ঢাকা রবিবার, ০৭ই ডিসেম্বর, ২০২৫খ্রিষ্টাব্দ ২২শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩১বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউস সানি, ১৪৪৭হিজরী
রবিবার, ০৭ই ডিসেম্বর, ২০২৫ইং ২২শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩১বাং

ফিতনা থেকে রক্ষার প্রধান পথ হলো ঈমানকে শক্তিশালী করা


ফিতনা থেকে রক্ষার প্রধান পথ হলো ঈমানকে শক্তিশালী করা

বর্তমান সময় এমন একটি অস্থিরতার ভেতর দিয়ে যাচ্ছে, যেখানে সত্য এবং মিথ্যার ভেদ অনেকের কাছে আর বোঝা যাচ্ছে না। মানুষের বিশ্বাস, নৈতিকতা এবং চরিত্র নিয়ে বিভিন্ন ধরনের ফিতনা, বিভ্রান্তি, সন্দেহ, অপসংস্কৃতি, ভুল মতবাদ, সামাজিক অস্থিরতা মাথা বাড়িয়ে উঠেছে। অনেকেই এই সময়কে ফিতনার যুগ বলে চিহ্নিত করছেন।

কারণ, মানুষের ঈমান, পারিবারিক বন্ধন, সামাজিক শৃঙ্খলা, ধর্মীয় পরিচয় সমস্ত কিছু আজ বিভিন্ন পরীক্ষার সম্মুখীন। ফিতনার সবচেয়ে ভয়াবহ দিক হল, এটি নিঃশব্দে, ধীরে ধীরে এবং অজান্তেই হৃদয়ে প্রবেশ করে। কখনো শয়তানের ক্ষীণ কুমন্ত্রণায়, কখনো দুনিয়ার ঝলকে, আবার কখনও মন্দ সঙ্গ ও পরিবেশের মাধ্যমে।

ফিতনার ক্ষতি অনেক সময় মানুষ টের পায় না, কিন্তু এর প্রভাব গভীর এবং বিধ্বংসী হয়ে ওঠে। এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে একজন মুমিনের সবচেয়ে বড় আস্থা ও আশ্রয় হল দৃঢ় ঈমান। শক্তিশালী ঈমান, যা অন্ধকার ফিতনার মাঝেও পথ দেখাতে পারে এবং শয়তানের আঘাত প্রতিহত করতে সক্ষম। এটি দুনিয়ার বাড়াবাড়ি এবং গোমরাহি থেকে রক্ষা করে। কোরআন ও হাদিস অত্যন্ত স্পষ্টভাবে নির্দেশনা দিয়েছে, ফিতনা থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় হল ঈমানকে মজবুত করা এবং আল্লাহর দড়ি আঁকড়ে ধরা।

আরও পড়ুন: সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচল শুরু, প্রথম দিনে ১১৭৪ জন পর্যটক পৌঁছেছেন

ফিতনার যুগে ঈমানের গুরুত্ব অপরিসীম। ফিতনা মানুষের জীবনের পরীক্ষা হিসেবে আবির্ভূত হয়। আল্লাহ বলেন, أَنَّ اللَّهَ يَحُولُ بَيْنَ الْمَرْءِ وَقَلْبِهِ। এই আয়াত জানিয়ে দেয়, মানুষের ঈমানকে টিকিয়ে রাখতে আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কিছুই সম্ভব নয়। তাই ফিতনা থেকে বাঁচার জন্য ঈমানই প্রথম অস্ত্র।

ফিতনা অত্যন্ত ধ্বংসাত্মক, আর সুরক্ষার একমাত্র উপায় হল দৃঢ় ঈমান। সুরা আনফাল :২৫-এ বলা হয়েছে, তোমরা এমন ফিতনা থেকে সাবধান হও, যা শুধু জালিমদেরই গ্রাস করবে না। এই আয়াত সতর্ক করে দেয়, ফিতনা শুধু পাপীদের নয়; এটি পুরো সমাজকেই গ্রাস করে। ফলে শক্তিশালী ঈমান ছাড়া ফিতনা থেকে মুক্তি অসম্ভব।

