সোমবার, ২৪শে নভেম্বর, ২০২৫ ইং
০৩:৩১ পি.এম
সৌদি ভূতাত্ত্বিক জরিপ (এসজিএস) এই দুটি ভূমিকম্পের তথ্য প্রকাশ করেছে - একটি সৌদি আরবে এবং অপরটি ইরাকের অভ্যন্তরে।
সৌদি গেজেটের সূত্র ধরে গালফ নিউজে একটি প্রতিবেদনে সোমবার (২৪ নভেম্বর) উল্লেখ করা হয়েছে, গত শনিবার এই ভূমিকম্পটি রেকর্ড করা হয়েছিল।
এসজিএসের তথ্য অনুসারে, তাদের জাতীয় ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ নেটওয়ার্ক আল-আইস এবং তাবুক অঞ্চলের উমলুজের মধ্য দিয়ে হাররাত আল শাকা থেকে প্রায় ৮৬ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে একটি হালকা ভূমিকম্প সনাক্ত করা হয়েছে।
এই ভূমিকম্পের রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৩.৪৩। হাররাত আল-শাকা সৌদি আরবের অন্যতম প্রধান আগ্নেয়গিরির লাভা ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত।
এসজিএস আরও জানিয়েছে, দ্বিতীয় ভূমিকম্পের ঘটনা ইরাকের ভেতরে ঘটেছে। এর রিখটার স্কেল পরিমাপে মাত্রা ছিল ৫.০৯।
সূত্র: গালফ নিউজ, সৌদি গেজেট
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের কদমতলীতে একটি কম্বলের গোডাউনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের একটি ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরের দিকে এই অগ্নিকাণ্ডটি ঘটে। তবে, এ পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
আগ্রাবাদ ফায়ার স্টেশনের উপ সহকারী পরিচালক আলমগীর হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, খবর পাওয়ার সাথে সাথে আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট কাজ শুরু করে। তবে, আগুন লাগার কারণ এবং ক্ষতির পরিমাণ এখনো জানা যায়নি। আগুন নিয়ন্ত্রণ হয়ে গেলে সেগুলো নিরূপণ করা হবে বলেও জানান ফায়ার সার্ভিসের ওই কর্মকর্তা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের ভূমি ব্যবস্থাপনা ক্ষেত্রে একটি নতুন যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে সরকার। ভূমি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে দেশের ২১টি উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হওয়া ডিজিটাল নামজারি পদ্ধতি দ্রুততার সাথে সারাদেশে সম্প্রসারিত হতে যাচ্ছে। এই নতুন পদক্ষেপ জমির মালিকানা সম্পর্কিত আইনি জটিলতাকে দূর করবে এবং ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা বৃদ্ধির দিকে নিয়ে যাবে।
নতুন আইন অনুযায়ী, এখন থেকে মাত্র দলিল থাকলেই জমির মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হবে না। ‘ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৩’ অনুযায়ী, নামজারি সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নামজারি কেন জরুরি তা নিয়ে বিস্তারিত জানানো হয়েছে: নামজারি সম্পন্ন না হলে ব্যক্তি সরকারের রেকর্ডে জমির প্রকৃত মালিক হিসেবে গণ্য হবে না। এই কারণে জমি বিক্রি, উত্তরাধিকারসূত্রে হস্তান্তর বা জমির খাজনা পরিশোধ করা সম্ভব নয়। জমির মালিকানা নিয়ে ভবিষ্যতে আইনি জটিলতা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। সরকারি সূত্রে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র দলিলের ভিত্তিতে জমি রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তাই জমি কেনার পর দ্রুত নামজারি সম্পন্ন করাই বর্তমানে বৈধতার একমাত্র উপায়।
বর্তমানে, নামজারির জন্য আবেদন অনলাইনে দেওয়া যাচ্ছে এবং এর জন্য সরকার নির্ধারিত ফি ১১৭০ টাকা। আবেদন জমা দেওয়ার পর প্রার্থীদের এসএমএস-এর মাধ্যমে শুনানির তারিখ জানানো হয়। যদি কারও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও নামজারি না হয়, তবে তারা ভূমি মন্ত্রণালয়ের সহায়তা নম্বরে ১৬১২২ ফোন করে অভিযোগ জানাতে পারবেন। প্রয়োজনে কর্তৃপক্ষ সেনাবাহিনীর সহায়তার কথাও উল্লেখ করেছে।
নামজারি ছাড়া জমির বিপরীতে নানা বড় সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর ফলে আপনার জমি অন্য কেউ বিক্রি করতে সক্ষম হতে পারে এবং আইন অনুযায়ী আপনার মালিকানা স্বীকৃত হবে না, ফলে ডিজিটাল রেকর্ডে আপনার মালিকানা যুক্ত হবে না। সরকার জনগণকে সতর্ক করে দিয়ে নামজারি ছাড়া দলিলের মাধ্যমে জমি রেকর্ড না করার নির্দেশনা দিয়েছে। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে নামজারি সম্পন্ন করে নিজেদের মালিকানা নিশ্চিত করতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যশোরের ঝিকরগাছার ঝিকরগাছা থানা এলাকায় কামরুজ্জামান হত্যা মামলায় আদালত ওসমান গণি ও আলী হোসেন নামের দুই ভাইকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ প্রদান করেছে। সোমবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরের সময় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পঞ্চম আদালতের বিচারক জুয়েল অধিকারী এই রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত দুই ভাই হলেন: ঝিকরগাছা উপজেলার শংকরপুর ইউনিয়নের ছোট পোদাউলিয়া গ্রামের মৃত ছবেদ আলী সরদারের সন্তান ওসমান গণি এবং আলী হোসেন। মামলার অন্য আসামি, দুই ভাইয়ের স্ত্রী খাদিজা খাতুনকে খালাস প্রদান করা হয়েছে।
অতিরিক্ত পিপি আজিজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার বিশদ বিবরণ অনুযায়ী, ছোট পোদাউলিয়া এলাকার নুরুল হকের ছেলে কামরুজ্জামানের সাথে তার চাচা ওসমান এবং আলী হোসেনের জমি নিয়ে দীর্ঘকাল ধরে বিরোধ চলছিল।
২০২৩ সালের ৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় জমিতে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ সংক্রান্ত বিষয়ে কামরুজ্জামানের সঙ্গে ওসমান ও আলী হোসেনের তর্কবিতর্ক শুরু হয়। এক পর্যায়ে দুই ভাই বাড়ি থেকে ধারালো দা এনে কামরুজ্জামানকে নির্মমভাবে কুপিয়ে জখম করে। কামরুজ্জামানকে বাঁচানোর চেষ্টায় তার বড় ভাইয়ের স্ত্রী আনোয়ারা, ছোট ভাইয়ের স্ত্রী পারভীন এবং ভাইপো আতাউর রহমানও হামলার শিকার হন।
আঘাতকৃত চারজনকে কুপিয়ে পলাতক হয়ে যায় দুই ভাই। পরে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চারজনকেই যশোর জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। হাসপাতালে আনার পর কামরুজ্জামানের মৃত্যু ঘটে। আহত অন্য তিনজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
এই ঘটনার পর নিহত কামরুজ্জামানের বাবা রুহুল আমিন সরদার থানায় তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ৩ জুলাই ঝিকরগাছা থানার উপ-পরিদর্শক বনি ইসরাইল আদালতে চার্জশিট জমা দেন। ওসমান এবং আলী হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় আজ তাদের ফাঁসির আদেশ দেয়া হয় এবং প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অপরদিকে, খাদিজা খাতুনকে খালাস দেয়া হয়।
পিপি আজিজুল ইসলাম মন্তব্য করেন, ‘হত্যা মামলায় দুই বছরের মধ্যে রায় দেওয়াটা তাই নজিরবিহীন। রাষ্ট্রপক্ষ রায়ে সন্তুষ্ট।’
অন্যদিকে, আসামিপক্ষ দাবি করেছে যে, তারা ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছে এবং উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যশোরের ঝিকরগাছায় কামরুজ্জামান হত্যার ঘটনায় ওসমান গণি ও আলী হোসেন নামে দুই ভাইকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পঞ্চম আদালতের বিচারক জুয়েল অধিকারী এ রায় উপস্থাপন করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত দুই ভাই হলেন: ঝিকরগাছা উপজেলার শংকরপুর ইউনিয়নের ছোট পোদাউলিয়া গ্রামের মৃত ছবেদ আলী সরদারের পুত্র ওসমান গণি এবং আলী হোসেন। একই মামলায় অপর আসামি ওসমানের স্ত্রী খাদিজা খাতুনকে মুক্তি দেয়া হয়।
অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার তথ্য অনুসারে, ছোট পোদাউলিয়া গ্রামের নুরুল হকের সন্তান কামরুজ্জামানের সাথে তার চাচাতো ভাই ওসমান ও আলী হোসেনের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
২০২৩ সালের ৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় জমির সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ নিয়ে কামরুজ্জামানের সঙ্গে উভয় ভাইয়ের বেশ বড় বচসা হয়। এক পর্যায়ে, তারা বাড়ি থেকে ধারালো দা এনে কামরুজ্জামানকে নির্মমভাবে কুপিয়ে আহত করেন। কামরুজ্জামানকে রক্ষার চেষ্টা করতে গিয়ে তার বড় ভাইয়ের স্ত্রী আনোয়ারা, ছোট ভাইয়ের স্ত্রী পারভীন এবং ভাইপো আতাউর রহমানও হামলার শিকার হন।
দুই ভাই হামলা শেষে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থার খারাপ হলে সকলকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে কামরুজ্জামানের মৃত্যু ঘটে। বাকি তিনজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এ ঘটনায় নিহত কামরুজ্জামানের বাবা রুহুল আমিন সরদার থানায় তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
পরবর্তী সময়ে মামলার তদন্ত শেষে, ২০২৪ সালের ৩ জুলাই ঝিকরগাছা থানার উপ-পরিদর্শক বনি ইসরাইল আদালতে চার্জশিট প্রদান করেন। অভিযোগগুলো প্রমাণিত হওয়ায় আজ দুই ভাইয়ের ফাঁসির আদেশ এবং তাদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অপর দিকে, খাদিজা খাতুনকে খালাস দেয়া হয়।
পিপি আজিজুল ইসলাম মন্তব্য করেন, ‘হত্যার মামলায় দুই বছরের মধ্যে রায় দেয়া একটি নজিরবিহীন ঘটনা। সরকার পক্ষ এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে।’
অন্যদিকে, আসামি পক্ষ অভিযোগ করেছেন যে, তারা সঠিক বিচার পাননি এবং উচ্চ আদালতে আপিল করার পরিকল্পনা করছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