প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন:- ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- talashbd2024@gmail.com
মিশিগানে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ডেমোক্রেটিক সিনেট প্রাইমারিকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার একটি পুরনো বক্তব্য ব্যবহার করে প্রার্থনা প্রচারণা চালানো এবং ইসরায়েলপন্থী লবির কোটি ডলার অর্থায়নের কারণে দলের মধ্যে বিভাজন আরও পরিষ্কার হয়ে উঠেছে।
আগামী ৪ আগস্টের প্রাইমারিতে মধ্যপন্থী প্রার্থী হ্যালি স্টিভেন্সের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন প্রগতিশীল নেতা এবং সাবেক জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা আবদুল এল সায়েদ। যদিও ওবামা আনুষ্ঠানিকভাবে কাউকেই সমর্থন করছেন না, তবে স্টিভেন্সের প্রচারণায় ২০১৮ সালের একটি ভিডিও ব্যবহার করা হচ্ছে। সেই ভিডিওতে ওবামা স্টিভেন্সের কাজের প্রশংসা করেছিলেন। এল সায়েদের সমর্থকদের অভিযোগ, এতে ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে।
AdImpact-এর তথ্য অনুযায়ী, ৫০ লাখ ডলার ব্যয়ে তৈরি স্টিভেন্সপন্থী ওই বিজ্ঞাপনটি গত এক বছরে মিশিগানের সবচেয়ে বেশি প্রচারিত রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন হয়েছে।
নির্বাচনের আরেকটি মূল ইস্যু হল অর্থায়ন। স্টিভেন্সের পক্ষে বিভিন্ন সুপার প্যাক ৫ কোটি ডলারের বেশি ব্যয় করেছে। এর মধ্যে বড় অংশ এসেছে ইসরায়েলপন্থী লবিং গ্রুপ এআইপ্যাকের সুপার প্যাক ইউনাইটেড ডেমোক্রেসি প্রজেক্ট থেকে। অন্যদিকে, করপোরেট অনুদান প্রত্যাখ্যান করা এল সায়েদের পক্ষে বহিরাগত প্রচারণায় ব্যয় হয়েছে প্রায় ১০ লাখ ডলার।
এল সায়েদের দাবি, মার্কিন ইসরায়েল নীতি নিয়ে তার অবস্থানের কারণেই তার বিরুদ্ধে এই পরিমাণ অর্থ ব্যয় হচ্ছে। অপরদিকে, স্টিভেন্সের সমর্থকদের মতে, ওবামার বক্তব্য ব্যবহার করা বোকা নয়, কারণ তিনি বাস্তবে সে প্রশংসা করেছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতামত অনুযায়ী, কৃষ্ণাঙ্গ ভোটারদের আকৃষ্ট করতে ওবামার জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগানো হয়েছে। একই সঙ্গে গাজা যুদ্ধ এবং যুক্তরাষ্ট্রের ইসরায়েল নীতির কারণে ডেমোক্রেটিক পার্টির আদর্শিক বিভাজন এই নির্বাচনে বড় প্রভাব ফেলছে।
প্রাইমারিতে বিজয়ী প্রার্থী মূল নির্বাচনে রিপাবলিকান নেতা মাইক রজার্সের মুখোমুখি হবেন। সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে ডেমোক্র্যাটদের জন্য মিশিগানের এই আসনে জয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সূত্রঃ এপি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন