মঙ্গলবার, ১৭ই ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং
০৭:৫১ পি.এম
চাঁদপুর, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ : একটি মামলায় চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় বিদেশে পাঠানোর অর্থ পরিশোধ নিয়ে বাদি ও নিহত কেরামত আলীর ছেলে মো. জসিম উদ্দিনের সঙ্গে আসামিদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। মারামারি শেষে আসামী মো. মোশারফ হোসেন (৩৫) এবং মো. ইয়াছিন (৩৭) কে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন স্থানীয় আদালত। এছাড়া, বিচারের মাধ্যমে তাঁদেরকে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডও প্রদান করা হয়।
মঙ্গলবার চাঁদপুরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ সামছুন্নাহার এই রায় দেন। উল্লেখ্য, নিহত কেরামত আলী কচুয়া উপজেলার বিতারা ইউনিয়নের লইয়া মেহের পাঁচধারা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। কারাদণ্ডপ্রাপ্ত মোশারফ নিহত আলীর মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে এবং ইয়াছিন, মো. হাছানের পুত্র।
মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৮ সালের ২৩ আগস্ট সকালে লেবার বাড়িতে বিদেশে পাঠানোর টাকা পরিশোধ নিয়ে বাদি এবং নিহতের সঙ্গে আক্রমণ করে আসামিরা। এ সময় মোশারফ বাদির ছোট ভাই আল-আমিনকে মারধর করতে উদ্যত হলে কেরামত আলী এবং তাঁর স্ত্রী বাধা দিতে গেলে আসামি ইয়াছিন কাঠ দিয়ে কেরামত আলীকে আঘাত করেন, ফলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে কেরামত আলীকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সন্ধ্যা ৭টার দিকে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
এই ঘটনার পর ২৪ আগস্ট নিহতের ছেলে মো. জসিম উদ্দিন কচুয়া থানায় সাতজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করেন তৎকালীন কচুয়া থানার এসআই মো. মামুনুর রশিদ সরকার মামুন। ২০১৯ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন তিনি।
রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটার কুহিনুর বেগম জানান, মামলার ধারাবাহিকতায় আদালতে ২০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষ্য গ্রহণ, মামলার নথিপত্র বিশ্লেষণ এবং আসামীদের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার কারণে আসামী ইয়াছিনের উপস্থিতিতে বিচারক এই রায় প্রদান করেন। অপর আসামি মোশারফ পলাতক থাকায় এবং মামলার অপর পাঁচ আসামির অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় তাঁদের মুক্তি দেন বিচারক।
আসামিদের জন্য আইনজীবী হিসেবে নেতৃত্ব দেন মো. জসিম উদ্দিন প্রধান ও সফিকুল ইসলাম ভুঁইয়া।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রাজনৈতিক পরিবর্তনে রংপুর বিভাগে জামায়াত-e ইসলামীর দ্বারা একটি বড় ধরনের চমক দেখা দিয়েছে। সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রতিষ্ঠিত জাতীয় পার্টির প্রাধান্যকে ভেঙে দেয়ার মাধ্যমে এবার একচ্ছত্র আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছে ১১ দলীয় জামায়াত জোট।
এই বিভাগের ৩৩টি আসনের মধ্যে ১৬টি আসনে জয় লাভ করেছে জামায়াতে ইসলাম। তাদের জোটসঙ্গী এনসিপি দুটি আসন পেয়েছে। সবমিলিয়ে তাদের দখলে রয়েছে মোট ১৮টি আসন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মন্তব্য করছেন, আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতির কারণে ভোটের স্বাভাবিক সমীকরণ ভেঙে গেছে। এ ছাড়াও, জামায়াতের এত আসন অর্জনের পেছনে বড় কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে জাতীয় পার্টির ভাঙন ও বিএনপির সাংগঠনিক দুর্বলতা।
রংপুর জেলার ৬টি আসনের মধ্যে ৫টিতে জামায়াত এবং ১টিতে এনসিপি জয়ী হয়েছে। গাইবান্ধায় ৫টি আসনের ৪টিতে জামায়াত জিতেছে, ১টিতে বিএনপি। কুড়িগ্রামে ৪টির ৩টিতে জামায়াত ও ১টিতে এনসিপি জয় লাভ করেছে। এ ছাড়াও, নীলফামারীর ৪টি আসনেই জামায়াত জয়ী হয়েছে। অন্যদিকে বিএনপি লালমনিরহাটের ৩ আসন, পঞ্চগড়ের ২ আসন এবং ঠাকুরগাঁওয়ের ৩টিতে জয় পেয়েছে। দিনাজপুরের ৬টির ৫টিতে বিএনপি এবং ১টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
জাতীয় পার্টির দুর্বলতার কথা উল্লেখ করতে গিয়ে অনেকেই মনে করছেন, রংপুরকে একসময় জাতীয় পার্টির ঘাঁটি হিসেবে ভাবা হতো। এর প্রবল কারণ ছিল সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জনপ্রিয়তা। তবে তার মৃত্যুর পর দলে নেতৃত্ব সংকট, মাঠে স্থবিরতা ও কোন্দলগুলোর ফলে জাতীয় পার্টির শক্তি কমে গেছে। এক নেতা বলেন, ‘এরশাদের মৃত্যুর পর আমরা আগের মতো সংগঠন ধরে রাখতে পারিনি। দল পুনর্গঠনের কাজ এখন বড় চ্যালেঞ্জ।’
জাপার নির্বাচনী মাঠে দুর্বল উপস্থিতি ছিল স্পষ্ট। দলীয় সূত্রমতে, ভোটের দিন সকালে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের কোথাও দেখা যায়নি এবং কেন্দ্রীয় নেতারা মাঠেও উপস্থিত ছিলেন না। ২০০৮ সালের নির্বাচনের ফলাফল তুলনায় এবারের নির্বাচনের পরিস্থিতি বদলে গেছে। বড় ভোটব্যাংক বিকল্প উৎকর্ষের দিকে সরে যাওয়ায় ফলাফলও প্রভাবিত হয়েছে।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর রংপুর মহানগর সভাপতি ফখরুল আনাম বেঞ্জু বলেন, ‘জাতীয় পার্টির জন্ম একটি আবেগ থেকে হয়েছিল, যা এরশাদ সাহেব কাজে লাগিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি মৃত্যুবরণ করার পর সেই আবেগের মাত্রা ক্রমশ কমে চলেছে। তার নেতৃত্বের সংকটের জন্য জাতীয় পার্টির এমন ফলাফল হয়েছে।’
এদিকে, বিএনপির সংগঠনগত দুর্বলতা রংপুরে হতাশাজনক ফলাফলের অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রার্থী নিয়োগে বিলম্ব, নতুন মুখ উত্থাপন, আসনে মনোনয়ন বঞ্চিতদের ক্ষোভ এবং অভ্যন্তরীণ সমস্যা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এক নেতা জানান, ‘বেশ কিছু আসনে আমরা ভালো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলাম, কিন্তু কিছু সাংগঠনিক সীমাবদ্ধতা আমাদের ফলাফলে প্রভাব রেখেছে।’
আবার অন্য নেতা বলেন, ‘আমাদের যথেষ্ট ভোট ছিল, তবে দেরিতে মনোনয়ন দেয়ার কারণে এবং মনোনয়ন নিয়ে অসন্তোষের কারণে দলের একটি বড় অংশ নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছিল।’
জামায়াতের কৌশল ও উন্নতি: জামায়াত প্রায় দেড় বছর আগেই প্রার্থী চূড়ান্ত করে কার্যক্রম শুরু করে। ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ে যোগাযোগ বাড়িয়েছে এবং নারী ও যুবসমাজের ভোটারদের টার্গেট করে প্রচারণা চালিয়েছে। শিক্ষা, সামাজিক ও দাতব্য কার্যক্রমও তাদের জয়লাভে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
কাউনিয়ার তরুণ ভোটার জাহিদুল ইসলাম জসিম বলেন, ‘আমরা ওই ব্যক্তিকে ভোট দিয়েছি যে এলাকায় সক্রিয় থাকবে।’ নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমান বেলাল বলেন, ‘আমরা মানুষের জন্য কাজ করবো।’ রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. ত্বহা হুসাইন জানান, এবারের নির্বাচনে জামায়াতের উত্থান মূলত রাজনৈতিক শূন্যতার ফল। আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতি ও জাতীয় পার্টির কম কার্যকর থাকার কারণে জামায়াত এ ফাঁকা জায়গা পুরণ করতে সক্ষম হয়েছে।
১৯৯১ সালে জামায়াত ১৮টি আসন লাভ করে, ১৯৯৬ সালে এটি ৩টিতে নেমে আসে, এবং ২০০১ সালে আবার এটি ১৭টিতে ফিরে আসে। বর্তমানে, জোটগতভাবে দেশে ৭৭টি এবং রংপুরে ১৮টি আসন লাভ করা দলটির জন্য এটি একটি বড় পুনরুত্থানের প্রতীক বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান এমপি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিলেন। মন্ত্রী হয়ে তিনি ঝিনাইদহের শৈলকূপায় মিষ্টি বিতরণ করেন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা আনন্দ র্যালি করেন।
শৈলকূপা উপজেলা শহরের কেন্দ্রস্থলে চার রাস্তার মোড়ে গিয়ে নেতাকর্মীরা মিষ্টি মুখ করেন এবং বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের মাঝে মিষ্টিও বিতরণ করেন।
এ সময় নেতাকর্মীরা আশা করেন, আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান পূর্বের মতো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। তিনি ঝিনাইদহ-১ আসন থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে মন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করলেন।
ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার বারইপাড়া গ্রামের প্রয়াত স্কুলশিক্ষকের সন্তান আসাদুজ্জামান, দুই কন্যার জনক। তিনি ১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে ভর্তি হন এবং এলএলবি ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন।
১৯৯৫ সালে আইনজীবী হিসেবে বার কাউন্সিলে নথিভুক্ত হন এবং ১৯৯৬ সালে হাইকোর্ট ডিভিশনে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করেন।
এরপর ২০০৫ সালে আপিলেট ডিভিশনে নিয়োগ পান। অ্যাডভোকেট আসাদ দীর্ঘ অভিজ্ঞতা নিয়ে রাষ্ট্রের মুখ্য আইন কর্মকর্তা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
২০২৪ সালের ৮ আগস্ট তিনি ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব নেন এবং বিচার ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, মামলা জট কমানো, আইনের শাসন শক্তিশালীকরণ ও নাগরিক অধিকার সুরক্ষায় প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
জেলা সচেতন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি আনোয়ারুজ্জামান আজাদ মন্তব্য করেন, 'আইন পেশা থেকে উঠে আসা নেতৃত্ব আইন মন্ত্রণালয়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। তারা আইনের প্রয়োগগত সমস্যাগুলি জানেন এবং সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা বোঝেন। একজন আইনমন্ত্রী হওয়া শুধু ব্যক্তিগত উন্নতি নয়, বিচার ব্যবস্থায় অভ্যন্তরীণ অভিজ্ঞতার প্রতিফলনও। আসাদুজ্জামান সফল হবেন বলে আমি আশা করি।'
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন স্বরূপ, ঝিনাইদহ-১ আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৭১ হাজার ৫৯৮ ভোট পান আসাদুজ্জামান। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আবু ছালেহ মো. মতিয়ার রহমান পান ৫৫ হাজার ৫৭৮ ভোট।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মহাবিজয় অর্জনের পর মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেছেন। এর পর বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সংসদ নেতা হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে।
এরপর বিকেলে বাংলাদেশে নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তারেক রহমান। এই বৈশিষ্ট্যময় উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার মজুরি ও অন্যান্য সুবিধা নিয়ে জনগণের মধ্যে আগ্রহ দেখা দিয়েছে।
‘দ্য প্রাইম মিনিস্টারস (রেমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০১৬’-এর আওতায়, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান মাসে ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা বেতন পাবেন। এর পাশাপাশি তিনি মাসে ১ লাখ টাকা বাড়িভাড়া ভাতা পাবেন, যদিও সাধারণত প্রধানমন্ত্রীরা সরকারি বাসভবনে বসবাস করেন এবং সেখানে থাকেন।
প্রধানমন্ত্রীর দৈনিক ভাতা ৩ হাজার টাকা হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। এছাড়াও বিমান ভ্রমণের জন্য তার জন্য ২৫ লাখ টাকার বিমা কভারেজ এবং দেড় কোটি টাকার স্বেচ্ছাধীন তহবিল বরাদ্দ করা হয়েছে।
এছাড়া, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিনোদন খরচ সম্পূর্ণ ভাতা হিসেবে প্রদান করা হবে। অফিস থেকে বাসা এবং বাসা থেকে অফিস যাওয়ার সমস্ত খরচ সরকারের তরফ থেকে বহন করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী এবং তার পরিবারের নির্দিষ্ট ব্যয়ও ভাতা হিসেবে প্রদান করা হবে। পাশাপাশি, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, টেলিফোন ও অন্যান্য ইউটিলিটির খরচও সরকারের দায়িত্ব।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ : শিক্ষার্থীদের মধ্যে গণসচেতনতা তৈরি ও সততার চর্চার উদ্দেশ্যে কুমিল্লার মুরাদনগরে আজ একটি দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। মঙ্গলবার, পুরো দিনটি ধরে উপজেলার নজরুল মিলনায়তনে এই প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়।
‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে তারুণ্যের একতা: গড়বে আগামীর শুদ্ধতা’ এই শ্লোগানকে কেন্দ্র করে দুর্নীতি দমন কমিশনের কুমিল্লা জেলা কার্যালয় এই অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করে।
মৌলিক দায়িত্ব পালন করেছেন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আব্দুর রহমান।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সফিউল আলম তালুকদারের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সুমন লাল দেবনাথ এবং মুরাদনগর প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি বেলাল উদ্দিন আহমেদ।
প্রতিযোগিতায় উপজেলার ১৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একত্রিত হয়ে অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়। চূড়ান্ত পর্বে, পাঁচপুকুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মুরাদনগর নুরুন্নাহার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়কে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
বিতর্ক প্রতিযোগিতার মডারেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন কাজী নোমান আহমেদ ডিগ্রি কলেজের সহকারি অধ্যাপক ড. মনিরুজ্জামান। প্রতিযোগিতার বিচারকের দায়িত্বে ছিলেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার কোহিনুর বেগম, উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কামাল হোসেন এবং কোম্পানীগঞ্জ বদিউল আলম ডিগ্রি কলেজের সহকারি অধ্যাপক নুরজাহান বেগম।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