ঢাকা রবিবার, ০৭ই ডিসেম্বর, ২০২৫খ্রিষ্টাব্দ ২২শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩১বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউস সানি, ১৪৪৭হিজরী
রবিবার, ০৭ই ডিসেম্বর, ২০২৫ইং ২২শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩১বাং

ওজন নিয়ন্ত্রণে ব্ল্যাক কফির উপকারিতা এবং সতর্কতা


ওজন নিয়ন্ত্রণে ব্ল্যাক কফির উপকারিতা এবং সতর্কতা

ব্ল্যাক কফি বহু দিন ধরে মনোযোগ বৃদ্ধি, ক্লান্তি নির্মূল এবং হালকা রিল্যাক্সেশনের জন্য জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তবে সাম্প্রতিককালে এটি ওজন হ্রাসের আলোচনা থেকেও দুর্ভাগ্যবশত বাদ পড়েনি। এর কারণ হলো, এতে ক্যালোরি কম, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণ বেশি এবং এটি মেটাবলিজম বাড়াতে সহায়ক। তবে প্রশ্ন উঠে, ব্ল্যাক কফি কি সত্যিই ওজন কমাতে সাহায্য করে? এর সঠিক পরিমাণ, গ্রহণের সময় এবং সম্ভাব্য ঝুঁকিগুলি কী? বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে জানুন ব্ল্যাক কফির ওজন কমানোর বিভিন্ন সুবিধা এবং সতর্কতা।

ব্ল্যাক কফি কি সত্যিই শরীরের ওজন কমাতে সাহায্য করে? বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্ল্যাক কফিতে বিদ্যমান ক্যাফেইন শরীরের থার্মোজেনেসিস বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে, যা ফলে শরীর অধিক ক্যালরি পোড়াতে সক্ষম হয়। পাশাপাশি এতে এবং ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড রয়েছে যা ফ্যাট শোষণ কমাতে এবং রক্তে গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

ব্ল্যাক কফি বিভিন্ন উপায়ে ওজন কমাতে সহায়ক হতে পারে—

আরও পড়ুন: খালি পেটে লবঙ্গ পানির অসীম গুণাবলী!

1. থার্মোজেনেসিস: শরীরে তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে ক্যালরি পোড়ানোর পরিমাণ বাড়ায়।

2. ফ্যাট অক্সিডেশন: শরীর দ্রুত ফ্যাট ভাঙে।

3. লিপোলাইসিস: জমা থাকা চর্বি শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

4. অ্যাপেটাইট সাপ্রেশন: কিছু সময়ের জন্য ক্ষুধা কমিয়ে দেয়, ফলে অতিরিক্ত স্ন্যাকিং কম হয়।

আরও পড়ুন: শীতে ব্রণ বেড়ে গেলে কী করবেন, জেনে নিন

যাইহোক, এই সমস্ত সুবিধা থাকা সত্ত্বেও ব্ল্যাক কফি খেলে একাই ওজন কমে যাবে, সেটি ভাবা যাবে না। বরং ব্ল্যাক কফির পাশাপাশি ডায়েট এবং জীবনযাত্রার ধরনই এখানে মূল ভূমিকা পালন করে।

কখন ব্ল্যাক কফি খাওয়া ভালো? বিশেষজ্ঞরা ব্ল্যাক কফি খাওয়ার সঠিক সময় তুলে ধরেছেন।

ব্ল্যাক কফি খাওয়ার জন্য সেরা সময়গুলো:

1. ব্যায়ামের আগে: চর্বি পোড়ানোর জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময় হলো ব্যায়ামের ৩০–৪৫ মিনিট আগে। এর ফলে শক্তি বৃদ্ধি পায়, অ্যালার্টনেস বাড়ে এবং ফ্যাট ব্রেকডাউন আরও দ্রুত হয়।

আরও পড়ুন: সকালের অলসতা দূর করতে সহায়তা করবে ৫টি সহজ চীনা ব্যায়াম

2. সাধারণ দিনে: বিশেষভাবে ব্যায়াম না করা হলে সকাল ৯টা থেকে ১১টার মধ্যে খাওয়া ভালো। এ সময়ে শরীরের স্বাভাবিক কর্টিসল লেভেল মেনে চলে, যার ফলে কফির প্রভাব ভালো হয়।

যে বিষয়গুলো এড়িয়ে চলা উচিত:

1. বিকেল ৪টার পর কফি গ্রহণ করলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে।

2. অতিরিক্ত খালি পেটে কফি পান করলে অ্যাসিডিটি বা অস্বস্তি বৃদ্ধি পেতে পারে।

কতটা ব্ল্যাক কফি নিরাপদ? বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, দিনে ১–২ কাপ (২০০–৩০০ মিগ্রা ক্যাফেইন) বেশিরভাগ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য নিরাপদ।

অতিরিক্ত কফি:

1. কর্টিসল বাড়াতে পারে।

2. অ্যাসিডিটি বা পেটের জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করতে পারে।

3. ঘুমে বিঘ্ন ঘটাতে পারে।

4. উদ্বেগ বা অস্বস্তি বৃদ্ধি করতে পারে।

কাদের ব্ল্যাক কফি এড়াতে হবে? যদিও ব্ল্যাক কফি উপকারী, তবে এটি সব জন্য উপযুক্ত নয়। চিকিৎসকরা যাদের ব্ল্যাক কফি এড়াতে বলেছেন:

1. গর্ভবতী মহিলা।

2. হৃদরোগের সমস্যায় ভুগছেন।

3. ঘুমের সমস্যা আছে এমন ব্যক্তি।

4. পাচনতন্ত্রের সমস্যায় ভুগছেন।

5. ক্যাফেইন স্যেনসিটিভিটি আছে।

6. যেসব ব্যক্তি নির্দিষ্ট ওষুধ ব্যবহার করছেন।

7. রক্তে শর্করা ওঠানামা করে এমন ব্যক্তি।

8. অস্টিওপোরোসিসে আক্রান্ত।

ব্ল্যাক কফি একটি কম ক্যালরি, মেটাবলিজম বৃদ্ধিকারী পানীয় হতে পারে, যেটি ওজন কমাতে সহায়ক। তবুও এটি কোনো জাদুকরী সমাধান নয়। সঠিক সময়ে, সীমিত পরিমাণে, এবং শরীরের পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে ব্ল্যাক কফি খেলে তা উপকারী হতে পারে। আর যারা নির্দিষ্ট স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়াই শ্রেয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘বুকভরা হতাশা’ নিয়ে এনসিপি নেতা আরিফুল ইসলামের পদত্যাগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে নভেম্বর, ২০২৫ ইং

০২:২৪ পি.এম


‘বুকভরা হতাশা’ নিয়ে এনসিপি নেতা আরিফুল ইসলামের পদত্যাগ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় কমিটির দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠক আরিফুল ইসলাম তালুকদার ‘বুকভরা হতাশা’ নিয়ে পদত্যাগ করেছেন। তিনি ২৮ নভেম্বর দলীয় আহ্বায়কের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

পদত্যাগের চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, দল অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা মোকাবিলা করতে পারে নি; বরং ক্ষমতার অপব্যবহার, সিদ্ধান্তহীনতা, অনিয়ম এবং আচরণগত সংকট আরও বেড়ে গেছে। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সরাসরি অংশগ্রহণ করার পরও দল তারুণ্যের শক্তিকে একত্রিত করতে ব্যর্থ হয়েছে।

“নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত গড়ার আকাঙ্ক্ষা কিছু হীনমন্যতা এবং অদূরদর্শী আচরণের কারণে পরাজিত হয়েছে”-এমন মন্তব্য করেছেন তিনি।

