরাত : ১৩)। ইসলামের শান্তি বার্তা শুধুমাত্র নিজ ধর্মের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং, পরমত ও পরধর্মের প্রতি সহনশীলতার গুরুত্ব অপরিহার্য। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতি এবং ঐক্য প্রতিষ্ঠার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে হিজরি ৬২৪ সালে ‘মদিনা সনদ’ এর মাধ্যমে, যা মানবাধিকারের জন্য বিখ্যাত।

ইসলাম মানবাধিকারের দৃষ্টিকে এত উন্মুক্ত করেছে যে, তা জীবনের প্রতিটি খণ্ডে প্রবাহিত। পিতা-মাতার হক, বন্ধু-বান্ধবের হক, শ্রমিক এবং মালিকের মধ্যে হক, শাসক ও জনগণের অধিকার, সরকারের হক, শ্রমজীবী মানুষের অধিকার এবং দুর্বল ও অসহায়দের জন্য অধিকার - সবকিছুই এখানে অন্তর্ভুক্ত। এজন্য বলা যায়, বান্দার হক এবং আল্লাহ হক আদায়ই হলো ইসলাম। ইসলাম মানুষকে অধিকার অর্জনের চেয়ে অধিকার প্রদানের প্রতি অধিক গুরুত্ব দেয়। এছাড়াও, ইসলাম মানুষের হৃদয়ে অন্যের অধিকার আইন ও মর্যাদার জন্য অনুভূতি জাগ্রত করে। কারণ, কেয়ামতের দিনে এর সম্পর্কে প্রশ্ন করা হবে।

আধুনিক যুগে, প্রতিটি সমাজে মানুষের মৌলিক অধিকার—অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা এবং চিকিৎসার অধিকারকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। ১৪০০ বছর আগে আল্লাহর কাছে নাজিল হওয়া আল কোরআনে এই মৌলিক অধিকার সম্পর্কে স্পষ্ট আলোচনা আছে। ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী, রিজিকের মালিক শুধু আল্লাহ, এবং মানুষের কর্তব্য হলো রিজিকের অনুসন্ধান করা। রাষ্ট্র ও সমাজের নেতৃবৃন্দের দায়িত্ব হলো এ বিষয়ে সহায়তা করা।

মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায়, আল কোরআন থেকে স্পষ্ট নির্দেশনা এসেছে। খাবারের পক্ষে কোরআনে বলা হয়েছে, ‘পৃথিবীর প্রতিটি জীবের জীবিকার কর্তৃত্ব আল্লাহ নিয়েছেন।’ (সুরা হুদ ৬)। বস্ত্রের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, ‘হে বনি আদম, আমি তোমাদের জন্য পোশাক অবতীর্ণ করেছি যা তোমাদের লজ্জাস্থান আবৃত করে।’ (সুরা আরাফ : ২৬)। বাসস্থানের অধিকারকে আল কোরআনে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘আল্লাহ তোমাদের জন্য ঘরগুলি বসবাসের স্থান হিসেবে তৈরি করেছিলেন।’ (সুরা আন নাহল : ৮০)। এবং শিক্ষা হিসেবে, ‘পড়ো তোমার প্রভুর নামে যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন’ (সুরা আলাক : ১-২)। চিকিৎসার ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, ‘আমি কোরআনে এমন বিষয় অবতীর্ণ করেছিলাম যা রোগের জন্য ওষুধ।’ (সুরা বনি ইসরাইল : ৮২)। রসুল (সা.) মানুষকে সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার কথা বলেছে এবং সুস্থির চিকিৎসার দিক-নির্দেশনা দিয়েছে। সুতরাং, ইসলাম বাস্তবে নারী ও শিশুদের সুরক্ষার পক্ষে শক্তিশালী। আইয়ামে জাহেলিয়াতে, কন্যাসন্তান জন্মগ্রহণ করলে তাকে দুর্ভাগ্য মনে করা হত। কিন্তু রসুল (সা.) ঘোষণা দিয়েছে, কন্যাসন্তান সৌভাগ্যের প্রতীক। তাদের হত্যা করা যাবে না। অভাব থাকা সত্ত্বেও, কন্যাসন্তানকে সঠিকভাবে পালন করলে, তারা পিতা-মাতাকে জাহান্নাম থেকে রক্ষা করবে (বুখারি ও মুসলিম, মিশকাত)। সামাজিক কল্যাণ প্রতিষ্ঠায়, রসুল (সা.) ভেদাভেদ, বিদ্বেষ ও কলহ দূর করার জন্য অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে। এটি ‘মদিনা সনদে’ তার উদাহরণের মাধ্যমে স্পষ্ট। সামগ্রিকভাবে, অর্থ মানবজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান এবং অকল্যাণকর কর্মকাণ্ড যেমন সুদ, ঘুষ, জন্মপরিচয়হীনের বৈষম্য নিরাস্তা ও বিচারসক্ষমতার অভাব সৃষ্টি করে। রসুল (সা.) বলেন, ‘যার শরীরে হালাল কিছু আছে, তার বোঝা হলো আগ্নির জন্য প্রয়োজনীয়।’ (বায়হাকি)।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লক্ষ্মীপুরে যাত্রীবাহী বাসে অ-গ্নি-কা-ণ্ড ঘটেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে নভেম্বর, ২০২৫ ইং

০৭:৫৮ এম


লক্ষ্মীপুরে যাত্রীবাহী বাসে অ-গ্নি-কা-ণ্ড ঘটেছে

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। ডিজেলচালিত যমুনা পরিবহন নামক বাসটি আগুনে প্রায় সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানা যায়, এটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ঘটেছে।

