ঢাকা রবিবার, ০৭ই ডিসেম্বর, ২০২৫খ্রিষ্টাব্দ ২২শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩১বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউস সানি, ১৪৪৭হিজরী
রবিবার, ০৭ই ডিসেম্বর, ২০২৫ইং ২২শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩১বাং

উক্রেনের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজে থাকা ৪ বাংলাদেশিকে নিয়ে নতুন তথ্য


উক্রেনের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজে থাকা ৪ বাংলাদেশিকে নিয়ে নতুন তথ্য

কৃষ্ণসাগর অতিক্রমের সময় ইউক্রেনের ড্রোন হামলা দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত রাশিয়ার একটি তেলবাহী ট্যাংকার থেকে চারজন বাংলাদেশি নাবিককে নিরাপদভাবে উদ্ধার করা হয়েছে। গত শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) তুরস্কের উপকূলে ‘এমটি কায়রোস’ নামক ট্যাংকারে এই হামলা হয়, যেখানে কোস্ট গার্ডের সদস্যরা ২৫ জন নাবিককে উদ্ধার করেন। উদ্ধারকারী দলের কাছে চীনের ১৯ জন নাবিক এবং মিয়ানমার ও ইন্দোনেশিয়ার একজন করে নাবিকও ছিলেন।

উদ্ধারকৃত চার বাংলাদেশি নাবিক হলো- চতুর্থ প্রকৌশলী মাহফুজুল ইসলাম, অয়েলার হাবিবুর রহমান, পাম্প ম্যান আসগর হোসাইন এবং ডেক ক্যাডেট আল আমিন হোসেন। যদিও তাদের অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে, তবে ওই ভয়াবহ ঘটনার কারণে হামলার আতঙ্ক এখনও কাটেনি। উদ্ধার হওয়া এক বাংলাদেশি নাবিক জানিয়েছেন, তুরস্কে বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে তাদের এখনও যোগাযোগ হয়নি।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ মার্চেন্ট মেরিন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন একটি গণমাধ্যমে উল্লেখ করেছেন, কৃষ্ণসাগরে একটি জাহাজে মিসাইল হামলার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার ২৫ নাবিকের মধ্যে চারজন বাংলাদেশি ছিলেন। তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং আমরা তাদের নিয়মিত খোঁজ রাখছি।

আরও পড়ুন: শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে: জেলেনস্কি

হামলার লক্ষ্য ছিল গাম্বিয়ার পতাকাবাহী ‘এমটি কায়রোস’ ট্যাংকার, যা রাশিয়ার ক্রুড অয়েল বিভিন্ন দেশে পাঠানোর কাজে নিয়োজিত ছিল। বাংলাদেশি নাবিকরা জানেন, রাশিয়ার তেলনির্ভর যুদ্ধ-অর্থায়নকে দুর্বল করার উদ্দেশ্যে ইউক্রেন এই হামলা করেছে। রাশিয়া থেকে ক্রুড অয়েল বোঝাই হওয়ার পর জাহাজটির পরবর্তী গন্তব্য ছিল চীন বা ভারত।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালে ইউক্রেন আক্রমণের পর, পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা এড়াতে রাশিয়া পুরনো ও মালিকানা-অস্পষ্ট শত শত জাহাজ নিয়ে একটি ছায়া নৌবহর তৈরি করেছে। বীমা ও রেজিস্ট্রেশন নিয়ে এসব ট্যাংকারকে ঘিরে রয়েছে নানা জটিলতা। লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জের তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্ত ট্যাংকার দুটি আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিল।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সড়কের নির্মাণ কাজ শেষ, খুঁটির কারণে চলাচলে বাধা অব্যাহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে নভেম্বর, ২০২৫ ইং

০২:৩১ পি.এম


সড়কের নির্মাণ কাজ শেষ, খুঁটির কারণে চলাচলে বাধা অব্যাহত

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ পৌর ভবনের সামনে সড়কের মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা বিদ্যুতের একটি খুঁটি অনেকদিন ধরেই যানবাহন এবং পথচারীদের চলাচলে ব্যাপক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে। ঠিকাদার খুঁটির অংশ বাদ দিয়ে সড়কের নির্মাণ কাজ শেষ করায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে গেছে। এতে পৌর প্রশাসকের গাড়িসহ বিভিন্ন যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে চলাচলে বাধ্য হয়েছে। ড্রেনের ঢাকনার ওপর দিয়ে ছোটখাটো যানবাহন চলাতে গিয়ে যে কোনো মুহূর্তে দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা উঁকি দিচ্ছে। স্থানীয় জনগণের প্রশ্ন হলো, কবে এই ঝুঁকিপূর্ণ খুঁটি সরানো হবে?

স্থানীয় ব্যবসায়ী স্বাধীন মিয়া বলেন, পাঁচ বছর আগে এখানে ড্রেন না থাকায় সড়কটি প্রশস্ত ছিল। কিন্তু দুই বছর আগে পূর্ব পাশে ড্রেন নির্মাণের ফলে প্রায় সাড়ে তিন ফুট জায়গা কমে গেছে। এর ফলে পশ্চিম পাশে অবস্থিত বিদ্যুতের খুঁটি এখন সড়কের মাঝ বরাবর পড়ে আছে। এই কারণে রিকশা, ভ্যান, ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা, মাইক্রোবাস, পিকআপ ও ট্রাকের চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এজন্য তিনি দ্রুত খুঁটি সরানোর জন্য আবেদন করেছেন।

সুন্দরগঞ্জ ডি. রাইটার সরকারি ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মো. মশিউর রহমান অভিহিত করেন, সড়কের মাঝখানে খুঁটি থাকার কারণে যানবাহনের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। দুইটি গাড়ির মুখোমুখি অবস্থায় চলাচলে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। প্রতিনিয়ত বিষয়টি প্রশাসনের কাছে উঠে আসলেও আজও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালক হাসু মিয়া জানান, ওই স্থানে একটি ট্রাক ঢুকলে তা না সরানোর আগে অন্য কোনো গাড়ি পার হতে পারে না। অনেক সময় দীর্ঘ সময় ধরে জটলায় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। তাই সবার দাবি, খুঁটি দ্রুত অব্যাহত অপসারণের জন্য।

ঠিকাদার সোহেল রানা বলেছেন, খুঁটি সরানোর দায়িত্ব পৌরসভার। খুঁটি না সরানোর কারণে প্রায় ২০ ফুট জায়গা বাদ দিয়ে সড়কের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। খুঁটি অপসারণ হলে বাকি কাজ শেষ করা হবে।

পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মো. আবুল বাশার জানান, বিদ্যুতের খুঁটি রাস্তা থেকে সরানোর জন্য পৌরসভার পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে আবেদন করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক রাজ কুমার বিশ্বাস বলেছেন, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত খুঁটি অপসারণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, খুঁটি সরানোর বিষয়ে পৌরসভার আবেদন গৃহীত হয়েছে। তদন্তের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ শেষ হচ্ছে শুল্কমুক্ত চাল আমদানির সময়সীমা, দাম কি আবার বাড়বে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে নভেম্বর, ২০২৫ ইং

০৫:৫৮ পি.এম


আজ শেষ হচ্ছে শুল্কমুক্ত চাল আমদানির সময়সীমা, দাম কি আবার বাড়বে?

আজ রবিবার (৩০ নভেম্বর) থেকে শুল্কমুক্ত চাল আমদানির সময়সীমা শেষ হচ্ছে। এর ফলস্বরূপ সকাল থেকেই পুরোদমে চাল আমদানির কাজ চলছে ভারত থেকে। হিলি স্থলবন্দরে কর্মসংস্থানের পরিমাণ বাড়ছে।

এদিকে, অনেকের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে যে, ভারত থেকে আমদানি বন্ধ হলে চালের দাম আবারিসংশোধন হতে পারে। অন্যদিকে, সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য অনুযায়ী, ক্রেতার অভাবে আমদানি করা চাল বিক্রিতে ব্যবসায়ীদের মাঝে অনেক সময় লোকসান গুনতে হচ্ছে। ফলে, মনে করা হচ্ছে চালের দাম সহনীয় পর্যায়ে থাকবে।

হিলি কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা এম আর জামান বাঁধন জানান, ‘সরকার চালের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে শুল্কমুক্ত চাল আমদানির অনুমতি দিলে গত ১২ আগস্ট থেকে দেশে চাল আমদানি শুরু হয়েছে। আজ রোববার থেকে আমদানির সময়সীমা শেষ হচ্ছে।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘১২ আগস্ট থেকে আজ দুপুর পর্যন্ত ভারতীয় ৫ হাজার ৪০৩ ট্রাকে ২ লাখ ৩৩ হাজার ৮২৮ মেট্রিক টন চাল আমদানি করা হয়েছে। তার মধ্যে আতপ চাল এসেছে ৪৬ ট্রাকে এক হাজার ৭৬০ মেট্রিক টন।’

এই প্রসঙ্গে হিলি বন্দরের চাল আমদানিকারক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক বলেন, ‘সরকার শুল্কমুক্ত চাল আমদানি অনুমতিদিলেও আমরা ১২ আগস্ট থেকে ভারত থেকে চাল আমদানি করছি। তবে মাঝে মাঝে ক্রেতার সংকটে আমদানি করা চাল বিক্রিতে লোকসানও গুনতে হয়েছে।’

হিলি স্থলবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-সহকারী মো. ইউসুফ আলী জানান, কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্ভিদ সংগনিরোধ থেকে আমদানিকারকদের জন্য ভারতের চাল আমদানিতে ইমপোর্ট পারমিট (অনুমতি) প্রদান করা হয়। ১২ আগস্ট থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানির কার্যক্রম শুরু হয়। যদি নতুন করে সময়সীমা বাড়ানো না হয়, তবে আজ থেকেই এই সময়সীমা শেষ হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছারছীনা দরবারের মাহফিলে ২ মুসল্লির মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে নভেম্বর, ২০২৫ ইং

০৫:৫৯ পি.এম


ছারছীনা দরবারের মাহফিলে ২ মুসল্লির মৃত্যু

বরিশালের পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলার ঐতিহাসিক ছারছীনা দরবারে চলছে ১৩৫তম ঈছালে ছাওয়াব মাহফিল।

শতাধিক বছরের একটি ধারাবাহিকতায় অনুষ্ঠিত এ মাহফিলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল ও বিদেশ থেকে লক্ষ লক্ষ ধর্মপ্রাণ মুসল্লির সমাবেশ ঘটেছে। মাহফিলের দ্বিতীয় দিনে ২ মুসল্লি মৃত্যু বরণ করেছেন।

মাহফিলের দায়িত্বশীল সূত্র অনুযায়ী, রোববার সকাল ১০টার দিকে মাহফিলে উপস্থিত দুই মুসল্লি আকস্মিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। দায়িত্বশীল মেডিকেল টিম দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করলেও শেষ পর্যন্ত তাদের জীবন রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। অতি দ্রুত মৃত্যুর খবর প্রচারিত হলে আশপাশে উপস্থিত মুসল্লিদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।

দুপুরে যোহর নামাজের পর ছারছীনা দরবারের ময়দানে দুই মুসল্লির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার এ মিছিলের মধ্যে বিপুল সংখ্যক মুসল্লি অংশ নেয়। দোয়া-মোনাজাতে মরহুমদের রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়।

মাহফিল কর্তৃপক্ষ জানায়, লক্ষ লক্ষ মানুষ আসার কারণে স্বাস্থ্য এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো শক্তিশালী করা হয়েছে। মেডিকেল ক্যাম্প, জরুরি সেবা টিম এবং স্বেচ্ছাসেবকরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

ছারছীনা দরবারে সোমবার বাদ যোহর আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে এবারের অগ্রহায়ণ মাসের ১৩৫তম ঈছালে ছাওয়াব মাহফিল শেষ হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এনইআইআর চালুর আগে আলোচনার টেবিলে বসার দাবিতে মোবাইল ব্যবসায়ীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে নভেম্বর, ২০২৫ ইং

০৬:০৬ পি.এম


এনইআইআর চালুর আগে আলোচনার টেবিলে বসার দাবিতে মোবাইল ব্যবসায়ীরা

ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) চালু হওয়ার আগে আলোচনার টেবিলে বসার দাবি উত্থাপন করেছেন মোবাইল ব্যবসায়ীরা।

সংস্কারের দাবি নিয়ে পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে গত রোববার (৩০ নভেম্বর) সকাল ১০টায় রাজধানীর কারওয়ান বাজার মোড়ে এক মানববন্ধনে এই দাবি জানায় স্মার্টফোন ও গ্যাজেট ব্যবসায়ীদের সংগঠন মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশের (এমবিসিবি) সদস্যরা।

