প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন:- ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- talashbd2024@gmail.com
বান্দরবান, নিজস্ব প্রতিবেদক - সরকারি উদ্যোগে বন্যাদুর্গত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন। আজ, ১৭ জুলাই, ২০২৬, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের রেস্টহাউসে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ত্রাণ বিতরণ উপলক্ষে তিনি এ কথা বলেন। এসময় ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ কিস্তি ও সুদের ওপর এক মাসের স্থগিতকরণের কথাও জানিয়েছেন, যা পরবর্তীতে বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, শুক্রবার বান্দরবান সদর উপজেলার জামছড়ি এবং রোয়াংছড়ি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ৫০০ বন্যার্ত পরিবারের হাতে জরুরি ত্রাণসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘দুর্যোগ-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রমের বাস্তবায়ন হবে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে, যাতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে।’
একইসঙ্গে মীর হেলাল উদ্দিন উল্লেখ করেছেন, ‘সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করছে, যাতে ক্ষয়ক্ষতি কমানো যায় এবং দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানো সম্ভব হয়। সরকারি দপ্তর, জনপ্রতিনিধি এবং দলীয় নেতাকর্মীরা সমন্বিতভাবে ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।’
তিনি ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তাদের সমস্যার বিষয়ে বলেন, ‘অনেক নারী এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা করেন এবং বন্যার কারণে তারা আর্থিক সংকটে পড়েছেন।’ কৃষকদের জন্য দিকনির্দেশনা দিয়ে বলেছেন, ‘যাদের ফসল ও কৃষিখাত বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তারা যেন কৃষি বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।’
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, গবাদিপশুর বিনাপ্রাণ টিকা দেওয়া হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আরো ত্রাণ বরাদ্দ দেওয়া হবে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ইতিমধ্যে ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘সরকারের সবাই দিন-রাত কাজ করছে, যাতে বন্যাদুর্গত মানুষ দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে।’
ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি এবং সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন