ঢাকা রবিবার, ০৭ই ডিসেম্বর, ২০২৫খ্রিষ্টাব্দ ২২শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩১বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউস সানি, ১৪৪৭হিজরী
রবিবার, ০৭ই ডিসেম্বর, ২০২৫ইং ২২শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩১বাং

ওটিটিতে রহস্যময় বাংলা ফ্ল্যাশ ফিকশন ‘থার্সডে নাইট’


ওটিটিতে রহস্যময় বাংলা ফ্ল্যাশ ফিকশন ‘থার্সডে নাইট’

ওটিটিতে মুক্তি পেয়েছে রহস্যময় বাংলা ফ্ল্যাশ ফিকশন ‘থার্সডে নাইট’। এই অ্যাকশন এবং থ্রিলার ঘরানার গল্পটি সত্য ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তৈরি করা হয়েছে।

জাহিদ প্রীতমের পরিচালনায় এই ফ্ল্যাশ ফিকশন দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি করতে সফল হয়েছে। এর গল্প, চিত্রনাট্য এবং সংলাপ লিখেছেন নির্মাতা স্বয়ং।

গল্পটি একটি বন্ধুর বাড়িতে অনুষ্ঠিত পার্টি কেন্দ্র করে শুরু হয়। এরপর শুরু হয় জটিল পরিস্থিতি এবং পুলিশি তদন্ত। ওই রাতের ১২ ঘণ্টা হারিয়ে ফেলে গল্পের কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র। ঘটনাক্রমে অজানা তথ্য বের হতে শুরু করে।

আরও পড়ুন: প্রেমিকের হাতে খুন অস্ট্রিয়ান বিউটি ইনফ্লুয়েন্সা

ফ্ল্যাশ ফিকশনটিতে কেন্দ্রীয় নারী চরিত্রে রয়েছে তানজিয়া জামান মিথিলা। এছাড়া রয়েছেন সৌম্য জ্যোতি, ফররুখ আহমেদ রেহান, তাওহীদুল তামিল এবং আরও অনেকেই। গুরুত্বপূর্ণ পুলিশের চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী সামিরা খান মাহি।

‘থার্সডে নাইট’-এ আরও অভিনয় করেছেন নকশী তাবাসসুম, পারভেজ সুমন, মেহেদী হাসান মেধা, সাদিদ আদনান ওয়াহিদ, রেহনুমা আলম ঐশী ও অন্যান্যরা।

এই বাংলা ফ্ল্যাশ ফিকশনটি ২৭ নভেম্বর চরকিতে প্রকাশিত হয়েছে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশে প্রিমিয়ার হতে যাচ্ছে ‘নিশি’, বিশ্বমঞ্চে সফল প্রথম বাংলাদেশি চলচ্চিত্র

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দখল ও দূষণের ফলে মেহেরপুরের ৪ নদী হয়ে উঠেছে খাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে নভেম্বর, ২০২৫ ইং

০৮:৫৬ পি.এম


দখল ও দূষণের ফলে মেহেরপুরের ৪ নদী হয়ে উঠেছে খাল

মেহেরপুর, যা কৃষিভিত্তিক উর্বর জমির হিসেবে পরিচিত, এখন নদীগুলোর নাব্যতা হারাচ্ছে দ্রুত। বিশেষ করে, দখল এবং দূষণের ফলেই মেহেরপুরের ৪টি নদী খালে পরিণত হয়েছে। নদীগুলোর উৎসমুখে বাধ দেওয়া ও খননের অভাব স্রোতকেও কমিয়ে দিচ্ছে।

ফলে, এই পরিবর্তনের কারণে নদীগুলো বদ্ধ জলাশয়ে চলে এসেছে। এর ফলে জেলে সম্প্রদায় জীবিকা হারাচ্ছে এবং কৃষকরা সেচের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। পরিবেশকর্মীদের মতে, এই অবস্থার কারণে পরিবেশের ভারসাম্যও নষ্ট হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড নতুন পরিকল্পনার বিষয়ে গণনা করছে।

ভৈরব, মাথাভাঙ্গা, কাজলা এবং ছেউটিয়া নদী মেহেরপুরের প্রাণ। একসময় সেগুলো ছিল বাণিজ্যের জন্য প্রধান যোগাযোগ ব্যবস্থা, কিন্তু বর্তমানে নদীগুলোতে জাহাজ বা নৌকা দেখা যায় না। নদীগুলো এখন নিজেদের রূপ হারিয়ে কেবল খালের মতো পড়ে রয়েছে। বর্ষা মৌসুমে নদীদের কিছু পানি থাকে, তবে শুকনো মৌসুমে তা খেলাধুলার মাঠে পরিণত হয়।

