০৬:০৮ পি.এম
শ্রীলঙ্কায় ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৯৩ জনে পৌঁছে গেছে। এ দেশের প্রায় ২০০ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি ইন্দোনেশিয়ায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্ধারের অভিযান চলমান রয়েছে।
দক্ষিণ এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কায় শনিবার স্থানীয় সময় ঘূর্ণিঝড় দিতওয়ারের ফলে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসের ফলে মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে বাড়ছে। আহতদের সংখ্যা দুইশ’রও বেশি। মোট পাঁচ লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রায় ৭৮ হাজার লোককে আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
পাহাড়ি ঢলে রেললাইন, সড়ক ও সেতু ভেঙে পড়ায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বহু এলাকা।
আরও পড়ুন: নাটোরে খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য দোয়া মাহফিল
গত বৃহস্পতিবার থেকে চলা ভারি বর্ষণে বাড়ি, কৃষিজমি এবং প্রধান মহাসড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। চা উৎপাদনের জন্য পরিচিত মধ্যাঞ্চলে বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছে, যেখানে ভূমিধসে বহু পরিবার আটকা পড়েছে। উদ্ধার কর্মে নেমেছে সেনাবাহিনী, নৌ বাহিনী ও বিমান বাহিনী।
কলম্বোর আশপাশে নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটেছে। অধিকাংশ জলাধার উপচে পড়ায় নিচু এলাকায় পানির প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়েছে।
ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রার উত্তরাঞ্চলে পরিস্থিতি আরো গুরুতর। প্রাণহানির সংখ্যা প্রতিদিন বেড়ে চলেছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় দুর্গত গ্রামে উদ্ধারকারী দলের পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। ত্রাণ সামগ্রীও পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না। কোনো কোনো অঞ্চলে বিদ্যুৎ নেই এবং মোবাইল নেটওয়ার্কও কাজ করছে না।
এদিকে ভারতের তামিলনাডুর দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলেও ঘূর্ণিঝড় দিতওয়ারের প্রভাবে ভারি বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে।
আরও পড়ুন: ফেনীতে আন্ত:কলেজ ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হল নাসিম কলেজ
দেশটির আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ঝড়টি রোববার দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগরের উপর দিয়ে উত্তর-উত্তর-পশ্চিমদিকে অগ্রসর হবে। উপকূলবর্তী এলাকায় এনডিআরএফের ১৪টি দল মোতায়েন করা হয়েছে; পরিস্থিতির অবনতির কারণে অতিরিক্ত ১০টি দল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। লবণ চাষের বিস্তীর্ণ ক্ষেত ডুবে যাওয়ায় শত শত ক্ষুদ্র চাষি জীবিকার জন্য উদ্বিগ্ন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন