বুধবার, ১৮ই ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং
০৫:৫৬ এম
দীর্ঘ সময় মন্ত্রীবিহীন থাকার পর অবশেষে ফেনী ফিরে পেল মন্ত্রিত্বের মর্যাদা। বিএনপি সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ফেনী-৩ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল আউয়াল মিন্টু।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তিনি শপথ গ্রহণ করেন একটি বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে।
প্রায় দুই দশক পর ফেনী জেলা থেকে কেউ মন্ত্রিসভায় স্থান পেল। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, মিন্টুর নতুন মন্ত্রিত্বের ফলে জেলায় নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হতে পারে এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গতি আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
এর আগে ফেনী-১ আসন থেকে পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে তিনবার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তার সময়ে ফেনী জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এছাড়া এই আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে ত্রাণ ও পুনর্বাসন প্রতিমন্ত্রী এবং বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা জাফর ইমাম (লেফটেন্যান্ট কর্নেল অব) মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেন। তারপর দীর্ঘ সময় ধরে ফেনী মন্ত্রিত্বের বাইরে ছিল।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মিন্টু প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। শিল্প সাম্রাজ্যের কর্ণধার ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে পরিচিত এই ব্যবসায়ী-রাজনীতিক এবারই প্রথম জাতীয় সংসদে আসেন এবং সরাসরি মন্ত্রিসভায় জায়গা করে নেন।
ফেনী-৩ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে মিন্টু পেয়েছেন ১ লাখ ৫৭ হাজার ৪২৫ ভোট, যেখানে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিক দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পান ১ লাখ ৮ হাজার ১৬০ ভোট।
হলফনামায় উল্লেখ আছে যে, আবদুল আউয়াল মিন্টুর জন্ম ১৯৪৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি। তার পিতা ছিলেন শফিউল্ল্যাহ। মিন্টুর স্থায়ী ঠিকানা ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার আলাইয়াপুর ফরাজী বাড়ি হলেও বর্তমানে তিনি গুলশানে বাস করেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা হল স্নাতকোত্তর।
ব্যবসায়ী হিসেবে মিন্টুর প্রায় দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি বাংলাদেশ চ্যাম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) এর দুইবারের সভাপতি ছিলেন এবং দেশে-বিদেশে বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছেন। শিল্প উদ্যোক্তা হিসেবে তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞানেও একাধিক পুরস্কার অর্জন করেছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
শাহিদ আনন্দবাজার ডট কম-কে জানিয়েছেন, তিনি টাকা ফেরত চাওয়ার জন্য একাধিকবার অনুরোধ করেছেন। এদিকে, সোহমের অভিযোগ, নির্বাচনের আগে তাঁকে অযথা কালিমালিপ্ত করতে চেষ্টা করা হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দ্বিতীয় বিয়ের ঘোষণা আসার পরেই নতুন বিতর্কের জালে জড়ালেন সাবেক পাকিস্তানি অলরাউন্ডার ইমাদ ওয়াসিম। সামাজিক মাধ্যমে তার প্রথম স্ত্রী সানিয়া আশফাক সাহসী হওয়া সত্ত্বেও বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে ধরেছেন। সানিয়া শুধুমাত্র বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগই নয় বরং ইমাদের বিরুদ্ধে খুনের মতো গুরুতর অভিযোগও করেন, যা ইতোমধ্যে পাকিস্তানের ক্রিকেট মহলে ব্যপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
সোমবার ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে সানিয়া জানান, এই পরিস্থিতির ফলে তার পরিবার ও সন্তানদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ফলস্বরূপ, তিনি আর নীরব থাকতে পারছেন না এবং জবাবদিহি চান।
তিনি লেখেন, "এখন সবাই প্রমাণ দেখতে পেয়েছে। এই ঘরভাঙার মানুষটি একবারও আমার সন্তানদের কথা ভাবেনি। অবশেষে প্রতারক দৃশ্যপটে এসেছে। আমি আমার সন্তানদের জন্য এবং আমাদের যে কষ্ট সে জন্য ন্যায়বিচার চাই।"
সানিয়া আরও গুরুতর অভিযোগ করেন। তার মতে, ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে ইমাদ লাহোরে তার সন্তান গর্ভপাত করিয়েছিলেন। তিনি জানান, "সে একজন খুনি এবং আমি এটি প্রমাণ করার জন্য ভিডিও ধারণ করেছি।"
অন্যদিকে, সানিয়া ইমাদকে উদ্দেশ্য করে অভিযোগ করেন যে, তিনি তার প্রতি প্রতারণা করেছেন। এ ছাড়াও ইসলামাবাদ ইউনাইটেডকে উদ্দেশ্য করে লেখেন, "এই খুনি ও প্রতারককে সুযোগ দেওয়া হয়েছে।" তিনি দলটিকে বয়কটের আহ্বান জানান।
এর আগে ইমাদ ওয়াসিম ইনস্টাগ্রামে নিজের নতুন বিয়ের তথ্য জানান, তিনি নাইলা রাজাকে বিয়ে করেছেন। ৩৭ বছর বয়সী ইমাদ পাকিস্তানের পক্ষ থেকে ৫৫টি ওয়ানডে ও ৭৫টি টি টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন।
তাদের প্রথম সংসার ভাঙার পরের সময় তিনি জীবনের কঠিন অধ্যায় বলে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, "এই সময়ে আমি চুপ থাকার ফলে নায়লাকে অন্যায়ভাবে বিচার করা হয়েছে।"
ইমাদ বলেন, "আল্লাহর রহমত ও বাবা-মায়ের দিকনির্দেশনায় আমি নতুন জীবনকে শুরু করেছি। ভাবনা-চিন্তার পর পরিষ্কার উদ্দেশ্যে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সম্মানের ভিত্তিতে নতুন জীবন গড়তে চাই।"
তিনি আরও জানান, "নায়লা আমার জীবনে শান্তি এবং মর্যাদা নিয়ে এসেছে। আমি এই সিদ্ধান্তের প্রতি দৃঢ়ভাবে আছি।"
গত বছরের ডিসেম্বরে সানিয়া আশফাকের সঙ্গে বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন ইমাদ ওয়াসিম। ২০১৯ সালে তাদের মধ্যে বিয়ে হয়েছিল এবং তাদের ঘরে তিন সন্তানের জন্ম হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বড়লেখার চা বোর্ডের অধীনে নিউ সমনবাগ, পাথারিয়া ও মোকাম চা বাগানের শ্রমিকদের সাথে অডিট টিমের একটি মীমাংসিত বিষয়কে কেন্দ্র করে তিনটি বাগানের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ৯৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করার নির্দেশ দিয়েছেন চা বোর্ড। বোর্ডের এই নির্দেশনার ফলে স্থানীয় চা বাগানগুলোর মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ এবং ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।
সূত্র জানায়, এই আদেশের খবর জানার পর নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নাসির উদ্দিন মিঠু বোর্ডকে তাত্ক্ষণিকভাবে বার্তা পাঠিয়েছেন, যাতে তারা এখনও কোনো মামলা না করেন।
এছাড়া, চা বোর্ডের এই নির্দেশনাকে অত্যন্ত অমানবিক এবং অন্যায় আখ্যা দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাগানের শ্রমিক-কর্মচারীরা। মঙ্গলবার সকালে ক্ষতিগ্রস্ত চা শ্রমিক এবং শ্রমিক নেতারা বাগান ব্যবস্থাপকের অফিস ঘেরাও করে প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করেন এবং তাদের অসন্তোষ ব্যক্ত করেন।
নবনির্বাচিত স্থানীয় সংসদ সদস্য নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু শপথ নেওয়ার পর শিগগিরিই এই বিষয়টি তদন্ত করবেন বলে জানিয়েছেন। তিনি জানান, এলাকায় পৌঁছানো পর্যন্ত শ্রমিক-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা না করার অনুরোধ করেছেন তিনি।
গত ১৩ জানুয়ারি নিউ সমনবাগ, মোকাম সেকশন ও পাথারিয়া চা বাগানের শ্রমিকদের মজুরি বন্ধ করা এবং অডিট টিমের সদস্যদের বিতর্কিত বক্তব্যের কারণে প্রায় দেড় হাজার বিক্ষুব্ধ শ্রমিক বাগানের কর্মকর্তাদের অবরুদ্ধ করে রাখেন। ঘটনাস্থলে গমন করেন ইউএনও গালিব চৌধুরী, থানার ওসি মনিরুজ্জামান খান, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ইমরান আহমদ এবং সাইফুল ইসলামসহ অন্যান্যরা। তারা সেখানে গিয়ে ঘটনাটির কারণ জানতে পারেন এবং ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
পরবর্তীতে শ্রমিকরা বাগানের প্রশাসনের কাছ থেকে তাদের বকেয়া মজুরি এবং অন্যান্য দাবির সন্তোষজনক ব্যবস্থার আশ্বাস পেলে অবরোধ তুলে নেন।
এক মাস তিন দিন পর, ১৬ ফেব্রুয়ারি চা বোর্ডের সচিব মো. মমিনুর রশীদ চিঠিতে ১৩ জানুয়ারির ঘটনায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার অভিযোগ এনে ৯৪ জন কর্মকর্তা ও শ্রমিক-কর্মচারীর বিরুদ্ধে থানায় ফৌজদারি মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন। এ সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর পুরো চা বাগানে এবং সেকশনে শ্রমিকরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন।
শ্রমিক নেতারা অভিযোগ করেছেন যে, বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ না করে চা বোর্ড শ্রমিকদের চাকরিচ্যুতির জন্য ষড়যন্ত্র করছে। তারা উল্লেখ করেছেন যে, অভিযুক্তরা অপরাধ স্বীকার করে ক্ষমা চাইলেও মামলার নির্দেশ দেওয়াকে শ্রমিকদের জন্য হুমকি হিসেবে দেখছেন। এমদাদুর রহমান, নিউ সমনবাগ চা বাগানের ব্যবস্থাপক, বলেছেন যে, ৯৪ জনের একটি তালিকা টি বোর্ড থেকে পাঠানো হয়েছে এবং তারা অভিযোগের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেবেন।
নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠুর প্রতিনিধিরা জানান, ১৩ জানুয়ারির ঘটনা মীমাংসার অন্তর্ভুক্ত ছিল। শ্রমিকদের বিরুদ্ধে মামলা দাখিল করা উচিত নয় এবং সংসদ সদস্যের দায়িত্বশীল ভূমিকা স্থানীয়দের মধ্যে প্রশংসিত হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
খবর, তিন দিনের শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর জীবন কাহিনি নিয়ে তৈরি হচ্ছে ছবি। তাই শুটিং দেখতে কলকাতায় এসেছিলেন বাস্তবের ‘বাইক অ্যাম্বুল্যান্স দাদা’ করিম। ছবিটি তাঁর জীবনের অনুপ্রেরণা এবং চলমান কাহিনিকে তুলে ধরতে চলেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