জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি
০৮:১৬ পি.এম
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার বৈকুণ্ঠপুর গ্রামের বাসিন্দা ও বালিয়াকান্দি উপজেলার স্বনামধন্য স্বাবলম্বী ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষিকা জীবন নাহার লিপি (৬৪) আকস্মিকভাবে মৃত্যুবরণ করেছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তিনি গতকাল রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার বহরপুর ইউনিয়নের বহরপুর উত্তরপাড়ায় অবস্থিত তার ভাই বহরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ারুল ইসলাম খান দুলালের বাড়িতে বেড়াতে আসেন।
জীবন নাহার লিপি তার স্বামী মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের সঙ্গে শিগগিরই পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তাদের ভিসা প্রসেসिंगের কার্যক্রম চলমান ছিল।
আজ (শুক্রবার) ১৭ জুলাই দুপুরে যখন তিনি বাসার বাথরুমে প্রবেশ করেন, তখন দীর্ঘ সময় দরজা না খোলায় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সন্দেহ তোলে। পরে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে তাকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখা যায়। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বহরপুর মেডিক্যাল সেন্টারে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বালিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসক জানান তিনি স্ট্রোক করেছিলেন।
মৃত্যুকালে তিনি স্বামী, দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার বড় ছেলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক এবং অপর ছেলে আনসার বাহিনীতে কর্মরত রয়েছেন। একমাত্র মেয়ে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, আজ বাদ এশা বহরপুর উত্তরপাড়া মাদ্রাসা সংলগ্ন মাঠে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। পরে শহীদনগর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
শিক্ষক সমাজ, আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে তার মৃত্যুতে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সকলেই মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন হাসপাতালের বর্জ্য নির্ধারিত স্থানে ফেলার আহ্বান জানিয়েছেন।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর শেওড়াপাড়ায় গ্রিন স্পেশালাইজড হাসপাতালের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেন।
ডিএনসিসি প্রশাসক বিস্তারিত জানিয়েছেন, হাসপাতালের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সম্পূর্ণরূপে সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব নয়। হাসপাতালের বর্জ্যের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রয়েছে এবং এ বিষয়ে কোনো ধরনের অবহেলা করা যাবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন। হাসপাতালের সামনে ময়লার বিন স্থাপনের পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।
শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন এলকার মানুষের জন্য মানসম্মত ও নিরবচ্ছিন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সতর্ক থাকতে আহ্বান জানান। তিনি आश্বাস দিয়েছেন, এজন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে করা হবে।
এছাড়া, হাসপাতালে সেবার মান বজায় রেখে এটি এলাকার অন্যতম সেরা স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার আশা ব্যক্ত করেন ডিএনসিসি প্রশাসক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নরসিংদী আদালত চত্বর থেকে একটি ব্যবসায়ীকে অপহরণ, মারধর এবং মুক্তিপণ আদায় করার ঘটনায় দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) নরসিংদী সদর উপজেলার বিলাসদী এলাকার মধ্যে অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তবে মামলার অন্যতম আসামি কনটেন্ট ক্রিয়েটর মাসুদ রানা বাবুল এখনও পলাতক রয়েছেন।
গ্রেফতার হওয়া দুজন হলেন বিলাসদী এলাকার মিজানুর রহমানের ছেলে ইনসান মিয়া (৪০) এবং ছাদু মিয়ার ছেলে শরিফ মিয়া (৩৮)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৮ জুলাই দুপুরে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার বিল গোবিন্দপুর এলাকার বাসিন্দা লিখন তালুকদার (৩৫) নরসিংদী আদালতে হাজিরা শেষে বের হওয়ার পর এজাহারভুক্ত আসামি মাসুদ রানা বাবুলসহ কয়েকজন ব্যক্তি তাকে জোরপূর্বক অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে একটি কক্ষে আটক রেখে তার ওপর নির্যাতন চালায় এবং মুক্তিপণ হিসেবে ১ লাখ ১৮ হাজার টাকা আদায় করা হয় বলে মামলার এজাহারে অভিযোগ রয়েছে।
এই ঘটনায় ভুক্তভোগী লিখন তালুকদার ৯ জুলাই তারিখে নরসিংদী মডেল থানায় সাতজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৫ থেকে ৭ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
মামলার পরে নরসিংদী জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় আসামিদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান শুরু করে নরসিংদী মডেল থানা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় শুক্রবার বিলাসদী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইনসান মিয়া ও শরিফ মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।
নরসিংদী সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ আর এম মামুন জানিয়েছেন, গ্রেফতার দুই আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারত পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব রেল যোগাযোগের নতুন যুগে পদার্পণ করেছে। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উদ্বোধন করেছেন প্রথম হাইড্রোজেন ফুয়েল সেলচালিত ট্রেনের।
এই উদ্বোধনের মাধ্যমে ভারত জার্মানি, জাপান, চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের মতো উন্নত দেশগুলোর পর হাইড্রোজেন প্রযুক্তির এলিট ক্লাবে যোগ দিল। কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, উত্তর রেলওয়ের ৮৯ কিলোমিটার জিন্দ-সোনিপৎ রুটে চলাচলকারী ১০ কোচের ট্রেনটিকে বিশ্বের দীর্ঘতম এবং সবচেয়ে শক্তিশালী হাইড্রোজেন ট্রেন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে জানাচ্ছে, প্রথাগত ডিজেল ইঞ্জিনের বিপরীতে হাইড্রোজেন ট্রেন কোনো ওভারহেড বৈদ্যুতিক তার ছাড়াই সম্পূর্ণ নিজস্ব প্রযুক্তিতে অনবোর্ড বিদ্যুৎ তৈরি করতে পারে। এর মূল কেন্দ্রে রয়েছে ১ হাজার ২০০ কিলোওয়াটের প্রোটন এক্সচেঞ্জ মেমব্রেন ফুয়েল সেল যা হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে।
ট্রেনের চালকদের জন্য বিদ্যুৎবাহী দুটি পাওয়ার কারে উচ্চ-চাপ সিলিন্ডারে সংকুচিত হাইড্রোজেন গ্যাস বহন করা হয়। যখন এই হাইড্রোজেন ফুয়েল সেলে প্রবেশ করে, তখন একটি প্ল্যাটিনাম অনুঘটকের মাধ্যমে হাইড্রোজেনের প্রোটন ও ইলেকট্রন আলাদা হয়ে যায়। ইলেকট্রনগুলো যখন একটি বাহ্যিক বৈদ্যুতিক সার্কিটের মাধ্যমে চলাচল করে, তখন বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়, যা ট্রেনের ট্র্যাকশন মোটরকে সচল করে। সেইসঙ্গে বাতাস থেকে নেওয়া অক্সিজেন হাইড্রোজেন প্রোটন ও ইলেকট্রনের সাথে সংঘটিত হয়।
এই সম্পূর্ণ তড়িৎ-রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় কোনো দহন বা ধোঁয়া না তৈরি হওয়ার কারণে ক্ষতিকারক কার্বন নির্গমনের পরিবর্তে শুধু জলীয় বাষ্প ও তাপ নির্গত হয়। ফলে, এটি বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে পরিণত হয়েছে। ফুয়েল সেল থেকে উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ লিথিয়াম আয়রন ফসফেট ব্যাটারিতে সংরক্ষণ করা হয়, যা ট্রেনটি যখন গতি বাড়ায় তখন অতিরিক্ত শক্তি প্রদান করে এবং ব্রেকিংয়ের সময় সঞ্চিত শক্তি পুনরুত্পাদন করে।
ডিজেলের তুলনায় হাইড্রোজেনের শক্তির ঘনত্বও অনেক বেশি; ডিজেলের শক্তির ঘনত্ব প্রতি কেজিতে ৪৩ মেগাজুল, আর হাইড্রোজেনের ক্ষেত্রে তা প্রায় ১২০ মেগাজুল। তাই, এটি কার্বন নির্গমন ছাড়াই উচ্চ কর্মক্ষমতা নিশ্চিত করতে সক্ষম।
এই ট্রেনকে সার্বক্ষণিক সচল রাখতে হরিয়ানার জিন্দে ভারতের বৃহত্তম রেলওয়ে হাইড্রোজেন সংগ্রহ ও রিফুয়েলিং স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রায় ৩ হাজার কেজি হাইড্রোজেন সংরক্ষণ করা সম্ভব। এটি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মানদণ্ড মেনে নির্মাণ করা হয়েছে। রিসার্চ, ডিজাইন অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অর্গানাইজেশনের কারিগরি নির্দেশনায় নির্মিত এই ১০ কোচের ট্রেনে প্রায় ২ হাজার ৬০০ যাত্রী যাতায়াত করতে পারেন। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১১০ কিলোমিটার গতিবেগের নকশায় তৈরি এই ট্রেনটি আপাতত সুরক্ষার স্বার্থে ৭৫ কিলোমিটার গতিতে চালানো হবে।
জিন্দ জংশন, গোহানা জংশন এবং সোনিপতের মধ্যে সংযোগকারী এই ট্রেনের সুরক্ষায় কোনো আপস করা হয়নি। এতে হাইড্রোজেন লিক ডিটেক্টর, ফ্লেম ডিটেকশন সিস্টেম, স্বয়ংক্রিয় হাইড্রোজেন শাট-অফ মেকানিজম এবং চালকদের জন্য রিয়েল-টাইম হেলথ মনিটরিং ব্যবস্থা যুক্ত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই গণহত্যার বিচারের দাবি নিয়ে জাতীয় ছাত্রশক্তির কফিন মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) জুমার নামাজের পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে থেকে শুরু হয়ে রাজু ভাস্কর্যে এসে শেষ হয়েছে এই মিছিল।
এই কফিন মিছিলের পরে সেখানে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতারা অংশ নিয়ে বিগত সরকারের সময়কার গণহত্যার বিচার এবং আওয়ামী লীগের দোসরদের শাস্তির দাবি জোরালভাবে জানান।
সমাবেশে জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসান বলেন, 'নানা ধরনের মতের পার্থক্য, নানা ধরনের আদর্শের পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশের ছাত্রসমাজ শেখ হাসিনা এবং জুলাইয়ের গণহত্যার বিচারের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ। আমাদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের আদর্শিক ভেদাভেদ থাকতে পারে, কিন্তু জুলাইয়ের গণহত্যার বিচারের দাবিতে আমরা এক আছি আজকের এই সমাবেশে। আমরা শুনেছি হাসিনা নাকি ডিসেম্বরে দেশে আসতে চায়।'
তিনি আরো বলেন, 'ডিসেম্বরে পাকিস্তান আত্মসমর্পণ করেছিল; সেই ডিসেম্বরে পাকিস্তানিদের দোসর শেখ হাসিনাকেও বাংলাদেশে আত্মসমর্পণ করতে হবে।'
২০২৪ সালের স্মৃতিচারণ করে জাহিদ আহসান বলেন, 'এই কফিন মিছিল হয়েছিলো ২০২৪ সালের ১৭ই জুলাই। আমাদের উপরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির মদদে পুলিশ, র্যাব এবং বিজিবির যৌথ বাহিনী হামলা করেছিল। আমরা সেদিন কফিন মিছিল শেষ করতে পারি নাই।'
তিনি আরও অভিযোগ করেন যে সেই ভিসিসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষকদের বিচারের মুখোমুখি করা হয়নি। 'আমরা তীব্র নিন্দা জানাই, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নীলদলপন্থী সকল শিক্ষককে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।'
সমাবেশে ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন বলেন, 'এই জুলাই-আগস্টে যারা মুক্তিকামী ছাত্র জনতার ওপর নির্মম নির্যাতন চালিয়েছে, গুলি চালিয়ে হাজার হাজার ছাত্র জনতাকে শহীদ করেছে, তাদের বিচার অনতিবিলম্বে নিশ্চিত করতে হবে। শহীদ আবু সাঈদ, শহীদ ওয়াসিম, মুগ্ধ, শহীদ রাফিসহ যারা আমাদেরকে এই গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের পথ দেখিয়ে দিয়েছে, সেই গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখতে ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে আমরা সকল ছাত্র সমাজ ঐক্যবদ্ধভাবে আজকের এই দিনে ঐতিহাসিক ১৭ই জুলাই এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যে সন্ত্রাসী সংগঠনকে বিতাড়িত করেছিলাম, সেই সন্ত্রাসী সংগঠনের বিরুদ্ধে আমরা এদেশের গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখতে আগামী দিনে আমাদের লড়াই সংগ্রাম আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে চালিয়ে যাব।'
ছাত্রশক্তির ঢাবি শাখার সভাপতি তাহমীদ আল মুদ্দাসসীর বলেন, 'সংসদে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বারবার নিজেদের জুলাইয়ের পক্ষ শক্তি হিসাবে হাজির করলেও আমরা দেখতে পাই তাদেরই পাশে বসে থাকা সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান ও নীলুফার চৌধুরী টকশোতে বসে জুলাইকে মেটিকুলাস ডিজাইন ও ষড়যন্ত্র হিসাবে আখ্যা দেয়। আমি প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বলতে চাই আপনি যদি জুলাইয়ের পক্ষশক্তি হয়ে থাকেন তবে আপনার পাশে বসে থাকা এসব কুলাঙ্গারকে শায়েস্তা করতে হবে।'
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জাতীয় ছাত্রশক্তি, ছাত্র অধিকার পরিষদ, ইসলামী ছাত্রশিবির এবং ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের নেতারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