আরিফুল আরও অভিযোগ করেন যে, দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের একটি অংশ অস্বাভাবিকভাবে অর্থ সম্পদের মালিক হয়ে সাধারণ মানুষের কাছে ধরা পড়েছেন। এর ফলে আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে এবং জাতীয় ঐক্য নষ্ট হয়েছে। জুলাই মাসে আহতদের তালিকায় অবিচার হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলছেন, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলো এখনও পুরোনো ফ্যাসিবাদী নিয়ন্ত্রণের অধীনে রয়েছে। গণহত্যার বিচার না হওয়া এবং অভিযুক্ত রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ না নেওয়া নিয়েও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

তিনি বলেন, গত তিনটি নির্বাচনে যারা ‘মাফিয়া’ ভূমিকা পালন করেছেন, তাদের মাধ্যমেই পরবর্তী নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে। অথচ দল এসব ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। বিপ্লবোত্তর সংকটের দায় দলের নেতৃত্বের ওপর বর্তায়। অভ্যুত্থানের শক্তি হিসেবে যারা দীর্ঘকাল কাজ করেছেন, তাদের স্বীকৃতি দেয়া হয়নি। দলের ব্যর্থতা এবং অভ্যন্তরীণ অনৈক্য গত দেড় বছরে কোনো কার্যকর সাফল্য আনতে সক্ষম হয়নি।

আরিফুলের বক্তব্য অনুযায়ী, জুলাই বিপ্লবের সময় তিনি আন্তর্জাতিক যোগাযোগ রক্ষা করা এবং ‘মাফিয়ার পলায়ন’ বিষয়ক কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। তিনি লিখেছেন, জুলাইকে তিনি পণ্য হিসেবে মনে করেন না, বরং এক অভিজ্ঞতা হিসেবে অনুভব করেন। তিনি আরও দাবি করেন যে, এনসিপি তারুণ্যের শক্তিকে একত্রিত করতে পারেনি, জাতীয় ঐক্য নষ্টের পাশাপাশি ক্ষমতাকেন্দ্রিক পুরোনো রাজনৈতিক সংস্কৃতি ধরে রেখেছে। এছাড়া, দলের সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধির প্রতি কোনো উদ্যোগ নেই, বরং দল দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি উদাসীন হয়ে পড়েছে।

পদত্যাগপত্রের শেষে আরিফুল বলেন, সামগ্রিকভাবে ভবিষ্যতে রাজনৈতিক পথচলায় এই দলের সঙ্গে থাকার প্রয়োজন বোধ করছি না। তাই তিনি ‘বুকভরা হতাশা’ নিয়ে পদত্যাগ করছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মন্ত্রিপরিষদ ভবনে আগুন লেগেছে সচিবালয়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে নভেম্বর, ২০২৫ ইং

০২:২৫ পি.এম


মন্ত্রিপরিষদ ভবনে আগুন লেগেছে সচিবালয়ে

প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ ভবনে একটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের প্রচেষ্টায় পরবর্তীতে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে রোববার (৩০ নভেম্বর) দুপুরের সময়।

ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিটের সমন্বিত চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইউরোপের বিভিন্ন শহরে প্রতিবাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে নভেম্বর, ২০২৫ ইং

০২:২৬ পি.এম


ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইউরোপের বিভিন্ন শহরে প্রতিবাদ

ইসরাইল ও গাজার মধ্যে সংঘর্ষে মৃতের সংখ্যা ৭০ হাজারেরও বেশি হয়েছে। এই সংকটের প্রতিবাদ জানাতে ইউরোপের বিভিন্ন শহরে ব্যাপক বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে হাজার হাজার মানুষ ফিলিস্তিনের ওপর সহানুভূতি প্রদর্শন করেছেন।

জাতিসংঘ ঘোষিত আন্তর্জাতিক ফিলিস্তিন সংহতি দিবস উপলক্ষে শনিবার (২৯ নভেম্বর) এই বিক্ষোভগুলো অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভকারীরা ইসরাইলের আগ্রাসন ও যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছেন।

ফ্রান্সের প্যারিসে প্রায় ৫০ হাজার প্রতিবাদকারী রাস্তায় নেমে আসেন এবং ইসরাইলের গণহত্যার বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন, তাদের হাতে ছিল ফিলিস্তিনের পতাকা।

