শনিবার, ১৭ই জানুয়ারী, ২০২৬ ইং
১২:৪৬ পি.এম
ঢাকা ক্যাপিটালসের জন্য প্লে-অফের আশাকে ধরে রাখতে জয় অবশ্যই প্রয়োজন। এমন kritikal অবস্থায় রংপুর রাইডার্সের বিরুদ্ধে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের পক্ষে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে মোহাম্মদ মিঠুনের অধিনায়ত্ত্বাধীন দল।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিপিএলের প্রথম ম্যাচটি মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে দুপুর ১টায় অনুষ্ঠিত হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুব বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ ও ভারত। বাংলাদেশ দলের নির্বাচক ও ম্যানেজার এহসানুল হক সিজান এক ভিডিও বার্তায় আশা প্রকাশ করেছেন, ভারতের বিপক্ষে জয় দিয়ে বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করবে বাংলাদেশ।
সিজান বলেন, ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে ক্রিকেটাররা যদি শতভাগ চেষ্টা দেয়, তাহলে ফল আমাদের অনুকূলে আসবে। ২০২৪ সালের এশিয়া কাপেও ভারতকে হারিয়েছি। এই দলে সেই খেলোয়াড়রাই আছেন। তাই আমি খুবই আশাবাদী কালকের ম্যাচ জয়ের জন্য।
বাংলাদেশের প্রধান কোচ নাভিদ নেওয়াজ ভারতীয় দলকে যথেষ্ট সম্মান জানিয়ে বলেন, যেদিন যে দল ভালো খেলবে, তারই জেতার সম্ভাবনা বেশি। ভারত একটি শক্তিশালী দল, আমাদেরও ভালো দল আছে। আমরা প্রক্রিয়ার ওপর মনোযোগ দিয়ে কাজ করছি।
তিনি আরও যোগ করেন, যদি খেলোয়াড়রা পরিকল্পনায় অটল থাকে এবং সেটি বাস্তবায়ন করতে পারে, তাহলে জয়ের সুযোগ থাকবে। মাঠে ছেলেরা কীভাবে খেলাটি উপস্থাপন করে তা দেখার বিষয়। শেষ পর্যন্ত যেই দল ভালো খেলবে, তারাই জিতবে।
ভারতের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচে সবাই দৃষ্টি রাখছে এক মজবুত পারফরম্যান্সের দিকে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
এখন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হচ্ছে যে, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নিয়ে জোটের দশটি দলের জন্য অপেক্ষা করবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। তিনি এ কথা বলার সময় উল্লেখ করেন, যদি তারা শেষে পর্যন্ত না আসেন, তবে ফাঁকা রাখা ৪৭টি আসনে প্রার্থী দেবার বিষয়টি চূড়ান্ত করতে হবে দলগুলোর প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত লিঁয়াজো কমিটিকে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণার পর জামায়াতের সর্বোচ্চ ফোরাম জরুরি বৈঠকে বসেছে।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুর ১২ টায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠক সংক্রান্ত তাৎক্ষণিক এক সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলনের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে জোটের অবস্থান তুলে ধরেন তিনি।
এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, '১১ দলের সমঝোতায় চূড়ান্ত হওয়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আসনগুলো এখনো ফাঁকা পড়েছে। এখন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হচ্ছে, শেষ সময় পর্যন্ত তারা জন্য অপেক্ষা করবে দশ দল।'
তবে যদি তারা না আসেন, তাহলে ফাঁকা রাখা ৪৭টি আসনে নিজেদের প্রার্থী দেবার ব্যাপারে আলোচনা করে চূড়ান্ত করবে ১০ দলের লিঁয়াজো কমিটি।
তিনি আরও বলেন, বৈঠকে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে জামায়াতের কর্মপরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা চলছে।
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে ৪৭টি আসন ফাঁকা রেখে ২৫৩ আসনে প্রার্থী দেবার কথা ঘোষণা করেন ১০ দলের শীর্ষ নেতারা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুফতি আমির হামজা, কুষ্টিয়া-৩ আসনে, বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোকে নিয়ে করা পুরনো একটি বক্তব্য নতুন করে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ায় সমালোচনার শিকার হয়েছেন। সমালোচনার মুখে দায়িত্ববোধের পরিচয় দিয়ে মধ্যরাতে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি প্রতিক্রিয়াতে আমির হামজা বলেন, মরহুম আরাফাত রহমান কোকো সম্পর্কে তার বিবৃতিটি ছিল অনাকাঙ্ক্ষিত। একটি বিষয় বোঝানোর জন্য উদাহরণ হিসেবে তিনি ভুল করেছিলেন এবং তিনি তৎক্ষণাৎ দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন। এখন তাঁর পুরনো সেই বক্তব্যের জন্য আবারও দুঃখ প্রকাশ করছেন।
তিনি নির্দেশ করেন, আলোচিত বক্তব্যটি সদ্য গৃহীত নয়; এটি ২০২৩ সালের, এবং সেই সময়েও তিনি প্রকাশ্যে অনুতাপ জানিয়েছিলেন।
তবে একই সঙ্গে অভিযোগ করে বলেছেন, কিছু গণ ব্যক্তি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পুরনো ওই বক্তব্যকে নির্বাচনকালীন বক্তব্য হিসেবে নতুন করে সামনে নিয়ে আসার চেষ্টা করছেন।
আমির হামজার মতে, এ ধরনের কাজ রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে গিয়ে তাঁরা মরহুম ব্যক্তির প্রতি disrespect দেখাচ্ছেন। এ বিষয়টি নিয়ে সকলকে সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
পোস্টের শেষের দিকে, আমির হামজা আরাফাত রহমান কোকোর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বলেন, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস দেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিস্থিতি মনিটর করতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ৫৬ সদস্যের পর্যবেক্ষক টিম দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে যাচ্ছেন।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে ঢাকার একটি হোটেলে বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ইইউর পর্যবেক্ষকরা বিভাগীয় শহরের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন।
অনুষ্ঠানে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের উপ-প্রধান ইনতা লাসে মন্তব্য করেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নির্বাচনে কোনো প্রভাব ফেলছে কিনা, তা স্পষ্টভাবে পর্যবেক্ষণ করতে আমরা গুরুত্ব দেব।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘আমরা প্রত্যক্ষ করেছি, ২০২৪ সালে বাংলাদেশে কি ঘটেছিল। এই নির্বাচন ঢাকার জন্য একটি ঐতিহাসিক পছন্দের নির্বাচন।’
ইনতা লাসে এ বিষয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেন যে, ইইউর পর্যবেক্ষক দল নিরাপদে নির্বাচনের প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করতে সক্ষম হবে।
তিনি আরো জানান, নির্বাচনের দিন আসার সাথে সাথে আরও ৯০ জন স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষক যুক্ত হবে। ফলে নির্বাচনের দিন মোট ২০০ জন পর্যবেক্ষক মাঠে থাকবে।
এই পর্যবেক্ষক দল নির্বাচন প্রশাসন, প্রার্থীরা, রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ এবং নাগরিক পর্যবেক্ষক দলের সাথে বৈঠক করবেন। তাদের কার্যক্রম শহরের পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলেও চলতে থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