দৃঢ় ঈমান সঠিক পথে রাখে। সুরা নিসা:১৩৬-এ বলা হয়েছে, হে ঈমানদাররা! তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রসুলের প্রতি দৃঢ়ভাবে ঈমান রাখো। এই আয়াত প্রমাণ করে, ঈমানের উন্নতি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। যতো বেশি ঈমান শক্তিশালী হবে, ফিতনার ঝড় ততো সহজে সামলানো যাবে।

ফিতনার আগমন এবং আশ্রয় নিয়ে রসুল সল্লাল্লাহু আলাই ওয়া সাল্লাম বলেছেন, সَتَكُونُ فِتَنٌ، الْقَاعِدُ فِيهَا خَيْرٌ مِنَ الْقَائِمِ। তখন ফিতনা আসবে। বসা ব্যক্তি থাকা দাঁড়ানোর চাইতে বেশি কল্যাণকর হবে। এর ফলে ফিতনার যুগে হঠাৎ সিদ্ধান্ত নেওয়ার বদলে ঈমানকে শক্তিশালী করে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি।

আরও পড়ুন: টঙ্গীতে জোড় ইজতেমায় একটি মুসল্লির মৃত্যু

ঈমান যদি শক্ত না হয় তবে হৃদয় কালো হয়ে যায়। রসুল সল্লাল্লাহু আলাই ওয়া সাল্লাম বলেছেন, تُعْرَضُ الْفِتَنُ عَلَى الْقُلُوبِ عَرْضًا عَرْضًا। ফিতনা একের পর এক হৃদয়ে প্রবেশ করবে; যিনি গ্রহণ করবেন, তার হৃদয়ে কালো দাগ পড়বে। এর মানে, দুর্বল ঈমানের হৃদয় সহজেই ফিতনার শিকার হয়।

আল্লাহর দিকে ফিরলে ফিতনা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। রসুল সল্লাল্লাহু আলাই ওয়া সাল্লাম সবসময় এই দোয়া করতেন, يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ। এ দোয়া প্রতিস্থাপন করে, ঈমানের দৃঢ়তা ছাড়া ফিতনা প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়।

ফিতনা থেকে মুক্তির উপায়গুলো:

১. আল্লাহর জিকিরে দৃঢ় থাকা। সুরা রদ:২৮-এ বলা হয়েছে, নিশ্চয় আল্লাহর জিকিরেই হৃদয় প্রশান্তি লাভ করে।

আরও পড়ুন: নবীজির নবুওয়াত লাভের আগে জাহেলি রীতি ও শিরকের প্রতি ঘৃণা

২. নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াত ও বুঝে পড়া। রসুল বলেছেন, إِنَّ هَذَا الْقُرْآنَ هُوَ حَبْلُ اللَّهِ।

৩. সালাত প্রতিষ্ঠা করা। আল্লাহ বলেছেন, إنَّ الصَّلَاةَ تَنْهَىٰ عَنِ الْفَحْشَاءِ وَالْمُنكَرِ।

৪. নিজের আকিদা ঠিক করা। রসুল বলেছেন, سَتَكُونُ فِتَنٌ... قَالُوا فَمَا الْمَخْرَجُ مِنْهَا؟

৫. ভালো সঙ্গ গ্রহণ করা। রসুল বলেছেন, الْمَرْءُ عَلَى دِينِ خَلِيلِهِ।

আরও পড়ুন: শায়খুল হাদিস মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস কাসেমীর জানাজায় লাখো মানুষের সমাগম

৬. হাসাদ, রাগ, গিবত, এই অভ্যন্তরীণ ফিতনাগুলো থেকে বাঁচা।

ফিতনার যুগে বাঁচার জন্য বাহ্যিক পদক্ষেপ যতই নেওয়া হোক, মূল সুরক্ষা হল শক্ত, সুসংহত ও পরিশুদ্ধ ঈমান। দৃঢ় ঈমান একমাত্র আলো যা অন্ধকার ফিতনার মাঝে পথ দেখায়; যা শয়তানের ধোঁকা প্রতিহত করে; যা দুনিয়ার অস্থিরতার মধ্যে আল্লাহর দিকে রাখে। কোরআন এবং হাদিসের নির্দেশনা হল: ঈমানকে দৃঢ় করো, তাহলেই ফিতনা তোমাকে ভেঙে ফেলতে পারবে না।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কৃষ্ণসাগরের তুরস্কের কাছে রাশিয়ার দুটি তেলবাহী জাহাজে বিস্ফোরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে নভেম্বর, ২০২৫ ইং

০৭:১০ পি.এম


কৃষ্ণসাগরের তুরস্কের কাছে রাশিয়ার দুটি তেলবাহী জাহাজে বিস্ফোরণ

কৃষ্ণসাগরের তুরস্কের উপকূলের নিকটস্থ স্থানে রাশিয়ার দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পরপরই কাইরোস ও ভিরাট নামের উক্ত জাহাজ দুটিতে আগুন ধরে যায়। তুরস্কের কোস্টগার্ডের অভিযান চলাকালীন ৪৫ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তবে বিস্ফোরণের কারণ এখনো স্পষ্ট নয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো অঞ্চলে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) কৃষ্ণসাগরে তুরস্কের উপকূল থেকে কয়েক নটিক্যাল মাইল দূরে পরপর এই দুটি তেলবাহী জাহাজে আগুন লেগে যায়। রাশিয়ার ‘শ্যাডো ফ্লিট’-এর এই দুটি জাহাজ আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে।

তুরস্কের পরিবহন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গাম্বিয়ার পতাকাবাহী কাইরোস প্রথমে বিস্ফোরিত হয়ে আগুন ধরে যায়, যা মিশর থেকে রাশিয়ায় খালি অবস্থায় যাচ্ছিল। ঘটনার স্থান কোজায়েলি উপকূল থেকে প্রায় ২৮ নটিক্যাল মাইল দূরে অবস্থিত।

কিছু ঘন্টা পর, ৩৫ নটিক্যাল মাইল দূরে ভিরাট নামের একটি নিষিদ্ধ ট্যাংকারে আগুন লাগে। এটি ‘হামলার শিকার’ হবার কথা বলেছেন তুরস্কের মেরিটাইম কর্তৃপক্ষ। যদিও এখনই জাহাজটির আঘাতের উৎসে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তুরস্ক ঘোষণা করেছে, প্রথম বিস্ফোরণের পেছনে বাহ্যিক আঘাতের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। তবে এটি নৌ–মাইন, যুদ্ধবিধ্বস্ত বিস্ফোরক, কিংবা সামরিক হামলা অর্থাৎ কোনটি তা এখনো পরিষ্কার নয়। ৪৫ জন ক্রুকে উদ্ধার করা হয়েছে।

দুটি জাহাজই রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল পরিবহনের ‘শেডো ফ্লিটের’ অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়— যা মালিকানা গোপন রাখতে বিভিন্ন দেশের পতাকা ব্যবহার করে। ভিরাট জাহাজটিকে যুক্তরাষ্ট্র জানুয়ারিতে নিষিদ্ধের তালিকায় তোলে।

পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র, সুইজারল্যান্ড ও কানাডাও নিষিদ্ধ করেছিল। অন্যদিকে কাইরোসকে ইইউ জুলাইয়ে নিষিদ্ধ করে, পরে যুক্তরাজ্য ও সুইজারল্যান্ডও যোগ দেয়।