রাজধানীর নানা শপিং মলের মোবাইল ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি দোকানের কর্মচারীরাও এই মানববন্ধনে অংশ নেন। তারা দোকান বন্ধ করে মানববন্ধন করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দেশের মোবাইল ফোন ব্যবসার মার্কেট শেয়ার যাদের ৭০ শতাংশেরও বেশি, তাদের সঙ্গে বসে আলাপ করে এনইআইআর চালু করা হোক। "আমরা কোনোভাবেই এনইআইআর-এর বিরুদ্ধে নই। তবে প্রক্রিয়ার কিছু সংস্কার, ন্যায্য করনীতি প্রণয়ন, একচেটিয়া সিন্ডিকেট বিলোপ এবং মুক্ত বাণিজ্যের স্বার্থে সকলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে আমাদের কিছু দাবি ও প্রস্তাবনা রয়েছে।" এ বিষয়ে সরকারের কাছে নিজেদের ব্যাখ্যা তুলে ধরার ইচ্ছা প্রকাশ করেন তারা।

তারা অভিযোগ করেন, কোনও পূর্ব-পরামর্শ ছাড়াই হঠাৎ এনইআইআর বাস্তবায়নের ঘোষণা বাজারে চরম অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। এর ফলে দেশের প্রায় ২৫ হাজার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং এর সঙ্গে জড়িত ২০ লাখেরও বেশি মানুষের জীবিকা হুমকির সম্মুখীন হয়েছে। "আমরা বৈধভাবে ব্যবসা চালিয়ে ব্যাংক থেকে শত শত কোটি টাকা ঋণ নিয়েছি। বর্তমানে আমাদের স্টকে কোটি কোটি টাকার হ্যান্ডসেট রয়েছে। আগামী ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে এই বিপুল পরিমাণ অবিক্রিত হ্যান্ডসেট বিক্রি করা অসম্ভব," তারা যোগ করেন।

এদিকে, এমবিসিবির নেতারা জানান, এনইআইআর-এর বর্তমান কাঠামো বাস্তবায়িত হলে, শুল্ক ৫৭ শতাংশ হোক কিংবা শূন্য শতাংশ, বৈধ উপায়ে মোবাইল ফোন আমদানি করা সম্ভব হবে না। বিটিআরসির আমদানি নীতিমালায় রয়েছে, কোনও বিদেশি ব্র্যান্ড যদি স্থানীয়ভাবে তাদের পণ্য সংযোজন করে, তাহলে সেই ব্র্যান্ডের অন্য কোনও মডেল আমদানি করা যাবে না। "এই নীতিমালা কার্যত মনোপলী ব্যবসার সুযোগ তৈরি করছে।" এর ফলে বিদ্যমান বাজারের প্রতিযোগিতা বিলুপ্ত হবে এবং প্রায় ১৮ কোটি মানুষের মোবাইল ফোন বাজারের নিয়ন্ত্রণ হবে গুটিকতক প্রতিষ্ঠানের হাতে, যার ফলে সাধারণ ভোক্তাদের উপর প্রভাব পড়বে। এছাড়া এতে দেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রাতেও বিঘ্ন ঘটবে।

মানববন্ধনে মোবাইল খাতের স্থিতিশীলতা রক্ষায় বিভিন্ন প্রস্তাবনা সরকারের কাছে উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে প্রস্তুতকারকের সঙ্গে বাধ্যতামূলক চুক্তিপত্র বাতিল, বিল অফ এন্ট্রি জমা দিলেই হ্যান্ডসেটের স্বয়ংক্রিয় রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা, স্টকে থাকা অবিক্রিত হ্যান্ডসেট বিক্রির জন্য কোনও নির্দিষ্ট নীতিমালা বা অতিরিক্ত সময় প্রদান, বিদেশি হ্যান্ডসেটের ওপর বিদ্যমান ৫৭ শতাংশ শুল্ক কমিয়ে সহনীয় পর্যায়ে আনা, স্থানীয় প্রস্তুতকারকদের খুচরা ব্যবসায় সম্পৃক্ততা নিষিদ্ধ করা এবং এনইআইআর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অংশগ্রহণে পরিচালনা করা।

এমবিসিবির সেন্ট্রাল কমিটির প্রতিনিধিরাসহ ঢাকা ও অন্যান্য বিভাগীয় শহরের বিভিন্ন মার্কেটের মালিক ও কর্মচারীরা মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন। গত শনিবার সারাদেশের সকল মোবাইল ফোনের দোকান বন্ধ রাখার কর্মসূচি ছিল। পাশাপাশি, দেশের বিভিন্ন বিভাগ, জেলা ও উপজেলায়ও মোবাইল ব্যবসায়ীরা একই দাবিতে মানববন্ধনের আয়োজন করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউস সানি, ১৪৪৭হিঃ
ফজর ০৫:০৮
জোহর ১১:৫১
আসর ০৩:৩৬
মাগরিব ০৫:১২
ইশা ০৬:২৭
সূর্যোদয় : ০৬:২৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%