মেহেরপুরে ১৬২ কিমি নদী রয়েছে, যার মধ্যে ভৈরব ও কাজলা ৫৮ কিমি, মাথাভাঙ্গা ৩০ কিমি এবং ছেউটিয়া ১৬ কিমি দৈর্ঘ্য। ২০১৭ সালে ২৭৯ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকার ভৈরব নদী খনন করেছে। যেখানে গড়ে নদীর প্রশস্ততা ৬০ মিটার থাকলেও এখন তা সংকুচিত হয়ে অর্ধেকে নেমে এসেছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় নদীগুলোর প্রশস্ততা অস্বাভাবিকভাবে কমেছে। বিশেষত, অবৈধ দখলের ফলে কয়েকটি নদী সমান্তরাল জমিতে পরিণত হয়েছে। এছাড়া, নদীতে কচুরিপানার উপস্থিতি বাড়ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড গত বছর ভৈরব নদীতে ৪৫ লক্ষ টাকা খরচ করে কচুরিপানা পরিষ্কার করেছে।

ভৈরব নদীর পাশে একটি হাফেজিয়া মাদ্রাসা গড়ে উঠেছে। মাদ্রাসার দায়িত্বে থাকা ইসারুদ্দিন জানান, এটি স্থানীয় একজনের জমি। পাশাপাশি অন্য একটি ভবন নির্মাণাধীন। নদী দখলের বিষয়ে কৃষকরা জানান, অনেকেই নদীর জমি দখল করে চাষবাস করছেন।

স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তি প্রভাষক জাহির হোসেন চঞ্চল বলেন, ‘এক সময় এ অঞ্চলে বাণিজ্যের জন্য বড় বড় নৌকা চলাফেরা করতো, কিন্তু এখন নদীগুলো খালে পরিণত হয়েছে। প্রশাসনের উচিত নদীর দখল উদ্ধার করা।’

এমন পরিস্থিতির জন্য জীবনধারণ করতে বিপাকে পড়ছেন স্থানীয় জেলে সম্প্রদায়। মেহেরপুর গাংনী ডিগ্রী কলেজের সাবেক প্রভাষক এনামুল আজিম বলেন, 'নদীকে রক্ষা করতে হলে নিয়মিত প্রকল্প এবং পদক্ষেপের প্রয়োজন।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশেষজ্ঞদের জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান: ভূমিকম্পে বিপর্যয় ঠেকাতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে নভেম্বর, ২০২৫ ইং

০৮:৫৮ পি.এম


বিশেষজ্ঞদের জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান: ভূমিকম্পে বিপর্যয় ঠেকাতে

বাংলাদেশে শক্তিশালী ভূমিকম্পের সম্ভাবনা থাকলে মানবিক বিপর্যয় প্রতিরোধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ করেছেন দেশ-বিদেশের বিশেষজ্ঞগণ।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) ঢাকার হোটেল ওয়েস্টিনে ‘আর্থকুয়াক অ্যাওয়ারনেস, সেফটি প্রটোকলস অ্যান্ড ইমার্জেন্সি প্রিপেয়ার্ডনেস’ শীর্ষক সেমিনারে উপস্থিত বক্তারা এ নিয়ে আলোচনা করেন।

বিশেষজ্ঞরা জানান, সঠিক সময় ও প্রস্তুতির মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বড় ধরনের ভূমিকম্পের কারণে প্রাপ্ত ক্ষতি ও প্রাণহানি কমানো সম্ভব। বর্তমানে বাংলাদেশ বড় ধরনের ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে রয়েছে এবং যদি দ্রুত পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তাহলে ভবিষ্যতে অভূতপূর্ব মানবিক বিপর্যয় ঘটতে পারে।

জেসিএক্স ডেভেলপমেন্টস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ইকবাল হোসেন চৌধুরী তার বক্তৃতায় বলেন, সদ্য ঢাকায় অনুভূত একাধিক ভূমিকম্প এই ঝুঁকির কথা মনে করিয়ে দিয়েছে। দ্রুত নগরায়ণ, জনসংখ্যার ঘনত্ব এবং দুর্বল ভবনের কারণে বড় কোনো ভূমিকম্প হলে বিপর্যয়ের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাবে। তাই জনসচেতনতা, প্রস্তুতি এবং সক্ষমতা বৃদ্ধি এখনই জরুরি।

তিনি আরো বলেন, রাষ্ট্র, আবাসন খাত ও জনগণ- এই তিন স্তম্ভ শক্তিশালী হলেই ভূমিকম্প ঝুঁকি মোকাবিলা করা সম্ভব। সময় খুবই সীমিত, তাই আজই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, ভূমিকম্প-সহনশীল স্থাপনা নির্মাণের কাজে জেসিএক্স স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে এবং প্রতিষ্ঠানটি সেফটি ফার্স্ট-নীতিতে বিশ্বাসী।

বক্তারা এ সময় ভূমিকম্প প্রতিরোধী ভবন নির্মাণ, বিদ্যমান ভবনের স্ট্রাকচারাল অডিট, উদ্ধার সক্ষমতার উন্নয়ন এবং কার্যকর প্রাথমিক সতর্কবার্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন। নাগরিকদের নিয়মিত ড্রিল এবং সচেতনতা কার্যক্রমের ওপরও দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।

সেমিনারে বিভিন্ন দেশি-বিদেশি ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ, স্থপতি, প্রকৌশলী এবং সরকারি ও বেসরকারি প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

তারা বলছেন, সরকারি-বেসরকারি সকল পর্যায়ের সমন্বিত উদ্যোগই একটি ভূমিকম্প-সহনশীল বাংলাদেশ গড়ার জন্য জরুরি। সঠিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা ছাড়া বড় ধরনের ক্ষতি প্রতিরোধের অন্য কোন উপায় নেই। ভূমিকম্প ক্ষতি ও প্রাণহানি রোধে বক্তারা বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ তুলে ধরেছেন।

বক্তারা দাবি করেছেন, জাপান নিয়মিত কাজ করে ভূমিকম্প-সহনশীল শহর গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে। বাংলাদেশও যদি একই পথে চলে তাহলে ক্ষতির পরিমাণ ৫০ শতাংশ হ্রাস করা সম্ভব।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বাংলাদেশ ভারত, মিয়ানমার ও ইউরেশীয় এই তিন সক্রিয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত। সিলেটের ডাউকি ফল্ট, চট্টগ্রাম-টেকনাফের চিটাগং-আরাকান ফল্ট এবং মিয়ানমারের সাগাইং ফল্টের মধ্যে ঘটে। এই কারণে দেশটি বিশেষভাবে উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। দ্রুত নগরায়ণ এবং এলাকাগুলোর সংকীর্ণ পরিস্থিতি পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলেছে।

সেমিনারে বলা হয় গত ১০০ বছরে বাংলাদেশে ২০০টির বেশি ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে। ২০২৪ সালের পর কম্পনের হার বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬ সালের গবেষণায় বলা হয়েছে, গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় থাকা ‘মেগাথার্স্ট’ ফল্ট থেকে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সৃষ্টির আশঙ্কা আছে। সিলেট থেকে টেকনাফ পর্যন্ত সাবডাকশন জোনে গত ৮০০ থেকে ১০০০ বছরের মধ্যে সঞ্চিত শক্তি মুক্ত হয়নি—যা বিশেষজ্ঞদের জন্য একটি উদ্বেগজনক সতর্কবার্তা।

সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন জাপানের কিছু ভূমিকম্প-সহনশীল স্থাপত্য বিশেষজ্ঞ। তারা জাপানের ভূমিকম্প-পরবর্তী অভিজ্ঞতা, নিরাপদ অবকাঠামো নকশা এবং আধুনিক টেকসই নির্মাণ মানের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ প্রদান করেন। জেসিএক্স ডেভেলপমেন্টস লিমিটেডের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সেমিনারে এসব মতামত সামনে আসে। সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঘূর্ণিঝড় ডিটওয়াহ’র কারণে বিপর্যস্ত শ্রীলঙ্কায় ভারতের ‘অপারেশন সাগরবন্ধু’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে নভেম্বর, ২০২৫ ইং

০৯:০০ পি.এম


ঘূর্ণিঝড় ডিটওয়াহ’র কারণে বিপর্যস্ত শ্রীলঙ্কায় ভারতের ‘অপারেশন সাগরবন্ধু’

শ্রীলঙ্কায় ঘূর্ণিঝড় ডিটওয়াহ’র প্রভাবে সৃষ্ট বিপর্যয়ের মধ্যে বিশেষ মানবিক সহায়তা প্রকল্প ‘অপারেশন সাগরবন্ধু’ শুরু করেছে ভারত।

দ্বীপদেশটিতে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে ভয়াবহ ভূমিধস ও হড়কা বন্যার ফলে জরুরি ত্রাণ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় নয়াদিল্লি। বিশেষ প্রতিকারের আওতায়, শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) রাতে ভারতীয় বিমান বাহিনীর (আইএএফ) দুটি বিশেষ ফ্লাইট প্রায় ২১ টনের ত্রাণসামগ্রী নিয়ে কলম্বোয় পৌঁছায়।

এই ত্রাণসামাগ্রীর মধ্যে রয়েছে আশ্রয়হীনদের জন্য তাঁবু, ত্রিপল ও কম্বল, পাশাপাশি রয়েছে মৃত্যুযন্ত্রণা কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ ও খাদ্যসামগ্রী। ইতোমধ্যে এসব নিত্যপণ্য ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পৌঁছাতে শুরু করেছে।

এর আগে, ভারতীয় নৌ বাহিনীর জাহাজ আইএনএস বিক্রান্ত ও আইএনএস উদয়গিরি প্রথম দফায় ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছিল। তারা পেয়েছিল প্রায় ৪.৫ টন শুকনো খাবার এবং ২ টন দুগ্ধজাত সামগ্রী, বেকারি পণ্য ও পানীয়।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ লেখেন, এই সহায়তা ভারত এবং শ্রীলঙ্কার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের প্রতিফলন। ভারতীয় হাইকমিশন জানিয়েছে, এই উদ্যোগ ভারতের ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতির একটি অংশ। অর্থাৎ, প্রয়োজন অনুযায়ী আরও ত্রাণ পাঠানোর প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।

ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষতি সম্পর্কে শ্রীলঙ্কার দুর্যোগ ব্যবস্থা বিভাগের (ডিএমসি) তথ্যানুসারে এএফপি জানাচ্ছে, এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে মৃতের সংখ্যা ১৩২ জন, আর ১৭৬ জন নিখোঁজ রয়েছে। প্রায় ১৫ হাজার বাড়িঘর বাতিল হয়ে গেছে এবং ৪৪ হাজারের বেশি মানুষ অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে।

গত এক সপ্তাহ ধরে শ্রীলঙ্কায় ঘূর্ণিঝড় ডিটওয়াহ’র কারণে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। যার ফলস্বরূপ ভূমিধস ও হড়কা বন্যার ঘটনা ঘটছে। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, ৪০ জনের বেশি লোক প্রাণ হারিয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়টি গত শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সকালে দ্বীপদেশের ওপর দিয়ে বয়ে যায় এবং দেশের আবহাওয়া দফতরের ভবিষ্যদ্বাণী অনুসারে, এটি বর্তমানে উত্তর দিকে ভারতদিকে অগ্রসর হচ্ছে। তবে, এই পূর্বে দেশটিতে এটি ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ সৃষ্টি করেছে।

ঘূর্ণিঝড় ডিটওয়াহ’র প্রভাবে শ্রীলঙ্কায় বিভিন্ন এলাকায় ৩০০ মিমি পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়েছে, যার ফলে আবারও ভূমিধস ও হড়কা বন্যার উপদ্রব শুরু হয়েছে।

এ বিষয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের (ডিএমসি) মহাপরিচালক সম্পথ কোতুওয়িগোদা জানিয়েছেন, ‘আমরা ১৩২ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছি এবং আরও ১৭৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন।’ এছাড়া, তিনি জানিয়েছেন, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর সদস্যরা ত্রাণ কার্যক্রমকে আরও ত্বরান্বিত করার জন্য মোতায়েন করা হয়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) দেশের প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকে জরুরি অবস্থা জারির ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক সহায়তার জন্য আবেদন জানিয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাঙা সড়কের কারণে বিপদে রাঙ্গামাটি পৌরবাসী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে নভেম্বর, ২০২৫ ইং

০৯:০১ পি.এম


ভাঙা সড়কের কারণে বিপদে রাঙ্গামাটি পৌরবাসী

রাঙ্গামাটি পৌরসভার অধীনে থাকা সড়কগুলোর অবস্থা এখন অনেক অবনতি হয়েছে, যা বসবাসকারী জনগণের জন্য দুর্ভোগ সৃষ্টি করছে।

সড়কগুলো খানাখন্দে ভরা থাকায় প্রতিদিনই ছোটোখাটো দুর্ঘটনার শিকার হন এখানকার বাসিন্দারা। তবে পৌর কর্তৃপক্ষ শীঘ্রই সড়ক সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত রাঙ্গামাটি পৌরসভা বর্তমানে এমন পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে। পৌরসভার কার্পেটিং সড়কগুলোতে বড় বড় গর্ত হয়ে গেছে। এসব গর্তে ভরা সড়কে চলাচল করছে অটোরিকশা এবং মোটরসাইকেল, যা নিশ্চিত ঝুঁকিপূর্ণ।

রাঙ্গামাটি পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের কালিন্দীপুর এলাকার সড়কগুলোকে বেহাল অবস্থায় দেখা যাচ্ছে। এখানে বড় বড় গর্তের জন্য কালিন্দীপুরসহ হ্যাচারীপাড়া, রাঙ্গাপানি ও মনোঘর এলাকার প্রায় ৩০ হাজার মানুষের চলাচলে বড় অসুবিধার সৃষ্টি হচ্ছে। এটি হাসপাতালের alternative road হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।

এখানকার পরিস্থিতি শুধু কালিন্দীপুর বা হাসপাতাল এলাকা নয়, বরং রিজার্ভ বাজারের গীতাশ্রম কলোনী, বনরুপার ফরেস্ট রোড এবং উন্নয়ন বোর্ড আবাসিক এলাকার অধিকাংশ সড়কেও একই অবস্থা। স্থানীয়দের অভিযোগ, তারা দুই আড়াই বছর ধরে এই দুর্ভোগ সহ্য করছেন, অথচ কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানালেও কোনও সমাধান পাওয়া যায়নি।

অনিক চাকমা মন্তব্য করেছেন, ‘রাঙ্গামাটি শহরের প্রাণকেন্দ্র বনরুপায় পৌরসভার সড়কে মোটরসাইকেল চালানো যাচ্ছে না। অটোরিকশাও এখানে ঢুকতে চায় না। কার্পেটিং উঠে যাওয়ায় আমাদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। কিন্তু কেউ আমাদের কষ্টের দিকটা দেখছে না।’

অটোরিকশা চালক সিরাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, ‘আমরা অলিগলির সড়কে যাতায়াত করি না। রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ, প্রায়ই গাড়ির যন্ত্রাংশ ভেঙে যায়। পৌরসভার কাছে আমরা দ্রুত সড়ক মেরামতের দাবি জানাচ্ছি।’

সজল দাশ উল্লেখ করেন, ‘রাঙ্গামাটি বাণিজ্যিক এলাকা রিজার্ভ বাজারে সড়কের খারাপ অবস্থা এমন যে এখানে হাঁটাতেও কষ্ট হচ্ছে। বিশেষ করে রোগী নিয়ে আসতে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে।’

রাঙ্গামাটি পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী শ্যামল চন্দ্র বলেন, ‘রাঙ্গামাটি পৌরসভার কিছু সড়কের অবস্থা খুবই খারাপ। এগুলো সংস্কারের জন্য প্রকল্প প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে এবং কয়েকটি প্রকল্পের মাধ্যমে কাজও চালানো হচ্ছে।’

রাঙ্গামাটি পৌর প্রশাসক মো. মোবারক হোসেন জানান, ‘বর্ষার কারণে কাজ শুরু করতে পারিনি, আশা করছি আগামী দুই মাসের মধ্যে সড়কের এই অবস্থা থাকবেনা।’

উল্লেখ্য, রাঙ্গামাটি পৌরসভায় মোট সড়কের দৈর্ঘ্য প্রায় ৬৮ কিলোমিটার এবং গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় মোট কার্পেটিং সড়কের পরিমাণ মাত্র ১০ কিলোমিটার, এর মধ্যে ৬ কিলোমিটারই বর্তমানে খারাপ অবস্থায় রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউস সানি, ১৪৪৭হিঃ
ফজর ০৫:০৪
জোহর ১১:৪৮
আসর ০৩:৩৫
মাগরিব ০৫:১১
ইশা ০৬:২৬
সূর্যোদয় : ০৬:২৪ সূর্যাস্ত : ০৫:১১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%