সাম্প্রতিক বছরগুলোর যুদ্ধের কারণে কৃষ্ণসাগরে অনিয়ন্ত্রিত মাইন বেড়ে যাওয়ার অবস্থার কারণে আগেই ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছিল। নতুন এই দু’টি বিস্ফোরণের ফলে অঞ্চলটিতে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তুরস্কের বসফরাসের কাছাকাছি জাহাজ চলাচলে নজরদারি কঠোর করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেগম জিয়ার অসুস্থতায় হাসপাতালে ভিড় না করার আহ্বান জানালেন মির্জা ফখরুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে নভেম্বর, ২০২৫ ইং

০৭:১২ পি.এম


বেগম জিয়ার অসুস্থতায় হাসপাতালে ভিড় না করার আহ্বান জানালেন মির্জা ফখরুল

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হাসপাতালের সামনে জনসমাগম এড়ানোর জন্য সবাইকে অনুরোধ করেছেন।

এই অনুরোধটি তিনি শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে ৫৫-তম বিজয় দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেছেন।

গত রবিবার (২৩ নভেম্বর), বেগম খালেদা জিয়া শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) থেকে সিসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও অন্যান্য বিশেষ ব্যক্তিরা তার স্বাস্থ্যের খোঁজ-খবর নিতে হাসপাতালে আসছেন। এছাড়া, বিএনপির অপর বহু নেতাকর্মীও হাসপাতালের বাইরে জড়ো হচ্ছেন।

এতে, মির্জা ফখরুল জানায়, ‘বেগম জিয়ার অসুস্থতার খবর শুনে দেশের মানুষ উদ্বিগ্ন। অসংখ্য মানুষ হাসপাতালে ভিড় করছেন, যা হাসপাতালে কর্তৃপক্ষ এবং চিকিৎসকদের জন্য সমস্যা সৃষ্টি করছে। আমি সকলের কাছে অনুরোধ জানাই, আপনারা কেউ হাসপাতালে ভিড় করবেন না।’

তিনি আরও জানান, বেগম জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে জনসাধারণকে আপডেট তথ্য জানানো হবে।

অন্যদিকে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন ফেসবুকে লিখে জানান, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি ঘটলে, তাকে লন্ডনে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তার পরিবারের। এজন্য ইতিমধ্যে একটি বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।

মাহদী আমিন বলেন, ‘দেশনেত্রী খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন, তবে তার চিকিৎসা দেশি এবং বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানেই হচ্ছে। লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি চিকিৎসকদের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে, এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান।’

তিনি আরও জানান, ‘অনেকে জানেন না, ম্যাডামের চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে ডা. জুবাইদা রহমান কাজ করছেন। তারেক রহমান তার মায়ের চিকিৎসার জন্য প্রতিটি পদক্ষেপ নজরদারি করছেন।’

এছাড়া, তিনি উল্লেখ করেন, দেশবাসীর দোয়া ও ভালোবাসার ফলে নেত্রীর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে, তাকে লন্ডনে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার পরিকল্পনা রয়েছে জিয়া পরিবারের। ইতোমধ্যে লন্ডনের হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন তারেক রহমান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তারেক রহমানের দেশে ফিরতে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো বিধিনিষেধ নেই, বললেন প্রেস সচিব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে নভেম্বর, ২০২৫ ইং

০৭:১৩ পি.এম


তারেক রহমানের দেশে ফিরতে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো বিধিনিষেধ নেই, বললেন প্রেস সচিব

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফিরে আসার বিষয়ে সরকারের তরফ থেকে কোন বিধিনিষেধ নেই বলে উল্লেখ করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে, প্রেস সচিব তার নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই তথ্য জানান।

এর আগে, তারেক রহমান তার ফেসবুক পোস্টে বলেছিলেন, তিনি এখনই দেশে ফেরার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না, কারণ এটি তার একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়। তিনি উল্লেখ করেন যে, বিষয়টি স্পর্শকাতর এবং বিস্তারিত জানানোর সীমিত সুযোগ রয়েছে। রাজনৈতিক পরিস্থিতি যখন প্রত্যাশিত অবস্থায় পৌঁছাবে, তখন তিনি দেশে ফিরে আসবেন।

তারেক রহমানের এই পোস্টের পর অনেকেই তার দেশে ফেরার সংক্রান্ত তথ্য চেয়েছেন বলে জানান শফিকুল আলম।

তিনি পোস্টে জানান, অনেকের প্রশ্ন এসেছে যে, সরকারের পক্ষ থেকে তারেক রহমানের দেশে ফেরার ক্ষেত্রে কোন ধরনের বিধিনিষেধ বা আপত্তি রয়েছে কি না?