২৬ নভেম্বর রাতে সাড়ে ৮টার দিকে লক্ষ্মীপুর-রামগতি আঞ্চলিক সড়কের করইতোলা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। অগ্নিকাণ্ডের ফলে বাসটির কোন যাত্রী আহত হয়নি।

বাসের ভিতরে উপস্থিত যাত্রী ও স্থানীয়দের কথা অনুযায়ী, ফেনী থেকে ছেড়ে আসা যমুনা পরিবহনের (ঢাকা মেট্রো ব-১৫-৩১৩৬) এই লোকাল বাসটি রামগতির দিকে যাচ্ছিল। চলার পথে যখন বাসটি করইতোলা বাজারের কাছে পৌঁছায়, তখন হঠাৎ একটি শব্দ শোনা যায় এবং সঙ্গে সঙ্গে আগুন লেগে যায়। যাত্রীরা দ্রুত বাস থেকে নেমে নিরাপদ স্থান গ্রহণ করতে সক্ষম হন। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টার পর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন बुझাতে সক্ষম হন।

এ বিষয়ে কথা বলতে গেলে কমলনগর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রাকিবুল হাসান জানান, বাসের ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়ার ফলেই আগুন লাগে। তিনি উল্লেখ করেন যে, বাসটির ৮০ শতাংশই পুড়ে গেছে, তবে সবাই নিরাপদভাবে বের হতে পেরেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা বিশ্বের বৃহৎ শহরগুলোর তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে নভেম্বর, ২০২৫ ইং

১১:৫৭ এম


ঢাকা বিশ্বের বৃহৎ শহরগুলোর তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে

প্রতিদিনই বাড়ছে রাজধানী ঢাকার জনসংখ্যা এবং আকার। এর ফলে নবম স্থান থেকে ঢাকা এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ শহর হিসেবে পরিচিত হয়েছে। ২০৫০ সালের মধ্যে ঢাকা প্রথম স্থানে চলে আসবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। সম্প্রতি একটি নতুন প্রতিবেদনে জাতিসংঘ এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

২৬ নভেম্বর বুধবার, সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এই বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

অবশ্য, এর আগে বিশ্বের বৃহৎ শহর হিসেবে জাপানের রাজধানী টোকিও পরিচিত ছিল। তবে টোকিওকে পিছনে ফেলে শীর্ষে উঠে এসেছে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা। ঢাকা বর্তমানে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে, আর টোকিও তৃতীয় স্থানে নেমে গেছে।

যখন আমাদের কাছে ২০০০ সালের দিকে প্রতিবেদন ছিল, তখন জাতিসংঘ টোকিওকে সবচেয়ে বড় শহর হিসেবে চিহ্নিত করেছিল। তবে এবার জাকার্তা তাদের পেছনে ফেলে দিয়েছে।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, জাকার্তায় বর্তমানে ৪ কোটি ১৯ লাখের বেশি মানুষ বসবাস করছেন। ঢাকায় জনসংখ্যা ৩ কোটি ৬৬ লাখ, আর টোকিওতে ৩ কোটি ৩৪ লাখ মানুষের বাস।

জাতিসংঘের অর্থনীতি এবং সামাজিক বিষয়ক বিভাগের ‘ওয়ার্ল্ড আর্বানাইজেশন প্রসপেক্ট ২০২৫’ নামক রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী মেগাসিটির সংখ্যা ৩৩টি।

যেখানে ১৯৭৫ সালে শুধুমাত্র আটটি মেগাসিটি ছিল। মেগাসিটি হলো সেই সব শহর যেখানে ১ কোটির বেশি মানুষ বাস করছেন। বর্তমানে ৩৩টি মেগাসিটির মধ্যে ১৯টি এশিয়াতে অবস্থিত। তাছাড়া, শীর্ষ ১০টি মেগাসিটির ৯টি এর অবস্থানও এশিয়াতে।

শীর্ষ মেগাসিটিগুলোতে রয়েছে ভারতের নয়াদিল্লি (৩ কোট ২ লাখ বাসিন্দা), চীনের সাংহাই (২ কোটি ৯৬ লাখ বাসিন্দা), গুয়াংজু (২ কোটি ৭৬ লাখ বাসিন্দা), ফিলিপিন্সের মানিলাসহ অন্যান্য শহর।

অন্যদিকে, আফ্রিকার মিসরের কায়রো একজন বড় মেগাসিটি, যেখানে জনগণের সংখ্যা ৩ কোটি ২০ লাখ।

আমেরিকার অঞ্চলে সবচেয়ে বড় শহর ব্রাজিলের সাও পাওলো যা ১ কোটি ৮৯ লাখ জনগণ নিয়ে গঠিত। সাব-সাহারান অঞ্চলে সবচেয়ে বড় শহর হচ্ছে নাইজেরিয়ার লাগোস।

জাতিসংঘের মতে, ঢাকার জনসংখ্যা বৃদ্ধির মূল কারণ হলো, দেশের প্রত্যন্ত এলাকা থেকে মানুষের ঢাকায় প্রবাহ। অনেকেই এখানে চাকরি বা সুযোগের সন্ধানে এসেছেন, আবার অনেকেই বন্যা ও সমুদ্র স্তরের বৃদ্ধির ঝুঁকির কারণে ঢাকায় চলে এসেছেন।

সূত্র: আলজাজিরা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউস সানি, ১৪৪৭হিঃ
ফজর ০৫:০৪
জোহর ১১:৪৮
আসর ০৩:৩৫
মাগরিব ০৫:১১
ইশা ০৬:২৬
সূর্যোদয় : ০৬:২৪ সূর্যাস্ত : ০৫:১১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%