এক প্রতিবাদকারী কাতারের সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে বলেছেন, ‘এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা এখনও ন্যায়বিচার থেকে অনেক দূরে রয়েছি।’

এএফপির সাথে এক সাক্ষাৎকারে ফ্রান্স প্যালেস্টাইন সলিডারিটি অ্যাসোসিয়েশন (এএফপিএস) এর প্রধান আন তুয়াইয়ো মন্তব্য করেন, অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়া সত্ত্বেও ৭ সপ্তাহ পার করে কিছুই সমাধান হয়নি।

তার মন্তব্য অনুযায়ী, ‘যুদ্ধবিরতি একটি ধোঁয়াশা, যা ইসরাইল প্রায়ই ভঙ্গ করে। আমরা স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে ইসরাইলের এই গণহত্যা বন্ধ করতে চাই।’

লন্ডন, জেনেভা, রোম এবং লিসবনেও এই ধরনের বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছে। আল জাজিরার সাংবাদিক সোনিয়া গালেগোর রিপোর্ট অনুযায়ী, আয়োজকরা মূলত ইসরাইলের ওপর একটি ‘টেকসই চাপ’ সৃষ্টির লক্ষ্য নিয়ে এই বিক্ষোভের আয়োজন করেছেন।

লন্ডনের আয়োজকদের দাবি, প্রায় এক লাখ মানুষ ইসরাইলের মানবতাবিরোধী অপরাধের জবাবদিহির দাবিতে এই প্রতিবাদে অংশগ্রহণ করেছেন।

ইতালির রোমে অনুষ্ঠিত একটি প্রধান বিক্ষোভে জাতিসংঘের ফিলিস্তিনবিষয়ক বিশেষ প্রতিবেদক ফ্রানচেস্কা আলবানিজ এবং জলবায়ু কর্মী গ্রেটা থুনবার্গ উপস্থিত ছিলেন। ‘ওয়ান্টেড ইন রোম’ এর রিপোর্ট অনুযায়ী, সেখানে প্রায় এক লাখ মানুষের উপস্থিতি প্রত্যাশিত ছিল।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে আলবানিজ ইসরাইলের গণহত্যার অভিযোগ তুলে বলেছেন, ‘ইসরাইল কেবল গাজায় নয়, বরং পশ্চিম তীরে গণহত্যা চালাচ্ছে।’

তিনি আরও দাবি করেন, ইসরাইলকে থামানো উচিত এবং আমরা তা করবোই।

যুদ্ধবিরতির পর থেকে ইসরাইল ফিলিস্তিনে ৫০০’রও বেশি হামলা চালিয়েছে, যার ফলে ৩৪৭ জন ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন এবং প্রায় ৮৯০ জন আহত হয়েছেন।

গাজার খান ইউনিস অঞ্চলের বনি সুহেইলা শহরে সাম্প্রতিক একটি ড্রোন হামলায় ৮ ও ১০ বছরের দুই শিশু মারা গেছে। নিহত শিশু ফাদি ও জুমার চাচা আলা আবু আসি বলেন, ‘তারা নিরীহ শিশু ছিল, তাদের কাছে কোনো অস্ত্রও ছিল না। তারা নিজেদের আহত বাবার জন্য জ্বালানি কাঠ আনতে গিয়েছিল। হামলার পর আমরা তাদেরকে টুকরো টুকরো অবস্থায় পাই।’

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস মন্তব্য করেন, ‘এতো মানুষের মৃত্যু, এক পুরো জনগোষ্ঠীকে বারবার উৎখাত করা এবং মানবিক সহায়তায় বাধা দেওয়া কোনও ভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’

গাজা থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক হিন্দ খোদারি জানাচ্ছেন, ‘আন্তর্জাতিক সংহতির প্রতি গাজার মানুষ কৃতজ্ঞ। কিন্তু অধিকাংশ ফিলিস্তিনি প্রতিদিন জীবনের জন্য সংগ্রাম করছেন।’

তার মতে, এখানে মৌলিক চাহিদা যেমন আশ্রয়, ঔষধ ও শিক্ষা সহজলভ্য নয়। এমনকি যুদ্ধবিরতির মধ্যে মানুষজনের মৃত্যু অব্যাহত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও ইসরাইল গাজায় নিয়মিত হামলা চালাচ্ছে এবং গণহত্যা অব্যাহত রেখেছে।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উক্রেনের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজে থাকা ৪ বাংলাদেশিকে নিয়ে নতুন তথ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে নভেম্বর, ২০২৫ ইং

০২:৩০ পি.এম


উক্রেনের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজে থাকা ৪ বাংলাদেশিকে নিয়ে নতুন তথ্য

কৃষ্ণসাগর অতিক্রমের সময় ইউক্রেনের ড্রোন হামলা দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত রাশিয়ার একটি তেলবাহী ট্যাংকার থেকে চারজন বাংলাদেশি নাবিককে নিরাপদভাবে উদ্ধার করা হয়েছে। গত শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) তুরস্কের উপকূলে ‘এমটি কায়রোস’ নামক ট্যাংকারে এই হামলা হয়, যেখানে কোস্ট গার্ডের সদস্যরা ২৫ জন নাবিককে উদ্ধার করেন। উদ্ধারকারী দলের কাছে চীনের ১৯ জন নাবিক এবং মিয়ানমার ও ইন্দোনেশিয়ার একজন করে নাবিকও ছিলেন।

উদ্ধারকৃত চার বাংলাদেশি নাবিক হলো- চতুর্থ প্রকৌশলী মাহফুজুল ইসলাম, অয়েলার হাবিবুর রহমান, পাম্প ম্যান আসগর হোসাইন এবং ডেক ক্যাডেট আল আমিন হোসেন। যদিও তাদের অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে, তবে ওই ভয়াবহ ঘটনার কারণে হামলার আতঙ্ক এখনও কাটেনি। উদ্ধার হওয়া এক বাংলাদেশি নাবিক জানিয়েছেন, তুরস্কে বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে তাদের এখনও যোগাযোগ হয়নি।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ মার্চেন্ট মেরিন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন একটি গণমাধ্যমে উল্লেখ করেছেন, কৃষ্ণসাগরে একটি জাহাজে মিসাইল হামলার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার ২৫ নাবিকের মধ্যে চারজন বাংলাদেশি ছিলেন। তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং আমরা তাদের নিয়মিত খোঁজ রাখছি।

হামলার লক্ষ্য ছিল গাম্বিয়ার পতাকাবাহী ‘এমটি কায়রোস’ ট্যাংকার, যা রাশিয়ার ক্রুড অয়েল বিভিন্ন দেশে পাঠানোর কাজে নিয়োজিত ছিল। বাংলাদেশি নাবিকরা জানেন, রাশিয়ার তেলনির্ভর যুদ্ধ-অর্থায়নকে দুর্বল করার উদ্দেশ্যে ইউক্রেন এই হামলা করেছে। রাশিয়া থেকে ক্রুড অয়েল বোঝাই হওয়ার পর জাহাজটির পরবর্তী গন্তব্য ছিল চীন বা ভারত।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালে ইউক্রেন আক্রমণের পর, পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা এড়াতে রাশিয়া পুরনো ও মালিকানা-অস্পষ্ট শত শত জাহাজ নিয়ে একটি ছায়া নৌবহর তৈরি করেছে। বীমা ও রেজিস্ট্রেশন নিয়ে এসব ট্যাংকারকে ঘিরে রয়েছে নানা জটিলতা। লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জের তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্ত ট্যাংকার দুটি আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিল।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউস সানি, ১৪৪৭হিঃ
ফজর ০৫:০৮
জোহর ১১:৫১
আসর ০৩:৩৬
মাগরিব ০৫:১২
ইশা ০৬:২৭
সূর্যোদয় : ০৬:২৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%