এই প্রশ্নের জবাব দিতে, প্রেস সচিব ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে বলেন, "তারেক রহমানের দেশে ফিরতে সরকারের তরফ থেকে কোন বিধিনিষেধ নেই।"

তিনি আরও বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ইতোমধ্যে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং দেশবাসীর কাছে তার মঙ্গল কামনার জন্য দোয়া চেয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রংপুরে পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে দুই চাকরি প্রার্থীর গ্রেফতার, কারাগারে প্রেরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে নভেম্বর, ২০২৫ ইং

০৭:১৪ পি.এম


রংপুরে পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে দুই চাকরি প্রার্থীর গ্রেফতার, কারাগারে প্রেরণ

রংপুর মহানগরের হারাগাছ থানাধীন ময়নাকুটি সিনিয়র মাদ্রাসা ও গুলালবুদাই উচ্চ বিদ্যালয়ে খাদ্য অধিদফতরের ‘সহকারী উপ খাদ্য পরিদর্শক’ পদের লিখিত পরীক্ষায় জালিয়াতির সন্দেহে দুই চাকরি প্রার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাদের প্রত্যেককে ২০ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এই সময়ে উদ্ধার হয়েছে তাদের কাছ থেকে ডিজিটাল ডিভাইস।

শনিবার (২৯ নভেম্বর), আইনগত প্রক্রিয়া শেষে হারাগাছ থানা পুলিশ দুই চাকরি প্রার্থীকেই রংপুর কারাগারে পাঠিয়ে দিয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে একজন হলো গাইবান্ধার সাহাদুল্লাপুর মুরয়াদহ গ্রামের আব্দুল বারী মিয়ার ছেলে ইদ্রিস আলী আকন্দ (৩০) এবং অন্যজন কুড়িগ্রাম উলিপুরের মালতীবাড়ী গ্রামের এরশাদুলের ছেলে সাজ্জাদুল ইসলাম (২৪)।

রংপুর মেট্রোপলিটন হারাগাছ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজাদ রহমান জানালেন, রংপুর মহানগরের ৭৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকরি প্রার্থীদের ‘সহকারী উপ খাদ্য পরিদর্শক’ পদের পরীক্ষা চলছিল। পরীক্ষার সময় ময়নাকুটি সিনিয়র আলিম মাদ্রাসা কেন্দ্রের পরীক্ষার্থী ইদ্রিস আলী এবং গুলালবুদাই উচ্চ বিদ্যালয়ে সাজ্জাদুল ইসলামকে আটক করা হয়, যখন তারা কানে ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে লিখিত পরীক্ষা দিতে গিয়ে ধরা পড়ে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া ইলেকট্রনিক ডিজিটাল ডিভাইস নিয়ে আলোচনা করা হয়।

এ ঘটনার পর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশীম কুমার দাস ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এবং দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ১৮৮ ধারায় জালিয়াতির অভিযোগে দণ্ডায়িত দুজনকে ২০ দিনের কারাদণ্ডের রায় প্রদান করেন।

হারাগাছ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজাদ রহমান এ বিষয়ে বলেন, ‘দণ্ডপ্রাপ্ত দুজনকেই আইনি প্রক্রিয়া শেষে রংপুর কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউস সানি, ১৪৪৭হিঃ
ফজর ০৫:০৮
জোহর ১১:৫১
আসর ০৩:৩৬
মাগরিব ০৫:১২
ইশা ০৬:২৭
সূর্যোদয় : ০৬:২৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%