০৭:১৬ পি.এম
দক্ষিণ চীন সাগরে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফিলিপিন্সের দাবি, চীনা বাহিনী তাদের টহল বিমান লক্ষ্য করে তিনটি ফ্লেয়ার ছুরেছে। এর পাশাপাশি, জাপানি সামরিক বিমানের দিকে রাডার সেট করার অভিযোগও উঠেছে। তবে এই প্রসঙ্গে চীন থেকে কোন মন্তব্য ইস্যু করা হয়নি।
এশিয়ার শক্তিশালী অর্থনীতির দেশগুলো চীন ও জাপানের মধ্যে পরিস্থিতি আরো উত্তপ্ত হচ্ছে। টোকিও অভিযোগ করছে, সম্প্রতি ওকিনাওয়া দ্বীপপুঞ্জের কাছে আন্তর্জাতিক আকাশসীমায় জাপানি সামরিক বিমানের দিকে চীনা যুদ্ধবিমান ফায়ার-কন্ট্রোল রাডার তাক করেছে।
জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি রোববার (৭ ডিসেম্বর) সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্টে এ ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি দাবি করেন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। এ প্রসঙ্গে চীনের পক্ষ থেকে কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট প্রক্রিয়ায় নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই: ইইউ পর্যবেক্ষক
ফিলিপিন্সের কস্টগার্ড জানাচ্ছে যে, চীনা বাহিনী দক্ষিণ চীন সাগরের বিতর্কিত অঞ্চলে তাদের নিয়মিত টহলের সময় ফিলিপিন্সের বিমানকে লক্ষ্য করে ফ্লয়ার ছেড়েছে। সুবি রিফ থেকে ছোড়া সেই ফ্লেয়ারে বিমানটির কোন ক্ষতি হয়নি।
অথবা, এই বিতর্কিত অঞ্চলের নিকটবর্তী চীনা একটি হাসপাতাল জাহাজ, দুটি চীনা কোস্টগার্ড জাহাজ এবং সন্দেহভাজন ২৯টি মিলিশিয়া জাহাজ খোঁজ পাওয়া গেছে।
এছাড়াও, বিদেশি বিমানগুলোকে বেইজিংয়ের শাসনের কথিত আকাশসীমা এড়িয়ে চলতে সতর্ক করতে চীনা বাহিনী আগেও ফ্লেয়ার ছুড়েছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক নৌপথ দক্ষিণ চীন সাগরের সম্পূর্ণ মালিকানা দাবি করে আসছে বেইজিং।
স্প্র্যাটলি দ্বীপপুঞ্জের কাছে কৃত্রিম দ্বীপ তৈরি করে সেখানকার সামরিক ঘাঁটির অভিযোগও উঠেছে।
আরও পড়ুন: মালয়েশিয়ায় গ্রেফতার হলো সাংবাদিক রেক্স তান, গাজা নিয়ে বিতর্কিত প্রশ্নের অভিযোগ
আমেরিকার সমরমন্ত্রী পিট হেগসেথ জানাচ্ছেন, চীনের উত্থান রোধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে। তিনি বলেন, ওয়াশিংটনের চীনকে দমনের কোন উদ্দেশ্য নেই, কিন্তু মার্কিন মিত্ররাও যাতে সামরিক আগ্রাসনের শিকার না হয়—এটা নিশ্চিত করাই যুক্তরাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন